One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Thursday, December 5, 2019

৪৮ বছরেও স্বীকৃতি পাননি বীরাঙ্গনা জানকী

৪৮ বছরেও স্বীকৃতি পাননি বীরাঙ্গনা জানকী

মামুন চৌধুরী

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী আমু চা বাগানের পুরান লেনের বাসিন্দা চা শ্রমিক জানকী বাড়াইক। স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে তিনি পাকিস্তানি সেনাদের পাশবিক নির্যাতনের শিকার হন। সেনা ক‌্যাম্প থেকে পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন তিনি। এরপর থেকে চা বাগানেই বাস করছেন জানকী। ৪৮ বছরেও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি না পেয়ে হতাশ এ বীরাঙ্গনা।

আমু চা বাগানে গিয়ে জানকী বাড়াইকের সঙ্গে কথা বলেন এ প্রতিবেদক। তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তারা আট ভাই-বোন ও তাদের মা-বাবা চিমটিবিল সীমান্তের কাংড়াবাড়ি এলাকায় আশ্রয় নেন। একদিন তিনি ও তার বাবা-ভাই মিলে বাড়িতে আসেন খাবার নেয়ার জন্য। এ সময় প্রায় ১২ জন পাকিস্তানি সেনা তাদের পাকড়াও করে। সেনারা তাদের চোখ বেঁধে ফেলে। এ সময় তার ভাই কৌশলে পালিয়ে গেলেও তারা পালাতে পারেননি। পাকিস্তানি সেনারা তার ওপর পাশবিক নির্যাতন শুরু করে। পরে তাদেরকে চুনারুঘাট ক্যাম্পে নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানেও সেনারা তার ওপর নির্যাতন চালায়। ২০ দিন পর গুইবিল সীমান্তে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাদের তুমুল লড়াই শুরু হয়। এ সময় ক্যাম্পে কেউ না থাকায় তিনি ও তার বাবা পালিয়ে যান। দেশ স্বাধীন হলো তারা বাড়ি ফিরে আসেন।

তিনি আরো জানান, লোকজন তাকে দেখে নানা ধরনের অপমানজনক কথা বলত। এ কারণে বিয়ে হয়নি। ইতোমধ্যে মা-বাবা, ভাই-বোনরা মারা গেছেন। বেঁচে শুধু আছেন তিনি। শারীরিকভাবে দুর্বল হওয়ায় চা বাগানের কাজ ছেড়ে দিয়েছেন। স্বজনদের সঙ্গে বসবাস করছেন। কুমারী হওয়ায় বিধবা ভাতা পাচ্ছেন না। বয়স্ক ভাতা পাওয়ার যোগ্য হওয়া সত্বেও তাকে এ ভাতা দেয়া হয় না।

জানকী বাড়াইক বলেন, লোকজনের কাছ থেকে শুনেছি, বীরাঙ্গনারা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাচ্ছেন। সাবেক এমপি কেয়া চৌধুরীর চেষ্টায় হবিগঞ্জের চা বাগানসহ বিভিন্ন এলাকার পাঁচ বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন। এ কথা শোনার পর চুনারুঘাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলে গিয়েছি। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। তাই মৃত্যুর আগে কেয়া চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই। তার সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেতে চাই। এটাই আমার শেষ ইচ্ছা।

তিনি বলেন, বিয়ে হলো না। এ কারণে আমার কোনো উত্তরাধিকারী নেই। বাকি জীবনে আমার চলার পথে কী হবে?

 

হবিগঞ্জ/মো. মামুন চৌধুরী/রফিক



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/33ZnoTv
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions