Showing posts with label স্বাস্থ. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ. Show all posts
Tuesday, May 16, 2017
Sunday, April 9, 2017
Tuesday, March 21, 2017
Monday, March 20, 2017
Wednesday, October 5, 2016
যেভাবে বুঝবেন আপনার কিডনি ভালো আছে
মানুষের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে কিডনি অন্যতম। অনেক সময় আমরা কিডনির অনেক ধরণের সমস্যা উপলব্ধি করি, কিন্তু সমস্যাটি ঘাড় না হওয়া পর্যন্ত আমোরা কোনো পদক্ষেপ নেই না। যার ফলে আমাদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।শরীরের রেচন প্রক্রিয়া সহ সব ধরনের বর্জ্য পদার্থ নির্গমনের কাজ এই কিডনীই করে থাকে। তবে কাজ করতে করতে কিডনী যে কোন মুহুর্তে অকেজো হয়ে পড়তে পারে কিংবা কিডনীর কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে। এইসব ক্ষেত্রে কিডনী ড্যামেজ হওয়া থেকে শুরু করে আরো অনেক বড় বড় রোগের সম্মুখীন হওয়াটা অত্যন্ত স্বাভাবিক।
কিডনী ফেইলিওর এর মত সমস্যা যে কারোই হতে পারে। তাই শুরু থেকে কিডনীর সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত জ্ঞান থাকা জরুরী। কারণ যদি কিডনীর সমস্যার লক্ষণ শুরু থেকে জানা থাকে, তাহলে অল্প থাকতেই মেডিক্যাল চিকিৎসার মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন কিডনীর সমস্যার লক্ষণগুলো আগে একবার জেনে নেয়া যাক,
দুর্বলতা
কিডনী সমস্যার অন্যতম প্রধাণ লক্ষণ হচ্ছে দুর্বলতা। আর এই দুর্বলতা আসে রক্তশূন্যতা থেকে। কিডনী যদি ঠিকমত কাজ না করতে পারে তাহলে রক্ত ক্রমাগত দূষিত হতে থাকে। যার কারণে রক্তে নতুন করে ব্লাড সেল উৎপন্ন হয় না। এছাড়াও কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে তা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন এরিথ্রোপ্রোটিন উৎপন্ন করতে পারে না। এই হরমোন বোন ম্যারো থেকে ব্লাড সেল উৎপাদনে সাহায্য করে।
শ্বাসকষ্ট
যখন কিডনী কাজ করা বন্ধ করতে শুরু করে, তখন শরীরের বর্জ্য পদার্থ রক্তে মিশতে শুরু করে। এই বর্জ্য পদার্থের বেশিরভাগই হচ্ছে অম্লীয় পদার্থ। তাই এই বর্জ্য যখন রক্তের সাথে ফুসফুসে পৌঁছায় তখন ফুসফুস সেই বর্জ্য বের করার জন্য কার্বনডাই অক্সাইড ব্যবহার করা শুরু করে। যার কারণে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ফুসফুসে ঢুকতে পারে না। এতে আপনার শ্বাসকষ্টের সমস্যা হতে পারে।
মূত্রের রং পরিবর্তন এবং রক্তক্ষরণ
কিডনীর সমস্যায় মূত্রের রং পরিবর্তন হয়ে যায়। কারণ, কিডনীর অক্ষমতায় রেনাল টিউবিউলস এর ক্ষতি হয়, যা পলিইউরিয়ার সৃষ্টি করে। এর মানে হচ্ছে আপনার অধিক পরিমাণে মূত্র তৈরীর কাজ করে। তবে কিডনীর অক্ষমতা যত বৃদ্ধি পাবে, মূত্রের পরিমাণ ততই কমবে। এবং মূত্রের রং গাঢ় হলুদ কিংবা কমলা রং হয়ে যাবে। সেই সাথে মূত্রের সাথে রক্তক্ষরণ এবং অত্যাধিক ফেনা হতে পারে।
শরীরে চুলকানির উপসর্গ
কিডনীর অক্ষমতায় শরীরে প্রিউরিটাস দেখা দেয়। প্রিউরিটাস আসলে চুলকানির মেডিক্যাল নাম। শরীরের রক্তে যখন বর্জ্য পদার্থ মিশতে শুরু করে তখন চুলকানির উপসর্গ দেখা দেয় কারণ ওই বর্জ্যের মধ্যে ফসফরাস থাকে। যেসব খাবারে ফসফরাস থাকে যেমন দুধজাতীয় খাবার, সেগুলো হজমের পর ফসফরাস বর্জ্য হিসেবে মূত্রের সাথে বের হতে পারে না। যার কারণে এটি রক্তে মিশে চামড়ায় চুলকানি সৃষ্টি করতে থাকে।
চোখে ঝাপসা দেখা কিংবা মানসিক অস্থিরতা
কিডনীর সমস্যা আপনার চোখে ঝাপসা দেখা কিংবা মানসিক অস্থিরতার সৃষ্টি করতে পারে। কারণ শরীরের বর্জ্য পদার্থের একটি বড় অংশ হচ্ছে ইউরিয়া। কিডনীর সমস্যার কারণে ইউরিয়া শরীর থেকে বের না হয়ে বরং রক্তে মিশে যায়। এই দূষিত রক্ত মস্তিষ্কে পৌঁছে মানসিক অস্থিরতা, ঝাপসা দেখা এই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে। যদি ইউরিয়ার পরিমাণ অত্যাধিক হয় তাহলে তা মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে, যার ফলাফলে রোগী কোমাতে পর্যন্ত চলে যেতে পারেন।
অরুচি
শরীরের বর্জ্য পদার্থের আরেকটি উপাদান হচ্ছে অ্যামোনিয়া। যদি অ্যামোনিয়া রক্তে মেশে তাহলে তা শরীরে প্রোটিন নষ্ট করে ফেলে। কিডনীর অক্ষমতায় শরীর বর্জ্য হিসেবে অ্যামোনিয়া ফিল্টার করতে পারে না। রক্তে অত্যাধিক পরিমাণের অ্যামোনিয়া মুখে অরুচি, ওজন হারানোর মত সমস্যার সৃষ্টি করে।
শরীরে ব্যথা
একটি জেনেটিক কন্ডিশনের কারণে শরীরের অভ্যন্তরে, বিশেষ করে কিডনী এবং লিভারে এক ধরনের ফ্লুইড ভর্তি সিস্ট বা গুটির সৃষ্টি হয়। এই সিস্টের মধ্যে থাকা ফ্লুইড এক ধরনের বিশেষ টক্সিন বহন করে, যা শরীরের শিরা বা ধমনী গুলোতে ক্ষতি করতে পারে। একাধিক শিরার বা ধমনীর ক্ষতি হলে তা শরীরে ব্যথা সৃষ্টি করে। এই ব্যথা সাধারণত ভোঁতা অনুভূতি, খোঁচা কিংবা জ্বলুনীর মত হতে পারে। সাধারণত এই ব্যথাগুলো শরীরের পেছনের অংশে, পায়ে কিংবা কোমরে হতে পারে।
তবে মনে রাখবেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিডনীতে সমস্যা হলে কোন ধরনের লক্ষণ দেখা যায় না। কিন্তু তাই বলে আপনি কিডনীর সমস্যা থেকে মুক্ত এমনটি ভাবার কোন কারণ নেই। সবসময় সচেতন থাকুন, কিডনীর নিয়মিত চেক আপ করুন। তাহলে কিডনীর সমস্যা নিজেকে দূরে রাখা এবং সুস্থ থাকা সম্ভব।
Monday, October 3, 2016
THE PLANKING CHALLENGE
Plank is a simple but effective total-body exercise. This simple exercise tones and strengthens your core muscles along with those in your arms, thighs and calves. It’s a great full-body workout that you can do in under a minute to improve your health and fitness.
THE PLANKING CHALLENGE
You need to do the plank challenge for 4 weeks. At first, you simply start out in the plank position for 20 seconds. Easy, right? Slowly, you build up your stamina until you are planking for four minutes during the final days.
Follow this plan:
Day 1 – 20 seconds
Day 2 – 20 seconds
Day 3 – 30 seconds
Day 4 – 30 seconds
Day 5 – 40 seconds
Day 6 – Rest
Day 7 – 45 seconds
Day 8 – 45 seconds
Day 9 – 60 seconds
Day 10 – 60 seconds
Day 11 – 60 seconds
Day 12 – 90 seconds
Day 13 – Rest
Day 14 – 90 seconds
Day 15 – 90 seconds
Day 16 – 120 seconds
Day 17 – 120 seconds
Day 18 – 150 seconds
Day 19 – Rest
Day 20 – 150 seconds
Day 21 – 150 seconds
Day 22 – 180 seconds
Day 23 – 180 seconds
Day 24 – 210 seconds
Day 25 – Rest
Day 26 – 210 seconds
Day 27 – 240 seconds
Day 28 – Until failure
Day 1 – 20 seconds
Day 2 – 20 seconds
Day 3 – 30 seconds
Day 4 – 30 seconds
Day 5 – 40 seconds
Day 6 – Rest
Day 7 – 45 seconds
Day 8 – 45 seconds
Day 9 – 60 seconds
Day 10 – 60 seconds
Day 11 – 60 seconds
Day 12 – 90 seconds
Day 13 – Rest
Day 14 – 90 seconds
Day 15 – 90 seconds
Day 16 – 120 seconds
Day 17 – 120 seconds
Day 18 – 150 seconds
Day 19 – Rest
Day 20 – 150 seconds
Day 21 – 150 seconds
Day 22 – 180 seconds
Day 23 – 180 seconds
Day 24 – 210 seconds
Day 25 – Rest
Day 26 – 210 seconds
Day 27 – 240 seconds
Day 28 – Until failure
Although the plank Challenge must be completed in 4 weeks, continuing to do it and adding it to your workout is the best way to continue to build your strength and endurance, and to watch your body transform. It is a slow progression toward amazing results, and it’s not exactly a quick fix.
WHY PLANKING?
You may be wondering why the Planking Challenge makes for such a good workout plan. Here’s what planking does to your body:
- Tones your stomach
- Planks burn more calories than other traditional abdominal exercises, such as crunches or sit-ups.
- It also works on your metabolism and daily practice makes sure metabolism remains high all day.
- Improve your posture
- While building strength, planks also increase flexibility.
HOW TO PROPERLY PLANK

The key to getting great results comes down to perfecting the proper planking position. This is how to do plank Properly :
Step 1: Lie on your stomach on the floor and hold your elbows directly under your shoulders and place your wrists in line with your elbows.
Step 2: Push your body up balancing on the elbows (arms) and toes while contracting your stomach, tailbone and thigh muscles. Avoid pushing your hips up too high or letting them sag to the floor. Your body should form a straight line from your head to your feet.
Step 3: The breathing is very important and it should be slow and deliberate so that your core is fully engaged and your body is relaxed. Source
Sunday, October 2, 2016
জেনে নিন কেন প্রতিদিন পেঁপে খাওয়া কেন ভাল
পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল, অ্যানটিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন রয়েছে যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। শুধু তাই নয়, পেঁপেকে ভিটামিনের স্টোর বলা হয়। লো ক্যালরির ফল হওয়ায় এটি ওজন কমাতে বেশ কার্যকর। আপনি যদি ওজন কমাতে চান প্রতিদিনের খাবারে রাখুন পেঁপে। শুধু ওজন হ্রাস নয় পেঁপের রয়েছে আর নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা। জেনে নিন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কেন পেঁপে রাখবেন।
১। কোলেস্টেরল হ্রাস করে
পেঁপেতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা ধমনীতে কোলেস্টেরল জমতে বাঁধা প্রদান করে। ধমনীতে চর্বি জমার কারণে হার্ট অ্যাটাকের মত ঘটনাও ঘটতে পারে।
২। হজম ক্ষমতা বাড়ায়
পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম আছে যা খাবার হজমে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও প্রচুর পানি ও দ্রবণীয় ফাইবার আছে। যারা হজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন তাঁরা নিয়মিত পথ্য হিসেবে পাকা বা কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন।
৩। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি ও ই। এই ভিটামিন গুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। এছাড়া পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা চোখের জন্য উপকারী।
৪। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে
চিনির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেঁপে একটি আর্দশ ফল। যাদের ডায়াবেটিস নেই তাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পেঁপে রাখা উচিত। পেঁপে ডায়াবেটিস হওয়া প্রতিরোধ করে।
৫। হাড়ের ব্যথা রোধে
পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং কপার রয়েছে, নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার ফলে শরীরে ক্যালসিয়াম তৈরি হয় যা হাড় মজবুত করে ব্যথা হ্রাস করে।
৬। স্ট্রেস হ্রাস করতে
সারাদিন ক্লান্তি এক নিমিষে দূর করে দিতে পারে এক প্লেট পেঁপে। এতে থাকা ভিটামিন সি স্ট্রেস হ্রাস করে। University of Alabama এর মতে প্রতিদিন ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি আমাদের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত যা স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।
৭। ক্যান্সার প্রতিরোধক
পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভোনোক্সিড যা দেহে ক্যান্সারের কোষ তৈরিতে বাঁধা দেয়। Harvard School of Public Health’s Department এক গবেষণায় দেখা গেছে যে পেঁপের বিটা কেরোটিন উপাদান কোলন ক্যান্সার, প্রোসটেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
১। কোলেস্টেরল হ্রাস করে
পেঁপেতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা ধমনীতে কোলেস্টেরল জমতে বাঁধা প্রদান করে। ধমনীতে চর্বি জমার কারণে হার্ট অ্যাটাকের মত ঘটনাও ঘটতে পারে।
৩। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি ও ই। এই ভিটামিন গুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। এছাড়া পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা চোখের জন্য উপকারী।
৪। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে
চিনির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেঁপে একটি আর্দশ ফল। যাদের ডায়াবেটিস নেই তাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পেঁপে রাখা উচিত। পেঁপে ডায়াবেটিস হওয়া প্রতিরোধ করে।
৫। হাড়ের ব্যথা রোধে
পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং কপার রয়েছে, নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার ফলে শরীরে ক্যালসিয়াম তৈরি হয় যা হাড় মজবুত করে ব্যথা হ্রাস করে।
৬। স্ট্রেস হ্রাস করতে
সারাদিন ক্লান্তি এক নিমিষে দূর করে দিতে পারে এক প্লেট পেঁপে। এতে থাকা ভিটামিন সি স্ট্রেস হ্রাস করে। University of Alabama এর মতে প্রতিদিন ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি আমাদের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত যা স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।
৭। ক্যান্সার প্রতিরোধক
পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভোনোক্সিড যা দেহে ক্যান্সারের কোষ তৈরিতে বাঁধা দেয়। Harvard School of Public Health’s Department এক গবেষণায় দেখা গেছে যে পেঁপের বিটা কেরোটিন উপাদান কোলন ক্যান্সার, প্রোসটেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
Thursday, September 29, 2016
OSTEOPOROSIS
AFTER THIS YOU WILL NEVER EVER SPEND A PENNY FOR THIS DRINK! THE WORST ENEMY DESTROYING YOUR BONES
Generally, many do not know all the negative consequences of this beverage which have caused it to our health. Worst of all is that it is in a large amount given to children, which can lead to unexpected consequences.
This “poison” is carbonated soft drinks!
According to scientific research, here’s how it acts in the body:
The first 10 minutes
One cup contains 10 tablespoons of sugar, which is 100% of the daily permissible dose. In the body is entered phosphorus, which strengthens the taste.
After 20 minutes
There is an increase of glucose and insulin, which leads to the conversion of sugar to fat in the liver
After the third 40 minutes
The caffeine in the drink is completely absorbed by the body within a period of 40 minutes. Blood flow increases and the liver begins to produce more sugar in the blood. Your brain begins to block the hormone receptors of adenosine, which prevents the feeling of fatigue.
After 45 minutes
Secretion of dopamine increases, which significantly affects that you feel good and this effect is similar to that which gives heroin.
Around 60 minutes
Magnesium, phosphoric acid, zinc and calcium leads to an increased digestion. This is connected with the massive amounts of sugar and artificial sweeteners, which limit the excretion of calcium through the urine.
After 60 minutes
Diuretic properties of caffeine start to act and all minerals, including magnesium, calcium and zinc, which are useful for the bones, then excreted in urine.
After a little more than an hour
Dissemination of sugar in the body is in the final stage. You feel full of energy and you can expect frequent mood changes.
Together with the carbonated drinks, the body exerts all the water and nutrient particles, necessary for the functioning of the organism.
Finally, the risk of developing diabetes increases significantly.
Be Sociable, Share!
কিডনির সমস্যা জনিত রোগকে বলা হয় নীরব ঘাতক।
কিডনির সমস্যা জনিত রোগকে বলা হয় নীরব ঘাতক। কারণ অনেকেই কিডনি সমস্যার বিষয়টি ভালো করে বুঝতেই পারেন না। যখন বুঝে উঠেন তখন হাতে আর সময় থাকে না। তাই সতর্ক হতে হতে নিজেদেরকেই এই নীরব ঘাতক থেকে মুক্তি পেতে চাইলে। লক্ষ্য রাখতে হবে কিডনির স্বাভাবিক কর্মক্ষমতার উপরে। এবং জেনে নিতে হবে কিডনি সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণগুলো। এতে করে প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণ দেখে সমস্যা ধরা পড়লে চিকিৎসার মাধ্যমে সারিয়ে তোলা সম্ভব। আজকে জেনে নিন মারাত্মক কিডনি সমস্যার গুরুত্বপূর্ণ ৭ টি লক্ষণ।
১) প্রস্রাবে সমস্যা
কিডনি সমস্যার প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হচ্ছে প্রস্রাবে সমস্যা হওয়া। প্রস্রাবের পরিমাণ এবং সময়ে পরিবর্তন আসার সমস্যা দেখা দেয়, বিশেষ করে রাতের বেলা এই সমস্যা বেশি নজরে পড়ে। এবং গাঢ় রঙের প্রস্রাব হতে দেখা যায় বেশীরভাগ সময়। এছাড়াও প্রস্রাবের সময় ব্যথা হওয়া এবং প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়ার বিষয়টি অবহেলা করবেন না মোটেও।
২) হাত, পা ও মুখে পানি জমে ফুলে যাওয়া
কিডনির মূল কাজ হচ্ছে দেহের বাড়তি অপ্রয়োজনীয় পানি জাতীয় পদার্থ দূর করা। কিন্তু যখন কিডনির সমস্যা শুরু হয় তখন কিডনি তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এতে করে এইসকল অপ্রয়োজনীয় পানি জাতীয় পদার্থ বের হতে পারে না এবং হাত, পা বা মুখে জমে ফুলে যায়।
৩) অতিরিক্ত শারীরিক দুর্বলতা
কিডনির আরেকটি কাজ হচ্ছে দেহে erythropoietin নামক হরমোন উৎপন্ন করা যা রক্তের লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদনে সহায়তা করে যা দেহে অক্সিজেন সঞ্চালন করে। কিডনি সমস্যা শুরু হলে এই হরমোন উৎপাদন একেবারেই কমে যায়। ফলে কমে যায় লোহিত রক্ত কণিকা এবং দেহে কম অক্সিজেন পৌছায়। এতে করে শরীর অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে পড়ে।
৪) মাথা ঘোরানো এবং মনোযোগ দিতে না পারা
দেহে লোহিত রক্ত কণিকা কমে যাওয়ায় অক্সিজেন কম পৌছায় মস্তিষ্কেও। একারণে মাথা ঘোরানো এবং কোনো কিছুতে মনোযোগ দেয়ার ব্যাপারে বিঘ্ন ঘটতে থাকে অনেক বেশি।
৫) ত্বকে র্যাাশ উঠা এবং চুলকোনির সমস্যা
কিডনির সমস্যা হলে কিডনি তার কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। যার ফলে রক্তে অনেক বেশি দূষিত পদার্থ জমে যা দেহের ত্বকে র্যারশের সৃষ্টি করে এবং প্রচণ্ড চুলকোনি শুরু হয়।
৬) ছোটো ছোটো শ্বাস নেয়া
কিডনির সমস্যায় দেহের দূষিত পদার্থ দেহ থেকে বের হতে না পেরে দেহেই জমা থাকে এবং ফুসফুসে জমে যায়। এছাড়াও কিডনির সমস্যায় আরেকটি নতুন সমস্যা শুরু হয় যার নাম অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা। এই দুটি কারণে দেহে অক্সিজেনের অভাব হয়, যার ফলে রোগীকে ছোটো ছোটো শ্বাস নিতে দেখা যায়।
৭) পিঠের নিচের অংশে এবং একপাশে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়া
অনেকের কিডনি সমস্যা শুরু হলে পিঠের নিচের অংশে এবং একপাশে ব্যথা শুরু হয়। এটি হতে পারে কিডনি স্টোনের জন্য, অথবা ব্লাডারের কোষে প্রদাহ জনিত ব্যথা কিংবা দূষিত পানি পূর্ণ কিডনি সিস্টের কারণে। সুতরাং একেবারেই অবহেলা না করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
২) হাত, পা ও মুখে পানি জমে ফুলে যাওয়া
কিডনির মূল কাজ হচ্ছে দেহের বাড়তি অপ্রয়োজনীয় পানি জাতীয় পদার্থ দূর করা। কিন্তু যখন কিডনির সমস্যা শুরু হয় তখন কিডনি তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এতে করে এইসকল অপ্রয়োজনীয় পানি জাতীয় পদার্থ বের হতে পারে না এবং হাত, পা বা মুখে জমে ফুলে যায়।
৩) অতিরিক্ত শারীরিক দুর্বলতা
কিডনির আরেকটি কাজ হচ্ছে দেহে erythropoietin নামক হরমোন উৎপন্ন করা যা রক্তের লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদনে সহায়তা করে যা দেহে অক্সিজেন সঞ্চালন করে। কিডনি সমস্যা শুরু হলে এই হরমোন উৎপাদন একেবারেই কমে যায়। ফলে কমে যায় লোহিত রক্ত কণিকা এবং দেহে কম অক্সিজেন পৌছায়। এতে করে শরীর অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে পড়ে।
৪) মাথা ঘোরানো এবং মনোযোগ দিতে না পারা
দেহে লোহিত রক্ত কণিকা কমে যাওয়ায় অক্সিজেন কম পৌছায় মস্তিষ্কেও। একারণে মাথা ঘোরানো এবং কোনো কিছুতে মনোযোগ দেয়ার ব্যাপারে বিঘ্ন ঘটতে থাকে অনেক বেশি।
৫) ত্বকে র্যাাশ উঠা এবং চুলকোনির সমস্যা
কিডনির সমস্যা হলে কিডনি তার কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। যার ফলে রক্তে অনেক বেশি দূষিত পদার্থ জমে যা দেহের ত্বকে র্যারশের সৃষ্টি করে এবং প্রচণ্ড চুলকোনি শুরু হয়।
৬) ছোটো ছোটো শ্বাস নেয়া
কিডনির সমস্যায় দেহের দূষিত পদার্থ দেহ থেকে বের হতে না পেরে দেহেই জমা থাকে এবং ফুসফুসে জমে যায়। এছাড়াও কিডনির সমস্যায় আরেকটি নতুন সমস্যা শুরু হয় যার নাম অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা। এই দুটি কারণে দেহে অক্সিজেনের অভাব হয়, যার ফলে রোগীকে ছোটো ছোটো শ্বাস নিতে দেখা যায়।
৭) পিঠের নিচের অংশে এবং একপাশে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়া
অনেকের কিডনি সমস্যা শুরু হলে পিঠের নিচের অংশে এবং একপাশে ব্যথা শুরু হয়। এটি হতে পারে কিডনি স্টোনের জন্য, অথবা ব্লাডারের কোষে প্রদাহ জনিত ব্যথা কিংবা দূষিত পানি পূর্ণ কিডনি সিস্টের কারণে। সুতরাং একেবারেই অবহেলা না করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
Thursday, September 22, 2016
কিডনি রোগের প্রতিরোধ
গেল ১৪ মার্চ ছিল বিশ্ব কিডনি দিবস। দেশে প্রায় ২ কোটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে কিডনি রোগে ভুগছে। তবে প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় করা হলে কিডনি বিকল ধীরগতি করা বা রোগ নিরাময় করা সম্ভব।
কিডনি রোগ কি?
কিডনি যখন নিজস্ব কোনো রোগে আক্রান্ত হয়,অথবা অন্য কোনো রোগে কিডনি আক্রান্ত হয়,যার ফলে কিডনির কার্যকরতা তিন মাস বা ততধিক সময় পর্যন্ত লোপ পেয়ে থাকে,তখন তাকে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ বলা হয়।ইউনাইটেড স্টেটস 'ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের (NKF) অনুযায়ী কিডনি রোগ হল সময়ের সাথে সাথে কিডনি ফাংশন ধীরে ধীরে ক্ষয়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে যদি কিডনি রোগ ছাড়াও কিডনির কার্যকরতা লোপ পায়,তাহলেও তাকে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ বলা যেতে পারে। যেমন, ক্রনিক নেফ্রাইটিস কিডনির ফিল্টারকে আক্রমণ করে ক্রমান্বয়ে কিডনির কার্যকরতা কমিয়ে ফেলতে পারে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ হতে পারে। ঠিক তেমনি ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগ না হওয়া সত্ত্বেও কিডনির ফিল্টার/ছাঁকনি ধ্বংস করতে পারে। আবার কারও যদি জন্মগতভাবে কিডনির কার্যকরতা কম থাকে,অথবা কিডনির আকার ছোট বা বেশি বড় থাকে,তাহলেও দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ হতে পারে।
ক্রনিক কিডনি রোগের কারণ দুটি হলো ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ। রোগ সৃষ্টির ডাটা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়,তিন ভাগের দুই ভাগ এ জন্য দায়ী। ডায়াবেটিস হলে রক্তে সুগার অতিমাত্রায় বেড়ে যায়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত করে শরীরের বহু অর্গান-কিডনি,হৃদযন্ত্র,সেই সঙ্গে রক্তনালি,স্নায়ুতন্ত্র ও চোখ। অন্যদিকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের ফলে রক্তনালিকার দেয়ালে রক্তের চাপ পড়ে এবং তা প্রতিনিয়ত চলতে থাকে। ফলে অনিয়ন্ত্রিত বা দুর্বলভাবে নিয়ন্ত্রিত হতে থাকলে তা হার্টঅ্যাটাক এবং ক্রনিক কিডনি ডিজিজ সৃষ্টির প্রধানতম কারণ।
কিডনি কিভাবে মানুষকে সুস্থ রাখে?
মানুষ জন্মগ্রহণ করার ছয় সপ্তাহের মধ্যেই কিডনির ছাঁকনি বা ফিল্টার মেমব্রেন পুরোপুরি তৈরি হয়ে যায়। অর্থাৎ কিডনি পুরোদমে কাজ শুরু করতে পারে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির প্রতিটি কিডনিতে প্রায় ১০-১২ লাখ ছাঁকনি রয়েছে এবং প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ১৭০ লিটার রক্ত পরিশোধন করে। এই পরিশোধিত রক্তের মধ্যে এক থেকে তিন লিটার শরীরের বর্জ্য পদার্থ প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেওয়া হয়। সুতরাং কোনো কারণে যদি এ ধরনের ফিল্টার বাধাপ্রাপ্ত হয়,তখন দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ হতে পারে।কিডনি শরীর থেকে দূষিত পদার্থ ছেঁকে বের করে দেয়।
এ ছাড়া আরো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যেমন-
• শরীরের পানি ও রক্তের অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ যেমন সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস ও ক্যালসিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে।
• শরীরের দূষিত পদার্থ ও ড্রাগ পরিত্যাগে সহায়তা করে।
• শরীরের প্রয়োজনীয় হরমোন পেতে সহায়তা করে।
• রক্তের pH নিয়ন্ত্রন করে।
কিডনি রোগের লক্ষনসমূহ
দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের সবচেয়ে অসুবিধা হলো,বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের রোগীর কোনো উপসর্গ হয় না। ফলে বছরের পর বছর এরা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয় না। যখন তাদের উপসর্গ দেখা দেয়,তখন তাদের কিডনির কার্যকরতা ৭৫ শতাংশ লোপ পায়। ফলে ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করে পরিপূর্ণ সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না। কিডনি যখন ক্রমান্বয়ে সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে,তখন তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ নিরূপণ করা যায়,তাহলে চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগগুলোকে আংশিক বা পরিপূর্ণ নিরাময় করা সম্ভব হতো। সুতরাং কেউ দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে ভুগছে কি না,এ জন্য জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি।
অধিকাংশ রোগীর রোগ সিভিয়ার বা মারাত্মক পর্যায়ে না পৌঁছালে উল্লেখযোগ্য লক্ষণ প্রকাশিত হতে দেখা যায় না। তবুও যে বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন তা হলো নিম্নরূপ-
• ক্লান্তি ও বেশি দুর্বলতা অনুভব করা।
• মনোযোগে বিঘ্নতা।
• ক্ষুধা কম লাগা।
• ঘুমের বিঘ্নতা।
• রাতে মাসলে ক্র্যাম্পিং হওয়া।
• পায়ের পাতা ও গোড়া ঘামা।
• চোখের নিচের পাতায় পানি জমা বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখা যায়।
• ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া,বিশেষ করে রাতে যেকোনো বয়সে যে কেউ ক্রনিক কিডনি রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে কারো কারো ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে বেশি রয়েছে।
• যদি কারো ডায়াবেটিস থাকে।
• যদি কারো উচ্চ রক্তচাপ থাকে।
• যদি কারো পারিবারিক ক্রনিক কিডনি রোগের ইতিহাস থাকে।
• বংশগত রোগ যেমন পলিসিস্টিক কিডনি রোগ,যা কিডনির ভেতরে সিস্ট তৈরি হয়ে ভেতরের দেয়ালের টিস্যুগুলো নষ্ট করে।
• কিডনি স্টোন, টিউমার অথবা পুরুষের প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধিজনিত বিভিন্ন বাধা।
• লিউপাস এবং এ জাতীয় রোগ শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
• ঘন ঘন ইউরিনারি ইনফেকশন।
দরকার নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা
শুধু সচেতনতার মাধ্যমেই একজন রোগীর কিডনিতে সমস্যা আছে কি না, তা জানা সম্ভব। যেমন, যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক লোকের উপসর্গ থাকুক বা না থাকুক, তাঁর রক্তচাপ নিয়মিত পরিমাপ করা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন নির্গত হচ্ছে কি না, তা জানা এবং ডায়াবেটিস আছে কি না, তা নিরূপণ করা প্রয়োজন। যদি কারও ডায়াবেটিস থাকে, তাকে অন্তত বছরে একবার প্রস্রাবে অ্যালবুমিন এবং মাইক্রো অ্যালবুমিন যাচ্ছে কি না এবং রক্তে ক্রিয়েটিনিন স্বাভাবিক কি না, তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
প্রোটিনের মাত্রা দেখে কিডনির রোগ শনাক্ত করা যেতে পারে
প্রস্রাবের মধ্যে কী পরিমাণ প্রোটিন আছে তা দেখে একজন চিকিৎসক সহজেই বুঝতে পারবেন রোগীর কিডনির অবস্থা এখন কেমন৷ এমনকি এই প্রোটিনের পরিমাণ দেখে কিডনির সমস্যা থেকেও তাকে রক্ষা করা যেতে পারে৷ সম্প্রতি একটি গবেষণায় একথাই বলা হয়েছে৷
আমেরিকান সোসাইটি অফ নেফ্রোলজি'র একটি গবেষণাপত্রে গবেষকরা বলেছেন,যেসব রোগীর মূত্রে প্রোটিন অ্যালবুমিনুরিয়ার পরিমাণ অনেক বেশি আছে তাদের কিডনির রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা ৫ গুণ বেড়ে যায়৷
আমেরিকার বল্টিমোর শহরের জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষক দল জানান, পরীক্ষার এই পদ্ধতি সহজ৷ খরচও কম৷ এবং এই পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনির কোন ক্ষতি হয়েছে কিনা তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে আগেভাগেই৷
দেখা গেছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে শতকরা ১.৬ জনই এসেছেন কিডনির সমস্যার চিকিৎসা নিতে৷ কেউ যদি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে আসেন ও তাঁর শরীরে অন্য কোন অসুবিধা না থাকে তাহলে চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব৷ কিন্তু দেখা যায়, বেশিরভাগ রোগী এমন পর্যায়ে আসেন যখন কিডনির সাঙ্ঘাতিক রকমের ক্ষতি হয়ে গেছে৷ রক্ত থেকে দূষিত জিনিসগুলো ফিল্টার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে কিডনি৷ফলে তখন ডায়ালিসিস ও কিডনি প্রতিস্থাপন করা ছাড়া উপায় থাকেনা৷
ডা.মরগ্যান গ্র্যামস এ গবেষণা দলে কাজ করেছেন৷ তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা ১১ হাজার ২০০ রোগীর ওপর পরীক্ষা চালান৷ তাদের মেডিকেল রেকর্ডের ওপর চোখ রাখেন তাঁরা৷ রোগীদের আলবুমিনুরিয়া প্রোটিন পরীক্ষা ছিলো রোগীদের চিকিৎসার একটা অংশ৷ গবেষকরা দেখতে পান যে,স্বল্প মাত্রার আলবুমিনুরিয়া প্রোটিন পাওয়া গেছে যাদের প্রস্রাবে,তাদেরও কিডনির বড় রকমের ক্ষতি হতে পারে৷
কিছু সমীক্ষা
বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে এটা প্রতীয়মান হয় যে,যারা দীর্ঘস্থায়ী কিডনি অকেজো রোগে ভোগে, তাদের হূৎপিণ্ডে রোগের আশঙ্কা ১০ থেকে ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশও ছাড়িয়ে যেতে পারে। যেমন, যুক্তরাষ্ট্রের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দীর্ঘস্থায়ী কিডনি অকেজো রোগীরা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ উচ্চ রক্তচাপে,২৫ শতাংশ হার্ট স্ট্রোকে এবং ২০ শতাংশ হার্ট ফেইলিওর রোগে ভুগে থাকে। ৭৫ শতাংশের হূৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠ বড় হয়ে যায় এবং ছয় শতাংশের ক্ষেত্রে ব্রেইন স্ট্রোকের প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়। আর ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগের কারণে উপরিউক্ত হার আরও বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া কিডনি অকেজো রোগীরা সর্বদাই রক্তস্বল্পতায় ভুগে থাকে,যা পরবর্তীকালে হূৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের আকার বড় করে হার্ট ফেইলিওর করতে পারে। এ ছাড়া এদের রক্তে চর্বিতে ভারসাম্য থাকে না এবং ভিটামিন ‘ডি’-এর অভাব হয়।
বাংলাদেশে কিডনি ফাউন্ডেশন ও বিএসএমএমইউয়ের উদ্যোগে সাভারের চাকুলিয়া গ্রামে তিন বছর ধরে কতজনের দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ রয়েছে,তার ওপর গবেষণা চালানো হচ্ছে। তিন হাজার প্রাপ্তবয়স্ক লোকের ওপর চালানো এক সমীক্ষায় দেখা গেছে,প্রায় ১৮ শতাংশ মানুষ দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে আক্রান্ত। এদের মধ্যে ১৩ শতাংশ রোগীর রক্তে ক্রিয়েটিনিন স্বাভাবিকের চেয়ে ওপরে অর্থাতৎ তাদের কিডনির কার্যকরতা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে ২০০৩ সালে ১৫ হাজার ৬২৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের ওপর সমীক্ষায় দেখা যায়,এদের ১১ শতাংশ দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে আক্রান্ত। অস্ট্রেলিয়ায় এই সংখ্যা ১৬ শতাংশ এবং আইসল্যান্ডে ১০ শতাংশ। এই সমীক্ষা থেকে এটা প্রতীয়মান হয়,বর্তমানে প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ লোক দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে ভুগছে।
বিভিন্ন হাসপাতালের পরিসংখ্যান থেকে এটা ধারণা করা হয়,বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৪০ হাজার রোগী কিডনি সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে মারা যায়। এই ঊর্ধ্বহারে কিডনি অকেজো হওয়ার কারণ হিসেবে নেফ্রাইটিস,ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপকেই দায়ী করা হয়ে থাকে।
কিডনি রোগ প্রতিরোধের উপায়
এটা পরীক্ষিত যে, এসিই-ইনহ্যাবিটরস এবং এআরবিজাতীয় উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ কিডনি রোগ প্রতিরোধে খুবই কার্যকর। ঠিক তেমনি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা মাইক্রো-অ্যালবুমিন ধরা পড়লে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা করা প্রয়োজন। এ ছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম,ফাস্টফুড না খাওয়া,চর্বিজাতীয় খাবারের প্রতি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা গেলে কিডনি রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। এ ছাড়া ক্ষেত্রবিশেষে চর্বি নিয়ন্ত্রণকারী ওষুধ খেলে,ধূমপান না করলে কিডনি রোগ প্রতিরোধ করা যায় এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত হূদরোগ থেকেও রেহাই পাওয়া যায়।
কিডনি রোগীদের সচেতন করে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগ শনাক্তকরণের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে লাখ লাখ কিডনি রোগীর কিডনি সম্পূর্ণ নষ্ট হওয়া থেকে অনেকাংশে রক্ষা পাবে। পাশাপাশি কিডনি অকেজো রোগীরা ডায়ালাইসিস ও কিডনি সংযোজনের বিশাল খরচ থেকে মুক্তি পাবে।
১. বিনা কারণে ব্যথানাশক ওষুধ না খাওয়া। বিভিন্ন ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ যেমন অ্যাসপিরিন, ডাইক্লোফেনাক সোডিয়াম, আইবু প্রুফেন ইত্যাদি (বাজারে বহু নামে এ জাতীয় ওষুধ পাওয়া যায়) চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত গ্রহণ করলে কিডনি রোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
২. ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না রাখলে এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে কিডনির ওপর। ফলে কিডনি আস্তে আস্তে বিকল হতে থাকে। তাই ওষুধ গ্রহণ বা স্বাস্থ্যনীতি মেনে চলার মাধ্যমে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখলে সহজেই কিডনি রোগ থেকে বাঁচা যায়।
৩. শিশুদের গলাব্যথা, খোঁশ-পাচড়া বা স্ক্যাবিস হলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। এসব রোগের জটিলতা হিসেবে কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
৪. পরিমিত পরিমাণে পানি গ্রহণ করুন। কিছুতেই শরীরে পানি কম পড়তে দেয়া যাবে না। আবার বেশি বেশি পানি খেলে কিডনি ভালো থাকবে এমন কথা ঠিক নয়। স্বাভাবিক পরিবেশে একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য দৈনিক দেড় থেকে দুই লিটার পানি প্রয়োজন। গ্লাসের হিসাবে প্রতিদিন ছয় থেকে আট গ্লাস পানি। পরিমিত পানি গ্রহণ করে যে কেউ কিডনিকে সুস্থ রাখতে পারে। শীতকালে পানির প্রয়োজন কমে গেলেও গ্রীষ্মে অধিক পরিমাণে পানি গ্রহণ করতে হয়। শরীরের প্রয়োজনমতো পানি। তবে অতিরিক্ত পানি পান করা শরীরের জন্য ক্ষতির কারন হয়ে দাড়াতে পারে।
৫. ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। কেননা সঠিকভাবে ডায়রিয়ার চিকিৎসা না হলে হঠাৎ কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে।
৬. পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিডনি টেস্ট করা উচিত।
৭. ডায়াবেটিস বা হাইপারটেনশন থাকলে নিয়মিত টেস্ট করে দেখা প্রয়োজন কিডনি কোনো জটিলতায় আক্রান্ত হয়েছে কিনা।
৮. হাত-পা ফুলে গেলে, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। কেননা এসব সমস্যা কিডনি রোগের লক্ষণ প্রকাশ করে।
৯. ধূমপান পরিহার করুন। ধূমপানের কারণে দেহের অন্যান্য অঙ্গের মতো কিডনিও আক্রান্ত হতে পারে।
১০. কোলেস্টেরল কিডনি রোগের উপর কতখানি প্রভাব ফেলে তা জানা যায় নি। অনেকে কিডনি রোগের ভয়ে কোলেস্টেরল আছে ভেবে সয়াবিন তেল খান না। উল্লেখ্য যে কোলেস্টেরল একটি প্রাণীজ উৎস পদার্থ। উদ্ভিজ উৎসে (সয়াবিন তেল) কখনই কোনপ্রকার কোলেস্টেরল থাকে না।
Wednesday, September 14, 2016
কিডনি রোগের ১০ লক্ষণ, জানেন কি?
কিডনি দেহের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। কিডনি রোগ খুব নীরবে শরীরের ক্ষতি করে। খুব জটিল অবস্থা না হওয়া পর্যন্ত সাধারণত লক্ষণগুলো ভালোভাবে প্রকাশও পায় না। তাই কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো আগে থেকেই জেনে রাখা জরুরি। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে কিডনি রোগের লক্ষণগুলোর কথা।
১. প্রস্রাবে পরিবর্তন
কিডনি রোগের একটি বড় লক্ষণ হলো প্রস্রাবে পরিবর্তন হওয়া। কিডনির সমস্যা হলে প্রস্রাব বেশি হয় বা কম হয়। বিশেষত রাতে এই সমস্যা বাড়ে। প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়। অনেক সময় প্রস্রাবের বেগ অনুভব হলেও প্রস্রাব হয় না।
২. প্রস্রাবের সময় ব্যথা
প্রস্রাবের সময় ব্যথা হওয়া কিডনির সমস্যার আরেকটি লক্ষণ। মূলত প্রস্রাবের সময় ব্যথা, জ্বালাপোড়া- এগুলো ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের লক্ষণ। যখন এটি কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ে তখন জ্বর হয় এবং পিঠের পেছনে ব্যথা করে।
৩.প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া
প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে এটি খুবই ঝুঁকির বিষয়।এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষণ।
৪. দেহে ফোলা ভাব
কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য এবং বাড়তি পানি বের করে দেয়। কিডনিতে রোগ হলে এই বাড়তি পানি বের হতে সমস্যা হয়। বাড়তি পানি শরীরে ফোলাভাব তৈরি করে।
৫. মনোযোগ দিতে অসুবিধা হওয়া
লোহিত রক্তকণিকা কমে যাওয়ার কারণে মস্তিস্কে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায়। এতে কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হয়।
৬. সবসময় শীত বোধ হওয়া
কিডনি রোগ হলে গরম আবহাওয়ার মধ্যেও শীত শীত অনুভব হয়। আর কিডনিতে সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে।
৭. ত্বকে র্যাশ হওয়া
কিডনি অকার্যকর হয়ে পড়লে রক্তে বর্জ্য পদার্থ বাড়তে থাকে। এটি ত্বকে চুলকানি এবং র্যাশ তৈরি করতে পারে।
৮. বমি বা বমি বমি ভাব
রক্তে বর্জ্যনীয় পদার্থ বেড়ে যাওয়ায় কিডনির রোগে বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার সমস্যা হতে পারে।
৯. ছোটো ছোটো শ্বাস
কিডনি রোগে ফুসফুসে তরল পদার্থ জমা হয়। এ ছাড়া কিডনি রোগে শরীরে রক্তশূন্যতাও দেখা দেয়। এসব কারণে শ্বাসের সমস্যা হয়, তাই অনেকে ছোট ছোট করে শ্বাস নেন।
১০. পেছনে ব্যথা
কিছু কিছু কিডনি রোগে শরীরে ব্যথা হয়। পিঠের পাশে নিচের দিকে ব্যথা হয়। এটিও কিডনি রোগের একটি অন্যতম লক্ষণ।
২. প্রস্রাবের সময় ব্যথা
প্রস্রাবের সময় ব্যথা হওয়া কিডনির সমস্যার আরেকটি লক্ষণ। মূলত প্রস্রাবের সময় ব্যথা, জ্বালাপোড়া- এগুলো ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের লক্ষণ। যখন এটি কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ে তখন জ্বর হয় এবং পিঠের পেছনে ব্যথা করে।
৩.প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া
প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে এটি খুবই ঝুঁকির বিষয়।এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষণ।
৪. দেহে ফোলা ভাব
কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য এবং বাড়তি পানি বের করে দেয়। কিডনিতে রোগ হলে এই বাড়তি পানি বের হতে সমস্যা হয়। বাড়তি পানি শরীরে ফোলাভাব তৈরি করে।
৫. মনোযোগ দিতে অসুবিধা হওয়া
লোহিত রক্তকণিকা কমে যাওয়ার কারণে মস্তিস্কে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায়। এতে কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হয়।
৬. সবসময় শীত বোধ হওয়া
কিডনি রোগ হলে গরম আবহাওয়ার মধ্যেও শীত শীত অনুভব হয়। আর কিডনিতে সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে।
৭. ত্বকে র্যাশ হওয়া
কিডনি অকার্যকর হয়ে পড়লে রক্তে বর্জ্য পদার্থ বাড়তে থাকে। এটি ত্বকে চুলকানি এবং র্যাশ তৈরি করতে পারে।
৮. বমি বা বমি বমি ভাব
রক্তে বর্জ্যনীয় পদার্থ বেড়ে যাওয়ায় কিডনির রোগে বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার সমস্যা হতে পারে।
৯. ছোটো ছোটো শ্বাস
কিডনি রোগে ফুসফুসে তরল পদার্থ জমা হয়। এ ছাড়া কিডনি রোগে শরীরে রক্তশূন্যতাও দেখা দেয়। এসব কারণে শ্বাসের সমস্যা হয়, তাই অনেকে ছোট ছোট করে শ্বাস নেন।
১০. পেছনে ব্যথা
কিছু কিছু কিডনি রোগে শরীরে ব্যথা হয়। পিঠের পাশে নিচের দিকে ব্যথা হয়। এটিও কিডনি রোগের একটি অন্যতম লক্ষণ।
Monday, September 12, 2016
কালোজিরাঃ রোগ প্রতিরোধে
প্রাচীনকাল থেকে কালোজিরা মানবদেহের নানা রোগের প্রতিষেধক এবং প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রায় ১৪শ’ বছর আগে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ বলেছিলেন, ‘কালোজিরা রোগ নিরাময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তোমরা কালোজিরা ব্যবহার কর, নিশ্চয়ই প্রায় সব রোগের নিরাময় ক্ষমতা এর মধ্যে নিহিত রয়েছে।’ সে জন্য যুগ যুগ ধরে পয়গম্বরীয় ওষুধ হিসেবে সুনাম অর্জন করে আসছে।
তৎকালীন সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম চিকিৎসা বিজ্ঞানী ইবনে সিনা তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ক্যানন অব মেডিসিন’-এ বলেছেন, ‘কালোজিরা দেহের প্রাণশক্তি বাড়ায় এবং ক্লান্তি দূর করে।’ কালোজিরা তে প্রায় শতাধিক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এর প্রধান উপাদানের মধ্যে প্রোটিন ২১ শতাংশ, শর্করা ৩৮ শতাংশ, স্নেহ ৩৫ শতাংশ। এ ছাড়াও রয়েছে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ। প্রতি গ্রাম কালজিরায় যেসব পুষ্টি উপাদান রয়েছে তা নিন্মরূপ-
* প্রোটিন ২০৮ মাইক্রোগ্রাম,
* ভিটামিন-বি ১.১৫ মাইক্রোগ্রাম
* নিয়াসিন ৫৭ মাইক্রোগ্রাম
* ক্যালসিয়াম ১.৮৫ মাইক্রোগ্রাম
* আয়রণ ১০৫ মাইক্রোগ্রাম
* ফসফরাস ৫.
২৬ মিলিগ্রাম
* কপার ১৮ মাইক্রোগ্রাম
* জিংক ৬০ মাইক্রোগ্রাম
* ফোলাসিন ৬১০ আইউ
কালোজিরার গুণের শেষ নেই। প্রতিদিন সকালে এক চিমটি কালজিরা এক গ্লাস পানির সাথে খেলে ডায়াবেটিস রোগীর রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ভেষজবিদরা কালোজিরা কে বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে অভিহিত করেছেন হাঁপানি রোগীদের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় দীর্ঘদিন কালোজিরা সেবনে উপকার পাওয়া যায়। কালোজিরা হরমোন সমৃদ্ধ হওয়ায় পুরুষত্বহীনতায় বা নারী-পুরুষের যৌন অক্ষমতায় নিয়মিত কালোজিরা সেবনে যৌনশক্তি বৃদ্ধি পায়। কালোজিরায় রয়েছে ১৫টি অ্যামাইনো এসিড। আমাদের দেহের জন্য প্রয়োজন ৯টি অ্যাসেনসিয়াল অ্যামাইনো এসিড যা দেহে তৈরি হয় না, অবশ্যই খাবারের মাধ্যমে এর অভাব পূরণ করতে হয়। আর কালোজিরায় রয়েছে আটটি অ্যাসেনসিয়াল অ্যামাইনো এসিড। সর্দি কাশি সারাতে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কালাজিরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রসূতি মাতাদের দুগ্ধ বাড়াতে ও নারী দেহের মাসিক নিয়মিতকরণে এবং মাসিকের ব্যথা নিবারণে কালোজিরার ভূমিকা রয়েছে।
নিয়মিত কালোজিরা সেবনে চুলের গোড়ায় পুষ্টি ঠিকমতো পায়, ফলে চুলের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং চুল পড়া বন্ধ হয়। নিয়মিত অল্প পরিমাণ কালোজিরা খেলে মস্তিষ্ক এবং অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রক্ত সঞ্চালন ও বৃদ্ধি সঠিকভাবে হয় এবং সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে।
Sunday, September 11, 2016
পুষ্টিতে তুষ্টিঃ কালিজিরার পুষ্টি
প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ খাবারের সঙ্গে ‘কালিজিরা’ গ্রহণ করে আসছে। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে জানতে পেরেছেন যে কালিজিরার সব গুণ লুকিয়ে আছে এর তেলে।
সাধারণত আমরা খাবারের সঙ্গে মসলা হিসেবে অথবা ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে কালিজিরা খেয়ে থাকি। কিন্তু এভাবে আমাদের স্বাস্থ্য কালিজিরার আসল গুণাবলি থেকে বঞ্চিত হয়। তাই কালিজিরা নয়, বরং কালিজিরার তেল আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারী।
কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি। কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করা ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান। পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।
কালিজিরার বৈজ্ঞানিক নাম নাইজেলা সাতিভা। নাইজেলা সাতিভাকে আরবি ভাষায় বলা হয় হাব্বাত-উল-বারাকা (আশীর্বাদপুষ্ট বীজ) এবং ইংরেজিতে বলা হয় লাভ ইন দ্য মিস্ট।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করায় কালিজিরার অবদান অসামান্য এবং সুস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল জীবনে এর প্রভাব পড়ে আরও নানাভাবে। এটি দেহকে এর নিজস্ব প্রাকৃতিক নিয়মে সুস্থ করে তোলায় সহযোগিতা করে।
এই অতুলনীয় ভেষজের গুণাগুণ প্রায় কিংবদন্তির মতো এবং সম্প্রতি পশ্চিমা দেশগুলোয় চিকিৎসায় এর গুরুত্ব আস্তে আস্তে পুনঃপ্রতিষ্ঠা পাচ্ছে। প্রায় তিন হাজার বছর ধরে চলে আসা গল্পগাথায় যে কালিজিরার মহৌষধি গুণের কথা বলা হয়েছে, ৫০ বছরে সেই ভাষ্য অর্জন করেছে বৈজ্ঞানিকভাবে সম্মতি ও সম্মান।
শরীরের রোগ প্রতিরোধে কালিজিরার মতো এত সহজে এত কার্যকর আর কোনো প্রাকৃতিক উপাদান আছে বলে জানা যায়নি। উন্নত দেশগুলোয় বিভিন্ন কারণ, যেমন চাষাবাদ পদ্ধতির কারণে মাটি তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি হারায়, তাই শস্যের গুণাগুণ ধ্বংস হয়ে যায়, আর মানুষ শিকার হয় সেলুলার ম্যালনিউট্রেশনের। রান্নার পদ্ধতির কারণে খাবারের খাদ্যগুণ অনেকাংশেই নষ্ট হয়। পাশাপাশি আছে পরিশোধিত খাবার গ্রহণ ও দূষিত পরিবেশের প্রভাব। এসব কারণের মিলিত ফলাফল খাবারের প্রয়োজনীয় রস ও পুষ্টির অভাব।
কালিজিরার তেলের উপকার
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ইনসুলিন রোধ হ্রাস (এভাবে ডায়াবেটিস কমিয়ে রাখা), কাশি ও হাঁপানির উপশম, ্নৃতিশক্তি বৃদ্ধি, হৃজ্জনিত সমস্যার আশঙ্কা হ্রাস, চুল পড়া হ্রাস, ত্বকের সুস্বাস্থ্য, মায়ের দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি, আর্থ্রাইটিস ও মাংসপেশির ব্যথা কমাতে কালিজিরার তেল উপযোগী। কালিজিরার তেল গর্ভাবস্থায় গ্রহণ করতে হয় না।
Wednesday, September 7, 2016
প্রতিদিন ১ কেজি করে ওজন কমানোর কার্যকরী ফর্মুলা
বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। কত শত ডায়েট কত শত ব্যায়াম কত কিছুই না করা হল। কিন্তু কোন কিছুতে তেমন কোন লাভ হল না। আপনি কি জানেন একটি মাত্র উপায়ে প্রতিদিন ১ কেজি ওজন কমানো সম্ভব একটি ডায়েট ড্রিংকের মাধ্যমে। এই ডায়েট ড্রিংকটি নিয়ে কথা বলেছেন পুষ্টিবিদ ।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে লেবুর রস খুব দ্রুত শরীরের মেদ কাটতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি একদিনে ১ কেজি ওজন কমিয়ে থাকে। লেবুর রস প্রাকৃতিক অস্ত্র যা দেহের চর্বি পুড়াতে সাহায্য করে থাকে। এছাড়া এটি দেহের বিষাক্ত টক্সিন দূর করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে।<br>
যা যা লাগবে
৮ কাপ পানি
৬টি লেবুর রস
১/২ কাপ মধু
১০ টি পুদিনা পাতা
কয়েকটি বরফ কুচি
যেভাবে তৈরি করবেন
১। পানি হালকা গরম করে নিন। খুব বেশি গরম করবেন না।
২। পানি, লেবুর রস, মধু, পুদিনা পাতা, সব একসাথে মিশিয়ে নিন।
৩। এবার এটি ফ্রিজে রেখে দিন কয়েক ঘন্টা।
৪। কয়েক ঘণ্টার পর বের করে পান করুন।
৫। এক কাপ পানি একটি বরফ কুচি দিবেন এর বেশি না। কারণ অতিরিক্ত ঠান্ডা শরীরের শক্তি হ্রাস করে থাকে।
কখন খাবে?
• প্রতিদিন নাস্তা খাওয়ার আগে এক গ্লাস লেবুর পানি খান। সকালের নাস্তায় খাবেন সালাদ এবং ফল
• সকাল ১১ টায় আরেক গ্লাস লেবু পানি খাবেন সাথে অল্প কিছু ভাজা বাদাম খেতে পারেন।
• দুপুরের খাবারে একটি ডিম সিদ্ধ এবং অলিভ অয়েল ও আপেল সাইডার ভিনেগার দিয়ে লেটুস সালাদ খাবেন।
• বিকেল ৪টায় আরেক গ্লাস লেবু পানি খান। এর সাথে আপনার পছন্দের কোন ফল খেতে পারেন।
• রাতের খাবারে এক টুকরা মাছ বা মাংস খেতে পারেন। তার সাথে সালাদ খেতে পারেন।
• রাতের খাবারের ২ ঘন্টার পর আরেক গ্লাস লেবু পানি পান করুন।
এটি ওজন কমানোর সাথে সাথে আপনার শরীরে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে থাকে। তবে আপনি যদি শরীরের টক্সিন উপাদান বের করতে চান তবে দিনে কয়েকবার লেবু পানি খেলে চলবে।
লেবু পানির এই ড্রিংকটিকে “Beyonce’s Diet” বলা হয়ে থাকে। কারণ সুপার স্টার বিয়ন্সে এই ড্রিংকটি পান করে ৩৮ কিলোগ্রাম ওজন কমিয়েছিলেন।
Source: FB Page স্বাস্থ বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য
যা যা লাগবে
৮ কাপ পানি
৬টি লেবুর রস
১/২ কাপ মধু
১০ টি পুদিনা পাতা
কয়েকটি বরফ কুচি
যেভাবে তৈরি করবেন
১। পানি হালকা গরম করে নিন। খুব বেশি গরম করবেন না।
২। পানি, লেবুর রস, মধু, পুদিনা পাতা, সব একসাথে মিশিয়ে নিন।
৩। এবার এটি ফ্রিজে রেখে দিন কয়েক ঘন্টা।
৪। কয়েক ঘণ্টার পর বের করে পান করুন।
৫। এক কাপ পানি একটি বরফ কুচি দিবেন এর বেশি না। কারণ অতিরিক্ত ঠান্ডা শরীরের শক্তি হ্রাস করে থাকে।
কখন খাবে?
• সকাল ১১ টায় আরেক গ্লাস লেবু পানি খাবেন সাথে অল্প কিছু ভাজা বাদাম খেতে পারেন।
• দুপুরের খাবারে একটি ডিম সিদ্ধ এবং অলিভ অয়েল ও আপেল সাইডার ভিনেগার দিয়ে লেটুস সালাদ খাবেন।
• বিকেল ৪টায় আরেক গ্লাস লেবু পানি খান। এর সাথে আপনার পছন্দের কোন ফল খেতে পারেন।
• রাতের খাবারে এক টুকরা মাছ বা মাংস খেতে পারেন। তার সাথে সালাদ খেতে পারেন।
• রাতের খাবারের ২ ঘন্টার পর আরেক গ্লাস লেবু পানি পান করুন।
এটি ওজন কমানোর সাথে সাথে আপনার শরীরে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে থাকে। তবে আপনি যদি শরীরের টক্সিন উপাদান বের করতে চান তবে দিনে কয়েকবার লেবু পানি খেলে চলবে।
লেবু পানির এই ড্রিংকটিকে “Beyonce’s Diet” বলা হয়ে থাকে। কারণ সুপার স্টার বিয়ন্সে এই ড্রিংকটি পান করে ৩৮ কিলোগ্রাম ওজন কমিয়েছিলেন।
Source: FB Page স্বাস্থ বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য
লক্ষণ প্রকাশ ছাড়াই নষ্ট হয়ে যেতে পারে কিডনি
লক্ষ্মণ প্রকাশ ছাড়াই নষ্ট হয়ে যেতে পারে অতি প্রয়োজনীয় অঙ্গ কিডনি (বৃক্ক)। ফলে নষ্ট না হলে আমাদের দেশে সাধারণত কেউ কিডনি-সংক্রান্ত কোনো চিকিৎসা বা পরীক্ষা করতে যায় না। কিডনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিডনি এমন একটি অঙ্গ যা ৭০ শতাংশ নষ্ট না হওয়া পর্যন্ত কোনো লক্ষ্মণ প্রকাশ করে না। সে জন্য সবাই উচিত কিডনির প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিয়ে জেনে নেয়া অতি গুরুত্বপূর্ণ এ অঙ্গটি কী অবস্থায় আছে।
১৫ কোটি মানুষের মধ্যে ২ কোটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে কিডনি জটিলতায় ভুগছে। সময়মতো শনাক্ত করে সঠিক চিকিৎসা দিতে পারলে ৭০ শতাংশই সুস্থ হয়ে উঠতে পারে। নষ্ট হয়ে গেলে ডায়ালাইসিস ছাড়া বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। বিকল্প হলো কিডনি প্রতিস্থাপন করা। ডায়ালাইসিস অথবা প্রতিস্থাপন দুটো চিকিৎসাই অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কিডনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জটিলতা থেকে মুক্ত থাকতে হলে বছরে কমপক্ষে একবার করে কিডনি পরীক্ষা করিয়ে নেয়া উচিত।
কিডনি অ্যাওয়ারনেস মনিটরিং অ্যান্ড প্রিভেনশন সোসাইটির (ক্যাম্পস) মতে, বাংলাদেশে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষ কিডনি বিকল হওয়ার কারণে মৃত্যু বরণ করে। ব্যয়বহুল হওয়ায় ৯০ শতাংশ কিডনি রোগী মৃত্যুবরণ করে চিকিৎসা করতে না পেরে। অথচ বছরে কমপক্ষে একবার করে কিডনি পরীক্ষা করে নিলে মৃত্যু যেমন এড়ানো সম্ভব তেমনি কিডনি চিকিৎসা করতে গিয়ে বিশাল অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয় না।
বিশিষ্ট কিডনি বিশেষজ্ঞ জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (নিকডু) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা: মো: ফিরোজ খান জানিয়েছেন, বাংলাদেশে কিডনি চিকিৎসায় রয়েছে নানা সমস্যা। এখানে অবকাঠামো সমস্যাও অন্যতম প্রধান সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে। সরকারিভাবে শেরেবাংলা নগরের কিডনি হাসপাতাল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কিডনির চিকিৎসা হয়। এ ছাড়া বিএসএমএমইউ ও বারডেমেও হয়ে থাকে তবে এটা ব্যয়বহুল। কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য কিছু ফ্লুইড সরকারিভাবে মহাখালীর আইপিএইচ তৈরি করে। কিছু ফ্লুইড বিদেশ থেকে আনতে হয়। এ ফ্লুইড জীবনরক্ষাকারী হলেও এটা ভ্যাট ও ট্যাক্সমুক্ত নয়। কিডনি প্রতিস্থাপনে রয়েছে নানা প্রতিকূলতা ও বাধা। এ সংক্রান্ত একটি আইনের সংশোধনের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করে পাঠানো হলেও গত দেড় বছরেও আইনটি করা হয়নি। ফলে মানুষ কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য বিদেশ চলে যাচ্ছে। ফলে চলে যাচ্ছে কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা।
কিডনি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কিডনি শরীরের পানি নিয়ন্ত্রণ করে। একই সাথে রক্তের পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখে। কিডনি সমস্যা হলে তা চিকিৎসায় দূর করতে না পারলে মানুষের শরীরে উচ্চরক্তচাপ (হাই ব্লাডপ্রেশার), রক্তস্বল্পতা, নার্ভ সিস্টেমকে নষ্ট করে দিয়ে থাকে। হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়, ডায়াবেটিসও হয় কিডনিতে সমস্যা থাকলে।
কিডনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন শরীরে পাঁচটি লক্ষ্মণ প্রকাশ পেলে কিডনি সমস্যা হতে পারে বলে ধরে নেয়া যেতে পারে। রাতে স্বাভাবিকের চেয়ে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে অথবা প্রস্রাবে বেশি করে ফেনা হলে অথবা প্রস্রাবের সাথে রক্ত বেরোলে কিডনিতে সমস্যা হতে পারে।
কিডনিতে জটিলতা দেখা দিলে পা অথবা পায়ের গোড়ালি ফুলে যেতে পারে। একই সাথে মুখও ফুলতে পারে। এ অবস্থা হয়ে থাকে যখন কিডনি অতিরিক্ত ফুইড সরাতে না পারে। সারাক্ষণ কান্তি অনুভূত হতে পারে, শরীরে শক্তি পাওয়া যাচ্ছে না এমন ভাবও হতে পারে কিডনি নষ্ট হলে। কিডনি বিকল হলে শরীরে লাল রক্তকণিকা কমে যেতে পারে। এর ফলে অক্সিজেনের ঘাটতি হলে শরীরের কোষগুলো ও ব্রেইন দুর্বল হয়ে যেতে পারে। কিডনি সমস্যা হলে ক্ষুধামন্দা দেখা দিতে পারে, শরীরের ওজন কমে যেতে পারে। সারাক্ষণ মাথা ব্যথা অনুভূত হয়ে থাকে, গভীরভাবে কোনো কিছু চিন্তা করতে মনোযোগ নাও থাকতে পারে।
Saturday, August 27, 2016
কিভাবে বুঝবেন আপনার ত্বক তৈলাক্ত ?
এই উপসর্গগুলো থাকলে বুঝবেন
যে আপনার ত্বক
তৈলাক্ত -
১.চকচকে এবং পিচ্ছিল
একটা ভাব
থাকে কপালে,
নাকে এবং থুতনিতে।
এই
এলাকাকে টি জোন
বলে
২.ত্বকটি নরমাল
বা স্বাভাবিক
ত্বকের
চেয়ে ঘন ,মোটা থাকে
৩.মুখের পোরগুলো বড়
থাকে এবং খালি চোখেই
দেখা যায়
৪.ব্রন ,ব্ল্যাকহেডস ,হোয়াইট
হেডস
এবং গুটিগুটি উঠে মুখে
৫.মুখ ধোয়ার কিছু
সময় পরেই মুখ
তৈলাক্ত হয়ে যায়
৬.ঘুম থেকে ওঠার পর
মুখ অতিরিক্ত
তৈলাক্ত থাকে
৭.নাকের
চারপাশে সাদা সাদা চামড়া থাকে
তৈলাক্ত ত্বকের
প্যাক
*গোলাপের
পাপড়ি বাটা, টক
দই ও মধু
মিশিয়ে প্যাক
তৈরী করে মুখে লাগিয়ে রাখুন
১৫ মিনিট, উষ্ণ জল
দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।।
*আধা চামচ লেবুর
রস,
পাকা পেঁপে এবং ডিমের
সাদা অংশ
মিশিয়ে মাস্ক
তৈরি করে ব্যবহার
করুন।
*দুই টেবিল চামচ
লেবুর রস, এক
টেবিল চামচ
গ্লিসারিন,তিন
টেবিল চামচ
গোলাপ
পানি,একটি পরিষ্কার
পাত্রে নিয়ে একসাথে মিশিয়ে নিন।
এটা বেশ ঘন
একটা দ্রবণ
তৈরি হবে- এবার
এই প্যাকটি মুখ,
ঘাড়,
গলা ইত্যাদি জায়গাগুলো সহ
হাতের
খোলা অংশে লাগিয়ে নিন।
পোস্ট এ নিয়মিত
লাইক, কমেন্ট
না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট
আর দেখতে পাবেন
না। তাই পোস্ট ভাল
লাগলে লাইক
দিয়ে পেজে একটিভ
থাকুন
Saturday, August 20, 2016
মাএ ৭২ ঘন্টায় ফুসফুস পরিস্কার করার যাদুকরি উপায়
পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা কখনোই ধূমপান করেন না কিন্তু তারপরেও তাদের ফুসফুসে সমস্যা থাকে। কিন্তু অন্য দিকেযারা প্রায় ৪০ বছর ধরে ধূমপান করছেন তাদের ফুসফুসে কোন ধরণেরসমস্যাই নেই। এই বিষয়টি প্রতিটি মানুষের শারীরিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। তাই আপনি ধূমপান করুন আর নাই করুন, আপনার ফুসফুসে সমস্যা হতেই পারে।এজন্য ৭২ ঘন্টার (৩ দিন) মধ্যে কীভাবে আপনার ফুসফুসকে পরিষ্কার করবেন দেয়া হল কিছু পদ্ধতি। তবে ফুসফুসের সুস্থতায় আপনাকে অবশ্যই সব ধরণের দুগ্ধজাত খাবার হতে নিজেকে দূরে রাখতে হবে এবং ফুসফুস পরিষ্কার করার পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে দুগ্ধজাত খাবারের টক্সিন গুলো বের হয়ে যাবে।
১।রাতে ঘুমানোর আগে আপনি ১ কাপহার্বাল চাপান করুন। এই চা পানের মাধ্যমে আপনার দেহ থেকে সমস্ত টক্সিন বের হয়ে যাবে যা দেহের জন্য ক্ষতিকর। এই পদ্ধতিমেনে চলার সময় এমন কোন কাজ করা যাবেনা যা ফুসফুসের ওপরে চাপ প্রয়োগ করে।
২।সকালে নাস্তা করার আগে ৩০০ মিলিলিটার পানির সাথে ২ টি লেবুর চিপে পানির সাথে মিশিয়ে পান করুন।
৩।আঙুর বা আনারসের জুস বানিয়ে পান করুন, কারণ এই দুটি ফলের জুসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমদের দেহের শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার পদ্ধতিকে উন্নত করে।
৪।সকালের নাস্তায় ও দুপুরে খাওয়ার সময়ে খাদ্য তালিকায় রাখুন গাজরের জুস। গাজরের জুস দেহের রক্তে ক্ষারের পরিমান বৃদ্ধি করে।
৫।দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় কলার জুস, নারকেলের শ্বাস, পালংশাক খেতে পারেন কারণ এই খাবারগুলোর মধ্যে পটাশিয়াম যা দেহের বিষাক্ত টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
Source: FB Page স্বাস্থ বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য
Sunday, August 14, 2016
মেদ ঝরানোর সহজ কিছু টিপস
অতিরিক্ত মেদ নিয়ে ঝামেলা পোহাচ্ছেন। নিজেকে নির্মেদ রাখতে অনেকেই আশ্রয় নেন ডায়েটের। খাওয়া দাওয়া কমিয়ে ফেলে শুরু হয় মেদ ঝরানোর সাধ্য সাধনা। নতুন চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, ডায়েট না করেই ওজন কমানো যায়। ঝরিয়ে ফেলা যায় শরীরের বাড়তি মেদ। জেনে নিন কয়েকটি টিপস- চিবিয়ে খাওয়ার সময় বাড়ান চিকিৎসকেরা বলছেন, বেশিক্ষণ চিবিয়ে খেলে খাদ্য থেকে শরীরে ক্যালরির পরিমাণ কম যায়। খাদ্য পরিপাকও ভালো হয় এতে। ভাত, রুটি খাওয়ার জন্য আধঘণ্টা সময় দিন। ব্রেকফাস্ট মাস্ট খাদ্য তালিকায় ব্রেকফাস্ট রাখতেই হবে। দিনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ খাবার ব্রেকফাস্ট না করা মানেই দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকা। এতে শরীরের হজমের প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। যা খাচ্ছেন তাতেই মন দিন খাবার খাওয়ার সময় কেউ টিভি দেখেন। কেউ বই পড়েন। এর ফলে কী পরিমাণ খাবার আপনি খাচ্ছেন তা সম্পর্কে খেয়াল থাকে না। মন শুধু খাবারেই দিন। ডায়েটে কাজ দেবে। এক রান্না বারবার গরম করবেন না এক রান্না বারবার গরম করলেই এর খাদ্যগুণ কমে যায়। মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করলেও খাদ্যগুণ কমে যায়। ভারি খাবারের আগে ফল খান লাঞ্চ বা ডিনারের ৩০ মিনিট আগে ফল খান। ফল পরিপাকে সাহায্য করে। খাবার আগে ফল শরীরের ওজন কমাতে দারুণ সাহায্য করে। বারবার খাবার খান একবারে পেট ভর্তি না করে, কিছুটা খালি পেট রাখুন। দু ঘণ্টা বা তিন ঘণ্টার ব্যবধানে খাবার খান। এতে পরিপাক ক্রিয়া বাড়ে। খাবার হজম হয় ভালো। ৮টার মধ্যে রাতের খাওয়া সারুন বেশি রাতে খাবার খাওয়ার অভ্যাস ছাড়তে হবে। চেষ্টা করুন রাত আটটার মধ্যেই রাতের খাওয়া সেরে ফেলতে। খাবার ১৫ মিনিট আগে পানি খান অনেকেরই অভ্যাস রয়েছে খাবার খেতে খেতেই পানি খাওয়ার। খাবার খাওয়ার মাঝখানে পানি খাওয়ার অভ্যাস পরিপাকে সমস্যা তৈরি করে। তৈরি হয় অ্যাসিডিটি। যদি খুবই পানি খাওয়ার প্রয়োজন হয় তবে অল্প পানি খান, শুধু গলা ভেজানোর মতো।
sourch: bdblog24.mwb
জ্বর,সর্দি এবং কাশির জন্য রসুনের কারিশমা
হুট করেই ঠাণ্ডা পড়েছে, এখন জ্বর-সর্দি-কাশি হওয়া খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে তো আরও বেশি। ছোটবাচ্চাদের খুব বেশি ওষুধ খাওয়ানো যায় না। তারা খেতে চায় না আর খাওয়ানো উচিতও নয়। জেনে নিন রসুনের ব্যবহারে এমন দুটি টিপস, যেটা ঝটপট এই বিচ্ছিরি অসুখগুলো কমাতে দারুণ সহায়ক। কেবল ছোটদের নয়, কাজে আসবে বড়দেরও!খেতে হবে রসুনচটজলদি সর্দি কাশি জ্বর কমাতে রসুন খাওয়ার কোন বিকল্প নেই। তবে কাঁচা নয়, অবশ্যই রান্না করে। রসুনের অ্যান্টিসেপটিক গুণাবলী এসব অসুখের সাথে লড়াই করতে দারুণ সক্ষম। শরীর থেকে দূষিত টক্সিক উপাদান অপসারন করতে ও ঝটপট জ্বর কমাতেও রসুনের জুড়ি মেলা ভার।সর্দি কাশি বা জ্বরে খাবারে রসুনের ব্যবহার বাড়িয়ে দিন। বড়রা ডালে বা তরকারির সাথে আস্ত রসুন দিয়েই খেয়ে ফেলতে পারেন। ছোটদের তৈরি করে দিতে পারেন গারলিক স্যুপ। যদি তারা গারলিক স্যুপ খেতে না চায়, তাহলে চিকেন স্যুপেই ৬/৭ কোয়া রসুন জ্বাল দিন মিনিট দশেক। তারপর রসুন তুলে ফেলে খেতে দিন।রসুনের তেলচটজলদি সর্দি কাশি জ্বর কমাতে রসুনের তেল খুবই উপকারী। সাধারণ সয়াবিন বা অলিভ অয়েল নিন, এতে কয়েক টুকরো রসুন হালকা লাল হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। ব্যস, তৈরি আপনার গারলিক অয়েল। চাইলেদোকান থেকেও কিনতে পারেন। এই তেল খাবারে, স্যুপে, রান্নায় ব্যবহার করুন। হালকা গরম করে ছোট বাচ্চাদের বুকে মালিশ করে দিতে পারেন। শীতের অসুখ দ্রুত পালাবে।
Wednesday, August 10, 2016
ওজন নিয়ন্ত্রনে এড়িয়ে চলুন ১০টি বদভ্যাস
ওজন নিয়ন্ত্রনে ডায়েটিং বা ব্যায়াম
করতে অনেকেরই আলসেমি। কিন্তু
আপনি কি জানেন যে যদি আপনার দৈনন্দিন
খাদ্য তালিকা যদি খুব বেশী ফ্যাটি না হয়
এবং আপনি একদম শুয়ে-বসে থাকা লাইফ
স্টাইলে অভ্যস্ত না হন, তাহলে শুধুমাত্র কিছু
বদঅভ্যাস এড়িয়ে চলতে পারলে আপনার ওজন
না কমলেও অন্তত নিয়ন্ত্রনে থাকবে?
এড়িয়ে চলুন এই সব অভ্যাস-
1. সকালের নাস্তা বাদ দেওয়াঃ সকালের
নাস্তা বাদ দিলে আপনি মোটা হবেন
দুটো কারণে। প্রথমত, সকালে আপনার শরীর
প্রায় ৮-১০ ঘন্টা না খাওয়া অবস্থায় থাকে।
সকালের নাস্তা বাদ দিলে আপনি ক্ষুধার্ত
থাকবেন এবং সেটা ব্যালেন্স করার জন্য
শরীর সারাদিন আপনার ক্ষুধার
অনুভূতি চাঙ্গা রাখবে। দ্বীতিয়ত, সকালে যখন
পেট খালি থাকবে, শরীর সেটাকে ব্যালেন্স
করার জন্য আপনার মেটাবলিসম এর হার
কমিয়ে ফেলবে। সুতরাং সারাদিন যা খাবেন
তা ফ্যাট হিসেবে জমা হবে শরীরে।
2. অনেক ক্ষন
না খেয়ে থাকাঃ মোটারা যে ভুলটা করেন
তা হলো, প্রয়োজনের চেয়েও কম খাওয়া ও
দীর্ঘক্ষন না খেয়ে থাকা। দীর্ঘক্ষন যদি পেট
খালি থাকে বা আপনি যদি অতিরিক্ত কম খান,
শরীরও তো কম চালাক নয়, সেও মেটাবলিসম
এর হার কমিয়ে ফেলে। সুতরাং, মোটা হলে কম
না খেয়ে তিন বেলা পর্যাপ্ত খান।
তিনবেলা খাবারের
মাঝে মাঝে খিদে পেলে ফল
বা সবজী বা লো ক্যালরি ফুড খান।
আপনাকে বুঝতে হবে যে খালি পেটে দীর্ঘপক্ষন
থাকলে শরীরের কাজ কমে যায়। বরং ২
ঘন্টা পর পর অল্প কিছু খেলে শরীরের অনেক
শক্তি খাবার হজম করতে ব্যয় হয়ে যায় (ব্যয়
না হলে এই শক্তি চর্বিতে পরিণত হয়ে আপনার
শরীরে জমা হত) আর পরবর্তী বেলায় আপনার
বেশী খেয়ে ফেলার ইচ্ছাটাকেও দমন
করে ফেলে।
3. হাটতে হাটতে খাওয়াঃ কিশোর
বয়সে বেশিরভাগ ই মানুষ যখন তখন ফ্রীজ
খুলে কিছু না কিছু বের করে খায়
অথবা আসতে যেতে ডাইনিং টেবিলে রাখা খাবার
বা তরকারি থেকে কিছু না কিছু অংশ
মুখে তুলে খায়। তাদের বর্ধিষ্ণু শরীরের
প্রয়োজনেই তারা এটা করে থাকে। কিন্তু
অনেকেরই বড় হওয়ার পরেও এই অভ্যাস
রয়ে যায়। এখানে দুইটা বিস্কুট,
ওখানে কয়েকটা বাদাম, এক পিস কেক,
অর্ধেকটা চকলেট বার, ১ গ্লাস শরবত, ১
প্যাকেট চিপস- শুনতে মনে হয় কিছুনা, কিন্তু
একসঙ্গে যোগ করলে এভাবে আপনি কয়েকশ
ক্যালরি অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন।
4. ভাত খাওয়াকে আবশ্যক
মনে করাঃ ভেতো বাঙ্গালীর কাছে ভাত
একটি আবশ্যকীয় বস্তু। দেখা যায়,
শপিং করতে গিয়ে একটা বার্গার
খেয়ে এসেছি, বাসায় এসে খাওয়ার টাইম এ
আবার টেবিল এ বসে গেলাম। আমরা গনায়
ধরছি না কিন্তু খেয়ে কিন্তু ফেললাম আসলে ৪
বেলা। সুতরাং এই অভ্যাস পরিত্যাগ করুন।
প্রথম প্রথম কষ্ট হলে, টেবিল এ বসুন। কিন্তু
ভাত না খেয়ে কিছু সব্জী আর ছোট এক পিস
মুরগী বা মাছ খেয়ে উঠে যান।
5. অন্যমনস্ক ভাবে খাওয়াঃ অনেকের অভ্যাস
আছে টিভি দেখতে দেখতে খাওয়া। খাওয়ার
সময় মাথায় রাখতে হবে যে- “আমি এখন
খাচ্ছি”; অন্যমনস্ক ভঙ্গীতে খেলে,
আপনি টেরই পাবেন না যে কখন আপনার
হাতের/প্লেটের সবটুকু খেয়ে ফেলেছেন। একই
কারণে পার্কে হাটতে হাটতে বা হাতে প্যাকেট
নিয়ে শপিং করতে করতে খাবেন না।
এমনো দেখা গিয়েছে যে এভাবে খেলে, মানুষ
অনেক সময় সে যে হাটতে হাটতে খেয়েছে-এই
কথাটুকুও ভুলে যাও।
সুতরাং সে সারাদিনে কি কি খেলাম বা কত
ক্যালরি খেলাম- সেই হিসাব
মিলাতে গিয়ে দুই একটা আইটেম বাদ
দিয়ে ফেলে। পরবর্তীতে সে হতাশ
হয়ে পরে যে কিছু না খেয়েই
আমি মুটিয়ে যাচ্ছি। সুতরাং,
খাওয়াটা কে সবসময় একটা কাজ মনে করুন।
সুন্দর করে এক জায়গায় বসে খান। খাওয়ার
প্রতি মনযোগ, খাওয়ার
স্মৃতিটাকে মস্তিষ্কে গভীর
ভাবে গেথে ফেলে আপনার সারাদিনের
খাওয়ার অভ্যাস কে নিয়ন্ত্রন করবে।
6. সরাসরি প্যাকেট
থেকে খাওয়াঃ সরাসরি চিপস, পপকর্ন
বা বিস্কিটের প্যাকেট নিয়ে বসেছেন
তো ডুবেছেন। কখনোই হিসেব রাখতে পারবেন
না যে কতটুকু খেলেন। দুটো বিস্কিট
খেতে চেয়ে দেখা যাবে যে ৫টা বিস্কিটের
পুরো প্যাকেট খেয়ে ফেলেছেন। যতটুক খাবেন,
সুন্দর করে একটা পিরিচে ঢালুন, এইবার
প্যাকেট টা মুড়িয়ে জায়গামত গুছিয়া রাখুন।
হয়েছে...এইবার খান।
7. দ্রুত খাওয়াঃ ১৮শ শতকের বিখ্যাত ডাক্তার
জনসনের মতে, যে কোন খাবার ৩২ বার
চিবিয়ে খাওয়া উচিত। ৩২ বার না চিবালেও
দ্রুত খাওয়া শেষ করা যে উচিত না, তা আধুনিক
বিজ্ঞানীরাও মানেন। কেননা খাবার
খাওয়ার পর, আপনি যে খেয়েছেন- এই সিগনাল
মস্তিষ্কে যেতে কিছু সময় লাগে। মস্তিষ্ক
সিগনাল পাওয়ার পরে ক্ষুধার
অনুভূতি কমিয়ে দেয়। আপনি যদি দ্রুত
খাওয়া শেষ করে ফেলেন, সিগনাল
তখনো মস্তিষ্কে পৌছাবে না। সুতরাং আপনার
ক্ষুধার অনুভূতি তখনো থাকবে এবং আপনি দ্রুত
খেলেও বেশী খেয়ে ফেলবেন।
8. পানি কম খাওয়াঃ দিনে ৮ গ্লাস
পানি না খেলে শরীরে পানিশুণ্যতা দেখা দেয়।
পানিশুণ্য অবস্থায় শরীর ক্লান্ত
হয়ে পরে এবং ক্ষুধার অনুভূতি জাগ্রত হয়।
ফলে মানুষ তখন খাবারের দিকে হাত বাড়ায়
অথচ যার বদলে তার দরকার ছিলো শুধু পানির।
9. কম ঘুমানোঃ গবেষনা দ্বারা এটা এখন
রীতিমত প্রমাণিত যে, ওজন
নিয়ন্ত্রনে রাখতে হলে আপনাকে রাতে ৬
ঘন্টা ঘুমাতেই হবে। রাতে পর্যাপ্ত
না ঘুমালে তা “করটিসল” হরমোনের
নির্গমনের উপর প্রভাব ফেলে। আর মানুষের
ক্ষুধার অনুভূতি নিয়ন্ত্রন হয় এই হরমোনটির
দ্বারাই। তাছাড়াও গবেষনায়
দেখা গিয়েছে যে, রাতে কম
ঘুমালে শরীরে ফ্যাট স্টোর ও বেশী হয়।
10.
রাতে দেরিতে খাওয়াঃ আমরা বাঙ্গালীরা সাধারণত
১০টা-১১টায় খাই, আর শুয়ে পরি ১২ টায়।
একবার খেলে, খাবার হজম হতে দুই
ঘন্টা লাগে। তার আগেই শুয়ে পরলে, ঘুমন্ত
অবস্থায় শরীরের মেটাবলিসম ধীর হয়ে যায়।
ফলে রাতের খাওয়াটা ফ্যাট
হিসেবে শরীরে জমা হয়। ঠাট্টা করছি না,
এটি গবেষনা দ্বারা প্রমাণ করেছেন
নর্থোয়েস্টার ইউনিভার্সিটির
গবেষকেরা যা প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল অফ
অবেসিটি





















