One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Friday, July 3, 2020

কচুর দামে ও উৎপাদনে খুশি মেহেরপুরের চাষিরা

কচুর দামে ও উৎপাদনে খুশি মেহেরপুরের চাষিরা

মহাসিন আলী

মেহেরপুরের বাজারে এখন নতুন কচু। তবে আউস জাতের কচু বেশি পাওয়া গেলেও আমন কচু পুরোপুরি বাজারে আসতে কয়েক সপ্তাহ লেগে যাবে। গত কয়েক বছরের মতো এবারও ভালো উৎপাদন এবং বেশি দাম পেয়ে খুশি চাষিরা।

বাজারে আউস কচু ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আমন কচুর দাম আরও বেশি। চাষিরা আশা করছেন, এ বছরও তারা লাভবান হবে।

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের হিসাবমতে, জেলায় প্রায় ২ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে কচুর চাষ হয়েছে। সারাদেশে মেহেরপুরের কচুর চাহিদা রয়েছে।

সরেজমিন সদর উপজেলার কুলবাড়িয়া, আমদহ, পিরোজপুর, বুড়িপোতা ইউনিয়ন; গাংনী উপজেলার সাহারবাটি, কাথুলী, ধানখোলা ইউনিয়ন; মুজিবনগর উপজেলার মোনাখালী, বাগোয়ান,  মহাজনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মাঠে বহু সংখ্যক কচুরক্ষেত দেখা গেছে।

বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি থেকে আউস কচু বাজারে আসতে শুরু করে। আর কিছু দিনের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ আমন কচু বাজারে আসবে। আগাম লাগানো কিছু কচু ইতিমধ্যে বাজারে উঠেছে। সুস্বাদু হওয়ায় আমন কচুর চাহিদা বেশি। ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রিও হচ্ছে।

চাষিরা জানান, মাঘ-ফাল্গুন মাসে কচুর চাষ শুরু হয়। চার মাস পর থেকে অর্থাৎ বৈশাখ মাসের শেষের দিক থেকে আউস কচু উঠাতে পারেন চাষিরা। এর কিছু দিন পর ওঠে আমন কচু।

সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের বাবু মিয়া ৩ বিঘা ও একই গ্রামের পঁচা মোল্লা ৪ বিঘা জমিতে কচু চাষ করেছেন। তারা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর প্রতিবিঘা কচু চাষে ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর প্রতিবিঘায় ৫০ থেকে ৬০ মণ কচু হয়েছে।

বর্তমান বাজারে প্রতি মণ আউস কচু ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমন কচুরও ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন তারা। মণ দরে বিক্রির পাশাপাশি অনেক চাষি পাইকারি ব্যবসায়ীর কাছে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা বিঘা দরে ক্ষেত বিক্রি করে দিচ্ছেন।

সদর উপজেলার কামদেবপুর গ্রামের পাইকারি ব্যবসায়ী রুয়েল হোসেন। তিনি বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি থেকে কচুরক্ষেত কিনে ব্যবসা করছেন। তিনি বলেন, এ বছর তিনি ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা বিঘা দামে ক্ষেত কিনছেন। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর কচুর ফলন কিছুটা কম বলে জানান তিনি।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসরিন পারভীন বলেন, সবজি উৎপাদনখ্যাত জেলা মেহেরপুর। আর লাভজনক সবজির মধ্যে কচু অন্যতম। এতে শুধু কচু চাষি নয়, উৎপাদন এবং সরবরাহ পর্যায়ে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে। তাদের কর্মসংস্থান হয়েছে। 

জেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা স্বপন কুমার খান বলেন,  এ বছর জেলায়  ১০০ কোটি টাকার কচু উৎপাদন হতে পারে।  

ঢাকা/বকুল



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/31DHLIe
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions