One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Wednesday, April 29, 2020

লক্ষ্মীপুরে করোনা আক্রান্ত বেড়ে ৪৩

লক্ষ্মীপুরে করোনা আক্রান্ত বেড়ে ৪৩

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে নতুন করে ৬ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগী বেড়ে ৪৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জেলা সিভিল সার্জন আবদুল গাফ্ফার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস ইউনিভার্সিটি ও বিআইটিআইডিতে  করোনা পরীক্ষার জন্য লক্ষ্মীপুরের নমুনা পাঠানো হয়। এরমধ্যে ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস ইউনিভার্সিটি থেকে পজিটিভ রোগীর ফলাফল এসেছে। এতে ৬ জন রোগীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলার ৫ জন ও রামগতির ১ জন।

এনিয়ে জেলায় চিকিৎসকসহ ৪৩ জন করোনায় আক্রান্ত। এরমধ্যে দুইজন রোগীকে ঢাকার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকিদের জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে।

লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন আবদুল গাফ্ফার বলেন, ‘করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো নমুনার একাংশের ফলাফল এসেছে। এতে ৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদেরকে সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ওয়ার্ডে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।'

 

ফরহাদ/টিপু



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2zJ9ZFy
Share:

জামালপুরে স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত

জামালপুরে স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত

জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরে আরও একজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্ত এই ব্যক্তি একটি ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের স্বাস্থ্যকর্মী।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাতে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব থেকে আসা প্রতিবেদনে তিনি আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. শফিকুজ্জামান।

নতুন আক্রান্ত হওয়া ওই স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়ি জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার ধানআটা গ্রামে।

ডেপুটি সিভিল সার্জন জানান, সরিষাবাড়ী উপজেলার ৩২ বছর বয়সি ওই স্বাস্থ্যকর্মীর দেহে করোনাভাইরাস পজেটিভ পাওয়া যায়। তাকে দ্রুত জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের আইসোলেশনে রাখা হবে।

সরিষাবাড়ীর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শিহাব উদ্দিন জানান, আক্রান্ত ওই যুবক সরিষাবাড়ী উপজেলায় চতুর্থ আক্রান্ত ব্যক্তি। তাকে আইসোলেশনে রাখা হবে।

এছাড়া, জেলায় মোট আক্রান্ত সংখ্যা এখন ৫৯ জন। এরমধ্যে সর্বোচ্চ জামালপুর সদর উপজেলায় ২৭ জন। এছাড়া সরিষাবাড়ী উপজেলায় চারজন, মেলান্দহে তিনজন (সুস্থ দুইজন), মাদারগঞ্জে ১১ জন, বকশীগঞ্জে পাঁচজন (সু্স্থ দুইজন), দেওয়ানগঞ্জে তিনজন (মৃত্যু একজন) ও ইসলামপুরে ছয়জন (মৃত্যু দুইজন)।

এদিকে, জেলায় মোট মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। দেওয়ানগঞ্জে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যান এবং ইসলামপুরে দুই নারীর মৃত্যুর পর তাদের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে চার রোগী সুস্থ হয়েছেন।

 

সেলিম/বুলাকী



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2W75wnA
Share:

চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, তিন পুলিশ ক্লোজড

চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, তিন পুলিশ ক্লোজড

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম মহানগরীর সবচেয়ে বড় পাইকারি কাপড়ের বাজার টেরিবাজারে এক কাপড় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে দোকান খোলার জের ধরে পুলিশের সোর্স এবং স্থানীয় ফাঁড়ির এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) গিরিদারি (৬৬) নামে ওই প্রবীণ ব্যবসায়ীকে মারধর করে। এতে তার মৃত্যু ঘটে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়।

তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি আগে থেকেই অসুস্থ ছিল। মার্কেটের ব্যবসায়ীরা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করলে তিনি অসুস্থতা বোধ করেন। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহত গিরিদারি টেরিবাজার মোহাদ্দেছ মার্কেটের প্রার্থনা বস্ত্রালয়ের মালিক।

এদিকে অভিযোগ ওঠার পর ওই এএসআইসহ তিন পুলিশকে ক্লোজড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান।

এবিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন রাইজিংবিডিকে বলেন, বুধবার সন্ধ্যার দিকে ব্যবসায়ী গিরিদারি দোকান খুলে কাপড় বের করছিলেন। এ সময় মার্কেট কর্তৃপক্ষ দোকান খোলার কারণ জানতে চেয়ে ওই ব্যবসায়ীকে আটক করে স্থানীয় বিট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এ সময় ওই ব্যক্তি অসুস্থ বোধ করলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কেটের একাধিক ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ইফতারের আগ মুহূর্তে ব্যবসায়ী গিরিদারি তার দোকানের অংশবিশেষ খুলে কাজ করছিলেন। এ সময় পুলিশের সোর্স কফিল উদ্দিন এবং স্থানীয় পুলিশ বিটের এএসআই কামরুল ওই ব্যবসায়ীকে অতর্কিত আটক করে বেধড়ক মারপিট করে। এক পর্যায়ে ওই ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঘটে।

পুলিশের মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান জানান, ওই ব্যবসায়ীকে মারধরের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এরপরও অভিযোগ ওঠায় সেখানে দায়িত্বরত পুলিশের এএসআইসহ ৩ জনকে ক্লোজড এবং ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।


রেজাউল/এসএম



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/3d3a8BQ
Share:

ক্রিকেট রেকর্ড থেকে

ক্রিকেট রেকর্ড থেকে

ক্রীড়া ডেস্ক

ক্রিকেটের অনেক খুঁটিনাটি তথ্য আমাদের অজানা। তেমন-ই এক রেকর্ডের তথ্য দেব এবার।

আপনি জানেন কি, ওয়ানডে ক্রিকেটের অভিষেকে হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন কয়জন বোলার?

ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে মাত্র দুইজন বোলার অভিষেকে হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন। আর দুই ক্ষেত্রেই জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের নাম।

সর্বপ্রথম এমন কীর্তি গড়েন বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ২০১৪ সালের ১লা ডিসেম্বরে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হয় তাইজুলের। আর সেই ম্যাচে জিম্বাবুইয়ান তিন ব্যাটসম্যানকে তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিক তুলে নেন তাইজুল। এই বাঁহাতি স্পিনার জিম্বাবুইয়ান তিনাশে পানিয়াঙ্গারা, নিয়াম্বু ও টেন্ডাই চাতারার উইকেট তুলে নেন।

তাইজুলের পরে এই কীর্তি গড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা। আর তাও বাংলাদেশের মাঠে স্বাগতিকদের বিপক্ষে। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেক ঘটে প্রোটিয়া পেসার রাবাদার। সে ম্যাচে বাংলাদেশের তামিম, লিটন ও মাহমুদউল্লাহকে ফিরিয়ে দিয়ে হ্যাটট্রিকের দেখা পান রাবাদা। আর ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে এটিই অভিষেকে হ্যাটট্রিকের সর্বশেষ কীর্তি হয়ে আছে।



ঢাকা/কামরুল



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/3f5UwiU
Share:

দাগনভূঞায় উপসর্গ ছাড়াই সরকারি কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত

দাগনভূঞায় উপসর্গ ছাড়াই সরকারি কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত

ফেনী সংবাদদাতা

দাগনভূঞায় উপসর্গ ছাড়াই আরো এক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তিনি উপজেলা পর্যায়ের একজন সরকারি কর্মকর্তা।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেন।

রোগীর বাড়ি চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার পাহাড়তলি রেলওয়ে হাউজিং সোসাইটি।

সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেন জানান, গত ২১ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে নমুনা চট্টগ্রামের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি পাঠানো হহয়। বুধবার রাতে সেখান থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে তার করোনা পজেটিভ ফলাফল আসে।

ওই কর্মকর্তা পৌর শহরের বাসায় ব্যাচেলর থাকেন। বৃহস্পতিবার ঊর্ধ্বতন কর্তপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তার পরবর্তী চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এনিয়ে দাগনভূঞায় একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ২ জনসহ ফেনী জেলায় ৪ জনে দাঁড়িয়েছে বলেও জানান সিভিল সার্জন।


সৌরভ/বুলাকী



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/3d3S5vI
Share:

বাম্পার ফলন, শ্রমিক সংকট নেই- তবুও দুশ্চিন্তা

বাম্পার ফলন, শ্রমিক সংকট নেই- তবুও দুশ্চিন্তা

বিজয় ধর

পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধানের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। ফলে ব্যস্ততা বেড়েছে কৃষাণ-কৃষাণীর।

রাঙামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ির ইউনিয়ন ও শহরের রাঙ্গাপানি এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধানের ব্যাপক সমারোহে ভরপুর সবুজ প্রান্তর। যেদিকে চোখের দৃষ্টি পড়ে সেদিকেই শুধু সোনালী ধানের সমারোহ। কৃষাণ-কৃষাণীরা ব্যস্ত ধান কাটায়।

ইতোমধ্যেই উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ধান কাটার শুরু হয়ে গেছে। নতুন ধানে কৃষাণ-কৃষাণীর চোখে আনন্দ ঝিলিক। তারপরও কৃষকের কপালে চিন্তার ভাজ। করোনা কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ধানের ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়েই তাদের দুশ্চিন্তা।

আলাপকালে রাঙ্গাপানি এলাকার কৃষাণী শিশুবতী চাকমা বলেন, ‘গতবারের তুলনায় এবার বোরো ধানের ফলন ভাল হয়েছে। কিন্তু এ ফসল কোথায় বিক্রি করবো সবকিছু তো বন্ধ। এটা নিয়ে চিন্তায় আছি।'

আরেক কৃষক নিলু কুমার চাকমা বলেন,‘আমি এবার হাইব্রিড ও উফশী ধানের জাত চাষ করেছি। আমি প্রতি বছর ধানের জাত পরিবর্তন করে ধান চাষ করে থাকি। এবছরও দুই বিঘা জমিতে ভাল ফসল উৎপাদন হয়েছে।'

কাপ্তাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সামসুল আলম চৌধুরী জানান,  এ বছর কাপ্তাই উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে উফশী জাতের ব্রিধান-২৮  ১৮২ হেক্টর, ব্রিধান-২৯  ৫০ হেক্টর,  ব্রিধান-৫৮  ১০ হেক্টর, ব্রিধান-৭১  ১০ হেক্টর,  হাইব্রিড জাতের হিরা ১০ হেক্টর, সেরা ৫ হেক্টর, নবি ৬ হেক্টর ও টিয়া ৭ হেক্টর সহ সর্বমোট ২৮০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের ফলন হয়েছে।
 


সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়নের বোধিপুর গ্রামের কৃষক প্রভাত চন্দ্র চাকমা বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের গ্রামের কৃষকরা সবাই আতঙ্কে আছেন। কারণ, আমরা জমিতে ধান, বিভিন্ন সবজি চাষ করলেও গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় খুবই চিন্তায় আছি।'

রাঙামাটি সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আপ্রু মারমা বলেন, ‘এ বোরো মৌসুমে আমাদের ৪৮০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। এর মধ্যে হাইব্রিড ধান ২৩০ হেক্টর ও উফশী ধানের আবাদ হয়েছে ২৫০ হেক্টর।এবার আমাদের শতভাগ লক্ষমাত্রা অর্জন হয়েছে। ধানে রোগবালাই ও পোকা মাকড়ের উপদ্রবও কম ছিল।'

তিনি বলেন, ‘ক্ষুদ্র প্রান্তিক  চাষিরা এসময়ে পণ্য বাজারে নিয়ে বিক্রয় করে স্বল্প আয় করতো। কিন্তু করোনার ভাইরাসের কারণে তা এখন ব্যহত হচ্ছে।'

রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক পবন কুমার চাকমা বলেন, ‘চলতি বোরো মৌসুমে রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ৭০৪০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৭১৪০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে।'

তিনি বলেন, রাঙামাটিতে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় বাঘাইছড়ি, লংগদু, কাউখালী ও নানিয়ারচর উপজেলায়। এবার যেহেতু মৌসুমটা ভালো, আশা করছি উৎপাদনও ভালো হবে।'

তিনি বলেন, ‘এখানকার কৃষকরা একে অপরের ধান জমি থেকে কেটে তুলে দেয়। এ কারণে পাহাড়ে ধান কাটার জন্য শ্রমিক সংকট কম।'

পবন কুমার চাকমা বলেন, ‘বাঘাইছড়িতে ৮টি লংগদুতে ৫টি ও রাঙামাটি সদরে ৫টি ধান কাটার মেশিন রয়েছে। তাই আমাদের ধান কাটার শ্রমিক সংকট নাই। রাঙামাটিতে যেসব কৃষকের ধান বেশি আছে, এ বোরো মৌসুমে সরকার কর্তৃক তাদের ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা আছে। লংগদু, বাঘাইছড়ি, কাউখালী ও রাজস্থলীতে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের তালিকাও করা হচ্ছে।'

 

বিজয়/টিপু



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/3f0teL3
Share:

করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে ৬১ হাজারের বেশি প্রাণহানি

করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে ৬১ হাজারের বেশি প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে আবারো এক দিনে দুই হাজারের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে মারা গেলো। তাতে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ৬১ হাজার ছাড়িয়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটার বলছে, দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছে ৬১ হাজার ৬৬৮ জন। আক্রান্ত হয়েছে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৫৩৩ জন। এখনো অসুস্থ ৮ লাখ ৫৫ হাজার ৪৫৪ জনের, যার মধ্যে সংকটাপন্ন ৫৯ হাজার ৮১১ জন।

আমেরিকায় সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪১১ জন। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে বুধবার এক দিনে ২ হাজার ৪৫৮ জন মারা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যেই করোনার সংক্রমণ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা নিউইয়র্কে, সেখানে ভাইরাসটির সংক্রমণ হয়েছে ৩ লাখ ৬ হাজার ১৫৮ জনের দেহে এবং প্রাণহানি হয়েছে ২৪ হাজার ৪৭৪ জনের।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে পরের স্থানে নিউজার্সি। ১ লাখ ১৬ হাজার ২৬৪ জন আক্রান্ত এবং মারা গেছে ৬ হাজার ৭৭০ জন।



ঢাকা/ফাহিম



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2VMn2OZ
Share:

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions