‘বছর বছর ঠান্ডা বাড়ে। ভাঙা ঘরের চাটি (বেড়া) দিয়া রাইতোত হু হু করি বাতাস ঢোকে। মোর কপালোত শীতের কাপড়ই জোটে না। গতবার মেম্বার একখান কম্বল ডাকে দিছিল। পুরান কম্বলখান ছিঁড়ে গেইছে। এবার আশায় আছো কাহো যদি একনা কম্বল দেয়। তাহলে এবার ঠান্ডাখান কোনোরকমে কাটেবার পাইম।’ কথাগুলো বলছিলেন উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের খগাখড়িবাড়ী গ্রামের ফয়জন বেগম (৬০)। একমাস আগে থেকেই নীলফামারীর সর্বশেষ... বিস্তারিত
from Bangla Tribune https://ift.tt/3pdxTNN
0 comments:
Post a Comment