One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Tuesday, October 25, 2016

বিশ্বের সবচেয়ে দামি স্মার্টফোন



প্রযুক্তির এই যুগে আমাদের মুঠোয় থাকা সেলফোনটি প্রতিদিনই বদলে যাচ্ছে। একটু একটু করে স্মার্ট হয়ে ওঠা এই ফোনের বদৌলতে অবশ্য বদলে যাচ্ছি আমরাও।
 
তবে বিশ্ব বাজারে অজস্র মোবাইলফোনের ভীড়ে সবচেয়ে দামি ফোন কোনটি? সেটি কতটুকু স্মার্ট, কারা তাদের ক্রেতা এমন হাজারো প্রশ্ন কিন্তু আমাদের মনে আসে।


সবার আগে বলি ওই ফোনটির নাম- 'ফ্যালকন সুপার নোভা পিঙ্ক ডায়মন্ড আইফোন ৬'। হ্যাঁ, এটাই হল আজ অবধি এই গ্রহের সবচেয়ে দামি মোবাইলফোন।
 
সবচেয়ে দামি এ ফোনের মূল আকর্ষণ হলো ১৮ ক্যারেটের একটি হীরে। আর ফোনের নাম শুনেই তো বুঝেছেন, যে হীরেটার রঙ পিঙ্ক। আবার নীলও হতে পারে।
 
এছাড়া অ্যাপেলের সর্বাধুনিক ফোনটিতে যা যা অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যাপার থাকে সেগুলোতো চূড়ান্ত মাত্রায় আছেই।

yX Media - Monetize your website traffic with us

 
তবে এই ফোনের দামটি এবার বলার পালা। দামটাও যে মারাত্মক তা নয়, চাইলেই কিনতে পারেন। এর জন্য অবশ্য একটু বেশি টাকা খরচ করতে হবে আপনাকে।
 
একটু বেশিটা মাত্র ৯৫.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
Share:

Saturday, October 22, 2016

Job Tips


Share:

Monday, October 17, 2016

২০২১ সালের মধ্যে সবার হাতে মোবাইল


স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীর বছরে (২০২১ সাল) সবার হাতে মোবাইল ফোন পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ১০ বছর মেয়াদী জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালা অনুমোদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ১১৩তম বৈঠকে এ নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়।


মোহাম্মদ শফিউল আলম সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান, টেলিযোগাযোগ নীতিমালা ১৯৯৮, জাতীয় আইসিটি নীতিমালা ২০১৫, জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা ২০০৯ এবং আন্তর্জাতিক দূরপাল্লার টেলিযোগাযোগ সেবা নীতিমালা ২০১০ কে সমন্বিত করে নীতিমালাটি করা হয়েছে।

নতুন এই নীতিমালায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশে ইন্টারনেট সার্ভিস ও মোবাইলফোনের সম্প্রসারণের কাজ করা হবে।

নীতিমালার স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রায় ২০১৮ সালের মধ্যে টেলিঘনত্ব (নাগরিকদের হাতে টেলিফোনের অনুপাত) ৮০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করা হবে। এই সময়ের মধ্যে ইন্টারনেটের বিস্তার ৩৪ থেকে ৪৫ শতাংশে, মোবাইল বা ফিক্সড ব্রডব্যান্ডের বিস্তার ৭ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে, সব জেলা-উপজেলা সদর এবং দুই হাজার ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ বিস্তৃত করা হবে। এছাড়া সব উপজেলা সদরে উচ্চ গতির তারহীন ব্রডব্যান্ড সেবা পৌঁছে দেয়ার কাজ করা হবে।

yX Media - Monetize your website traffic with us

মধ্যমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসাবে ২০২১ সালের মধ্যে ছয়টি ‘টার্গেট’ নির্ধারণ ঠিক করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো সবার হাতে মোবাইলফোন পৌঁছে দেয়া। এছাড়া ইন্টারনেটের বিস্তার ৬৫ শতাংশে উন্নীতকরণ, ব্রডব্যান্ডের বিস্তার ৪০ শতাংশে উন্নীতকরণ, সকল ইউনিয়নকে অপটিক্যাল ফাইবারের মহাসড়কে সম্পৃক্তকরণ, সকল ইউনিয়ন পর্যায়ে উচ্চ গতির তারবিহীন ব্রডব্যান্ড সেবা বিস্তৃতকরণ এবং দেশে ২০ শতাংশ বাসস্থান-প্রতিষ্ঠানে উচ্চ গতির অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কিং নিশ্চিতকরণ।

দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসাবে ২০২৫ সালের মধ্যে ইন্টারনেটের বিস্তার ৯০ শতাংশে উন্নীত করা, জনসংখ্যার ৬০ শতাংশকে ব্রডব্যান্ড সেবা দেওয়ার মত পরিবেশ সৃষ্টি এবং ৫০ শতাংশ বাসস্থান-প্রতিষ্ঠানে উচ্চ গতির অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।



বিশ্বের সবচেয়ে দামি স্মার্টফোন

Share:

Saturday, October 15, 2016

Job Tips


Share:

Monday, October 10, 2016

এবার চোখের ইশারায় খুলবে স্মার্টফোন!


হাতের আঙুলে নয়, এবার চোখের ইশারাতেই চলবে স্মার্টফোন! প্রিয় ফোনটির লক খোলা, গেম খেলা, অ্যাপস চালানো—সবই আপনি করতে পারবেন চোখের ইশারায়। খবর ফার্স্ট পোস্টের।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে অনুষ্ঠিত ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (আইইইই) কনফারেন্সে এই প্রযুক্তির তথ্য তুলে ধরেন গবেষকরা।


বিশেষ প্রযুক্তির এই অ্যাপটির নাম দেওয়া হয়েছে গেজ ক্যাপচার। স্মার্টফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের চেহারার ছবি তুলে রাখবে। আর ওই ছবির সঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহারকারীর চোখ ও চেহারা চিহ্নিত করবে। অর্থাৎ ব্যবহারকারী স্মার্টফোনের দিকে তাকালে এর লক খুলে যাবে।

এ অ্যাপটির উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি), ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়া এবং জার্মানির ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেটিক্সের গবেষকরা একযোগে কাজ করছেন।


yX Media - Monetize your website traffic with us

এখন পর্যন্ত গবেষকরা অ্যাপটির উন্নয়নে মাত্র দেড় হাজার জন ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছে। গবেষণার কাজ সম্পূর্ণ করতে ও অ্যাপের উন্নয়ন ঘটাতে মোট ১০ হাজার ব্যবহারকারীর তথ্য প্রয়োজন তাদের।
Share:

Saturday, October 8, 2016

Job Tips


Share:

Wednesday, October 5, 2016

যেভাবে বুঝবেন আপনার কিডনি ভালো আছে


মানুষের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে কিডনি অন্যতম। অনেক সময় আমরা কিডনির অনেক ধরণের সমস্যা উপলব্ধি করি, কিন্তু সমস্যাটি ঘাড় না হওয়া পর্যন্ত আমোরা কোনো পদক্ষেপ নেই না। যার ফলে আমাদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।শরীরের রেচন প্রক্রিয়া সহ সব ধরনের বর্জ্য পদার্থ নির্গমনের কাজ এই কিডনীই করে থাকে। তবে কাজ করতে করতে কিডনী যে কোন মুহুর্তে অকেজো হয়ে পড়তে পারে কিংবা কিডনীর কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে। এইসব ক্ষেত্রে কিডনী ড্যামেজ হওয়া থেকে শুরু করে আরো অনেক বড় বড় রোগের সম্মুখীন হওয়াটা অত্যন্ত স্বাভাবিক।


কিডনী ফেইলিওর এর মত সমস্যা যে কারোই হতে পারে। তাই শুরু থেকে কিডনীর সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত জ্ঞান থাকা জরুরী। কারণ যদি কিডনীর সমস্যার লক্ষণ শুরু থেকে জানা থাকে, তাহলে অল্প থাকতেই মেডিক্যাল চিকিৎসার মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন কিডনীর সমস্যার লক্ষণগুলো আগে একবার জেনে নেয়া যাক,
দুর্বলতা
কিডনী সমস্যার অন্যতম প্রধাণ লক্ষণ হচ্ছে দুর্বলতা। আর এই দুর্বলতা আসে রক্তশূন্যতা থেকে। কিডনী যদি ঠিকমত কাজ না করতে পারে তাহলে রক্ত ক্রমাগত দূষিত হতে থাকে। যার কারণে রক্তে নতুন করে ব্লাড সেল উৎপন্ন হয় না। এছাড়াও কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে তা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন এরিথ্রোপ্রোটিন উৎপন্ন করতে পারে না। এই হরমোন বোন ম্যারো থেকে ব্লাড সেল উৎপাদনে সাহায্য করে।
শ্বাসকষ্ট
যখন কিডনী কাজ করা বন্ধ করতে শুরু করে, তখন শরীরের বর্জ্য পদার্থ রক্তে মিশতে শুরু করে। এই বর্জ্য পদার্থের বেশিরভাগই হচ্ছে অম্লীয় পদার্থ। তাই এই বর্জ্য যখন রক্তের সাথে ফুসফুসে পৌঁছায় তখন ফুসফুস সেই বর্জ্য বের করার জন্য কার্বনডাই অক্সাইড ব্যবহার করা শুরু করে। যার কারণে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ফুসফুসে ঢুকতে পারে না। এতে আপনার শ্বাসকষ্টের সমস্যা হতে পারে।

