Showing posts with label বিনোদন. Show all posts
Showing posts with label বিনোদন. Show all posts
Monday, August 8, 2016
Saturday, July 16, 2016
ইয়ামি আমার সংসার ভেঙ্গেছে :সুয়েতা
বিনোদন ডেস্ক : সালমানের বোন সুয়েতা রোহিরা ও পুলকিত সম্রাটের বিবাহ-বিচ্ছেদ নিয়ে বলিউড অনেকদিন ধরেই মুখরিত। বিচ্ছেদের পেছনের কারণ সামনা সামনি কেউ প্রথমে না জানালেও, এখন সুয়েতা নিজ থেকে এসে ইয়ামির উপর দোষ চাপিয়ে দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, ইয়ামি আমার সংসার ভেঙ্গেছে। আমি অবশেষে সবার সামনে হাজির হলাম, অনেক মানুষ মিথ্যা বলে না। আমাদের মাঝে সবকিছুই ঠিক ছিল, কিন্তু তৃতীয় একজনের আগমনের পর সব শেষ হয়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি পুলকিত সম্রাটের সাবেক স্ত্রী হিসেবে পরিচিতি পেতে পাই না। আমি সুয়েতা হয়েই সবার সামনে আসতে চাই। আমি আমাদের বিচ্ছেদ নিয়ে খুশি। কখনও কোন অভিযোগও করি নি। কিন্তু পুলকিত নিজে থেকে আমাকে মুখ খুলতে বাধ্য করলেন। আমি ডিভোর্স চেয়েছি কিন্তু সে ব্যস্ত থাকার বাহানা দিয়ে সব এড়িয়ে চলছে। এতো ব্যস্ত থাকলে সে তো আইনজীবী দিয়ে এই কাজ করাতে পারতেন।’
তিনি আরও জানান, ৫ বছর আগেই তাদের বিবাহ হয়েছিল। কিন্তু বিবাহের অনুষ্ঠান করা হয় ২০১৪ সালে!
সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল তাদের মাঝে, কিন্তু হঠাৎ করে বদলে যান পুলকিত। তিনি নিজেই সুয়েতাকে বলেন, এই সম্পর্ক আর গড়ান সম্ভব না। তিনি কোন কথা শুনতেও রাজি ছিলেন না। তাই সুয়েতাও আর কিছুতে না করেনি। বিবাহ-বিচ্ছেদ করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই তাদের।
Tuesday, July 12, 2016
English TV Serials of 70s - 80s - BTV
Saturday, July 9, 2016
দুবার গ্র্যামি মনোনয়ন পেয়েছিলেন মোহাম্মদ আলী
নিজের মুষ্টিযুদ্ধ দিয়ে বিশ্বজুড়েই তিনি মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন। কিন্তু তিনি শুধু মুষ্টিযোদ্ধা ছিলেন না, ছিলেন একজন সাংস্কৃতিক আইকন। তাঁর আরও একটি ভুবন ছিল, সেটি সংগীতের। এমনকি দুবার গ্র্যামি পুরস্কারের জন্য মনোনীতও হয়েছিলেন। এ বছর ৩ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। এখন জেনে নেওয়া যাক, এ কিংবদন্তির সংগীত জীবনের কিছু কথা।
তাঁর প্রথম অ্যালবামটি যখন প্রকাশিত হলো, তখনো তিনি মোহাম্মদ আলী হননি। দুনিয়া তাঁকে চিনত ‘ক্যাসিয়াস ক্লে’ নামে। ১৯৬৩ সালে কলম্বিয়া রেকর্ডস তাঁর একটি অ্যালবাম প্রকাশ করল, ‘আই অ্যাম দ্য গ্রেটেস্ট’। অ্যালবামটি ছিল ‘পোয়েটিক ট্র্যাশ টকিং’-এর। কমেডি লেখক গ্যারি বেলকিন এতে তাঁকে সহায়তা করেন।
ছয় মাস পরেই ছিল সনি লিস্টনের সঙ্গে আলীর ঐতিহাসিক মুষ্টিযুদ্ধ। আসলে অ্যালবামটি তিনি প্রকাশ করেছিলেন লিস্টনকে মানসিকভাবে দুর্বল করতেই। হাস্যরসাত্মক কিছু শব্দ দিয়ে অ্যালবামে আলী তীব্রভাবে আঘাত করেন লিস্টনকে। এমনকি অ্যালবামের প্রথম আটটি ট্র্যাককে তিনি ‘রাউন্ড’ নাম দিয়েছিলেন। কেননা, এরই মধ্যে আলী ঘোষণা দিয়ে ফেলেছিলেন, সনি লিস্টনকে তিনি মাত্র আট রাউন্ডেই হারাতে পারেন। অ্যালবামের রাউন্ডগুলো ছিল—
রাউন্ড ১: আই অ্যাম দ্য গ্রেটেস্ট
রাউন্ড ২: আই অ্যাম দ্য ডাবল গ্রেটেস্ট
রাউন্ড ৩: ডু ইউ হ্যাভ টু আস্ক?
রাউন্ড ৪: ‘আই হ্যাভ রিটেন আ ড্রামা’, হি সেইড প্লেফুলি
রাউন্ড ৫: উইল দ্য রিয়েল সনি লিস্টন প্লিজ ফল ডাউন
রাউন্ড ৬: ফানি ইউ শুড আস্ক
রাউন্ড ৭: ২১৩৮
রাউন্ড ৮: দ্য নকআউট
এভাবেই আলী চ্যালেঞ্জ করেছিলেন লিস্টনকে। ১৯৬৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির সেই লড়াইয়ে মোহাম্মদ আলী মাত্র ছয় রাউন্ডেই সনি লিস্টনকে পরাজিত করেছিলেন। এভাবেই তিনি হয়ে যান বিশ্বের এক নম্বর মুষ্টিযোদ্ধা।
আলীর প্রথম অ্যালবামটি প্রচুর জনপ্রিয় হয়। টপ এলপি চার্টে এটি স্থান পায়, বর্তমানে এটি বিলবোর্ড তালিকা হিসেবে পরিচিত। অ্যালবামের টাইটেল ট্র্যাক ‘আই অ্যাম দ্য গ্রেটেস্ট’ পরে সিঙ্গেল হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি গ্র্যামি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পায়।
আলী যেকোনো বিষয়ে ফ্রিস্টাইলে দুই বা চার লাইনের কবিতা বানিয়ে ফেলতে পারতেন। এ জন্য তিনি ছিলেন বিখ্যাত। এ ব্যাপারে তাঁর সময়জ্ঞান ছিল দুর্দান্ত, যথাযথ। দু-চার লাইনের এ কবিতাগুলো শুনতে অনেকটা র্যাপ ও হিপহপের মতো। ১৯৬৯ সালে আলীকে ‘বাক হোয়াইট’ নামের একটি মিউজিকালে দেখা যায়। এখানে তিনি গান করেন। ‘দ্য এড সুলিভান শো’তেও তিনি পারফর্ম করেন।
এখানেই আলীর সংগীত জীবন থেমে থাকেনি। ১৯৭৬ সালে মোহাম্মদ আলী শিল্পী ফ্রাঙ্ক সিনাত্রা, অসি ডেভিস, হাওয়ার্ড কোসেলদের সঙ্গে একসঙ্গে বের করেন আরেকটি অ্যালবাম ‘আলী অ্যান্ড হিজ গ্যাং ভার্সেস মিস্টার টুথ ডিকে’। তত দিনে ক্যাসিয়াস ক্লে হয়ে গেছেন ‘দ্য গ্রেট মোহাম্মদ আলী’। শিশুদের জন্য গাওয়া এ অ্যালবামের ‘দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অব আলী অ্যান্ড হিজ গ্যাং ভার্সেস মিস্টার টুথ ডিকে’ গানটির জন্য আলী আবারও গ্র্যামি মনোনয়ন পান। বিলবোর্ড অবলম্বনে।
Source: prothom-alo.com
Thursday, July 7, 2016
যে ১০ ছবি দিয়ে আজকের সালমান
‘ভাইজান’ নামে পরিচিত তিনি। একের পর এক দুর্দান্ত সব ছবি দিয়ে বলিউড বক্স অফিস মাত করেছেন। তিনি সালমান খান। ভক্তদের প্রিয় সাল্লু ভাই। রোমান্টিক-কমেডি দিয়ে শুরু হলেও একসময় পরিচিতি পান অ্যাকশন-কমেডি ছবির নায়ক হিসেবে। গত বছর মুক্তি পাওয়া প্রথম ভিন্নধর্মী ছবি ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ দিয়ে ভিন্ন রূপে আসেন ভক্তদের সামনে। গুঞ্জন চলছে, ঈদে ‘সুলতান’ দিয়ে বলিউডের সুলতান বনে যেতে পারেন। কিন্তু এই সুলতান হওয়ার পেছনে কৌশল, পরিশ্রমের পাশাপাশি ছিল পুরোনো ১০ ছবির ভূমিকা। পুরোনো সেসব ছবি নিয়ে আজকের আয়োজন।
১. ম্যায়নে পেয়ার কিয়া (১৯৮৯): এই ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় সাল্লু ভাইয়ের। ভারতের ১০টি ব্যবসাসফল ছবির মধ্যে ছবিটিকে রাখতে হবে। ছবিটির মাধ্যমে ভারতীয় দর্শক ‘সালমানীয় প্রেম’-এর দেখা পায়। রোমান্টিক-কমেডি ধাঁচের ছবিটিতে সালমান ‘প্রেম’ চরিত্রে অভিনয় করেন।
২. আন্দাজ আপনা আপনা (১৯৯৪): আমির খানের সঙ্গে পর্দা ভাগাভাগি করলেও নিজের জাত চেনান সালমান। কমেডি অভিনয়েও যে পারদর্শী, তা বুঝিয়ে দেন ভক্তদের।
৩. হাম আপনে হ্যায় কৌন (১৯৯৪): একই বছর সালমান এই ছবিটির মাধ্যমে সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্র নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হন। পর্দায় তাঁর সঙ্গে নায়িকা ছিলেন হার্টথ্রুব মাধুরী দীক্ষিত। ছবিটি ‘মোস্ট পপুলার ফিল্ম’ ধারায় জাতীয় পুরস্কার পায়।
৪. পেয়ার কিয়া তো ডরনা কেয়া (১৯৯৮): ‘আ ও জানে জানা, ঢুন্ডে তুজে দিওয়ানা’ গানটার কথা মনে আছে? সালমানকে দর্শক দেখলেন রকস্টার হিসেবে। ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে ‘সেরা অভিনেতা’র পুরস্কারটাও জিতে নেন ছবিটি দিয়ে।
৫. হাম দিল দে চুকে সানাম (১৯৯৯): রোমান্টিক ও আবেগপ্রবণ গায়ক সামিরকে ভোলাটা একটু কঠিন বটে! সঞ্জয় লীলা বানসালি’র ছবিটি সালমানকে দিয়েছে ভিন্ন পরিচিতি। ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভালোবাসার যে রসায়ন তৈরি হয়েছিল, তা দর্শকের হৃদয়ে আজও ভাস্বর।
৬. তেরে নাম (২০০৩): প্রতিটা ছবিই সালমানকে যেন নতুন করে তৈরি করেছে। অথবা সালমান নতুন করে দেখা দিয়েছেন। ‘তেরে নাম’ও তেমন একটি ছবি।
৭. ওয়ান্টেড (২০০৯): দীর্ঘ সময় ধরে আর ভালো ছবি আসেনি সালমানের ঝুলি থেকে। অবশেষে ‘ওয়ান্টেড’ দিয়ে ফিরলেন। দেখা দিলেন হিন্দি ছবির সুপারস্টার হয়ে। ২০০৯ সালে তাঁর ছবিটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করে। সঙ্গে সঙ্গে তিনিও হয়ে উঠলেন হিন্দি ছবির ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ হিসেবে।
৮. দাবাং (২০১০): এরপরের গল্প ভিন্ন। ‘দাবাং’ থেকে একের পর এক ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিতে থাকেন। ‘দাবাং’ ছবির ভিন্নধর্মী চরিত্র চুলবুল পান্ডেকে নতুন করে চেনানোর কোনো দরকার আছে কি?
৯. এক থা টাইগার (২০১২): সালমান চুলবুল পান্ডে থেকে একদম টাইগার বনে যান। প্রথম পাঁচ দিনেই ছবিটি আয় করে ১০০ কোটি রুপি।
১০. বজরঙ্গি ভাইজান (২০১৪): বজরঙ্গি ভাইজান দিয়ে সবকিছু ছাড়িয়ে গেলেন সালমান। দায়বদ্ধতা ও সামাজিক-রাজনৈতিক ইস্যুতে করা ছবিটি সালমানকে নিয়ে গেল ভিন্ন উচ্চতায়।
ডিএনএ অবলম্বনে শরীফ নাসরুল্লাহ
Source: prothom-alo.com
সন্ত্রাসীদের কোনো ধর্ম নেই: আমির
ঈদে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বলিউড তারকা আমির খান। সে সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বে ঘটে যাওয়া জঙ্গি হামলাগুলোর কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। বলেছেন, ‘ধর্ম ও সন্ত্রাসকে এক করে ফেলা যাবে না। যারা সন্ত্রাস ছড়ায় ও এতে সহায়তা করে, তাদের কোনো ধর্ম নেই। হিন্দু, শিখ, ইসলাম বা খ্রিষ্টান, কোনো ধর্মকে ব্যবহার করেই সন্ত্রাস ছড়ানো যাবে না। ধর্মের কথা বলে মানুষ খুন করা যাবে না। যদি তারা বলে যে, তারা ধর্মের কাজ করছে, তাহলে বলব সব ধর্মই শান্তি ও প্রেমের শিক্ষা দিয়েছে।’
ঈদে পরিবারকে নিয়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান এই তারকা। সে সময় বলেন, ‘আমি সাধারণত পরিবারের সঙ্গেই ঈদ করি। শৈশবে বড়দের কাছ থেকে ঈদি নিতাম। সেটা ছিল আমার কাছে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। এখন ছোটদের ঈদি দিতে পছন্দ করি।’
ছেলে আজাদ রাওকে এবার কত টাকা ঈদি দিয়েছেন, জানতে চাইলে আমির বলেন, ‘আমি তাকে দুই রুপি দিয়েছি। অতিরিক্ত টাকা হাতে দিয়ে তাকে নষ্ট করতে চাই না।’ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
Source: prothom-alo.com













