yX Media - Monetize your website traffic with us

মূত্রের রং পরিবর্তন এবং রক্তক্ষরণ
কিডনীর সমস্যায় মূত্রের রং পরিবর্তন হয়ে যায়। কারণ, কিডনীর অক্ষমতায় রেনাল টিউবিউলস এর ক্ষতি হয়, যা পলিইউরিয়ার সৃষ্টি করে। এর মানে হচ্ছে আপনার অধিক পরিমাণে মূত্র তৈরীর কাজ করে। তবে কিডনীর অক্ষমতা যত বৃদ্ধি পাবে, মূত্রের পরিমাণ ততই কমবে। এবং মূত্রের রং গাঢ় হলুদ কিংবা কমলা রং হয়ে যাবে। সেই সাথে মূত্রের সাথে রক্তক্ষরণ এবং অত্যাধিক ফেনা হতে পারে।
শরীরে চুলকানির উপসর্গ
কিডনীর অক্ষমতায় শরীরে প্রিউরিটাস দেখা দেয়। প্রিউরিটাস আসলে চুলকানির মেডিক্যাল নাম। শরীরের রক্তে যখন বর্জ্য পদার্থ মিশতে শুরু করে তখন চুলকানির উপসর্গ দেখা দেয় কারণ ওই বর্জ্যের মধ্যে ফসফরাস থাকে। যেসব খাবারে ফসফরাস থাকে যেমন দুধজাতীয় খাবার, সেগুলো হজমের পর ফসফরাস বর্জ্য হিসেবে মূত্রের সাথে বের হতে পারে না। যার কারণে এটি রক্তে মিশে চামড়ায় চুলকানি সৃষ্টি করতে থাকে।
চোখে ঝাপসা দেখা কিংবা মানসিক অস্থিরতা
কিডনীর সমস্যা আপনার চোখে ঝাপসা দেখা কিংবা মানসিক অস্থিরতার সৃষ্টি করতে পারে। কারণ শরীরের বর্জ্য পদার্থের একটি বড় অংশ হচ্ছে ইউরিয়া। কিডনীর সমস্যার কারণে ইউরিয়া শরীর থেকে বের না হয়ে বরং রক্তে মিশে যায়। এই দূষিত রক্ত মস্তিষ্কে পৌঁছে মানসিক অস্থিরতা, ঝাপসা দেখা এই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে। যদি ইউরিয়ার পরিমাণ অত্যাধিক হয় তাহলে তা মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে, যার ফলাফলে রোগী কোমাতে পর্যন্ত চলে যেতে পারেন।
অরুচি
শরীরের বর্জ্য পদার্থের আরেকটি উপাদান হচ্ছে অ্যামোনিয়া। যদি অ্যামোনিয়া রক্তে মেশে তাহলে তা শরীরে প্রোটিন নষ্ট করে ফেলে। কিডনীর অক্ষমতায় শরীর বর্জ্য হিসেবে অ্যামোনিয়া ফিল্টার করতে পারে না। রক্তে অত্যাধিক পরিমাণের অ্যামোনিয়া মুখে অরুচি, ওজন হারানোর মত সমস্যার সৃষ্টি করে।
শরীরে ব্যথা
একটি জেনেটিক কন্ডিশনের কারণে শরীরের অভ্যন্তরে, বিশেষ করে কিডনী এবং লিভারে এক ধরনের ফ্লুইড ভর্তি সিস্ট বা গুটির সৃষ্টি হয়। এই সিস্টের মধ্যে থাকা ফ্লুইড এক ধরনের বিশেষ টক্সিন বহন করে, যা শরীরের শিরা বা ধমনী গুলোতে ক্ষতি করতে পারে। একাধিক শিরার বা ধমনীর ক্ষতি হলে তা শরীরে ব্যথা সৃষ্টি করে। এই ব্যথা সাধারণত ভোঁতা অনুভূতি, খোঁচা কিংবা জ্বলুনীর মত হতে পারে। সাধারণত এই ব্যথাগুলো শরীরের পেছনের অংশে, পায়ে কিংবা কোমরে হতে পারে।
তবে মনে রাখবেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিডনীতে সমস্যা হলে কোন ধরনের লক্ষণ দেখা যায় না। কিন্তু তাই বলে আপনি কিডনীর সমস্যা থেকে মুক্ত এমনটি ভাবার কোন কারণ নেই। সবসময় সচেতন থাকুন, কিডনীর নিয়মিত চেক আপ করুন। তাহলে কিডনীর সমস্যা নিজেকে দূরে রাখা এবং সুস্থ থাকা সম্ভব।
Share:

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions