One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Thursday, December 5, 2019

সুযোগ সুবিধা না থাকায় বিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার পথে

সুযোগ সুবিধা না থাকায় বিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার পথে

জেলা প্রতিনিধি

শিক্ষকদের বেতন ও ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তির ব্যবস্থা না থাকা, অবকাঠামোর অপ্রতুলতার কারণে শিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার সরই ইউনিয়ন ধুইল্যাপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার সরই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাঁচ কিলোমিটার উত্তরে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী সিকদারের  সহযোগিতায় কৃষক সমশু মিয়ার দানকৃত .৪০ শতক জমির উপর এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।

বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানিশা আক্তার বলেন, ‘আমাদের স্কুল সরকারি না হওয়ায় আমরা উপবৃত্তিসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমাদের মা বাবা অত্যন্ত গরিব তারা আমাদের পড়া লেখার খরচ চালাতে সমস্যায় পড়ে।’

আরো জানা গেছে, প্রতিষ্ঠার ২১ বছর অতিক্রমের সঙ্গে শিক্ষার্থী বৃদ্ধি পেলেও বিদ্যালয়টিতে রয়েছে শ্রেণিকক্ষ সংকট। পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষের অভাবে ক্লাশে ছাত্র-ছাত্রীদের বসতে হচ্ছে গাদাগাদি করে। স্কুলটি বেসরকারিভাবে পরিচালিত এবং এলাকার মানুষ দরিদ্র হওয়ায় পারছে না স্কুলের সমস্যা সমাধান করতে।

শিক্ষকদের বেতন ও শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থা তো নেই। রয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব, স্যানিটেশন ব্যবস্থার সমস্যা। উপবৃত্তির টাকা না পাওয়ায় দুর্গম এলাকার দরিদ্র বাবা মায়ের স্বল্প আয়ে ছেলে-মেয়েদের লেখা পড়ার খরচ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন রাইজিংবিডিকে জানান, বিদ্যালয়ে মাত্র চারজন শিক্ষক দীর্ঘ দিন থেকে সম্পূর্ণ বিনা বেতনে, খেয়ে না খেয়ে অতি কষ্ট করে দুর্গম এলাকার কোমলমতি প্রায় ১৫০ জন শিক্ষার্থীদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরো জানান, বিদ্যালয়টি ৩য় ধাপে জাতীয়করণের জন্য ২০১৩ সালে জেলা-উপজেলার বিদ্যালয় জাতীয়করণ সংক্রান্ত কমিটির পক্ষ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সুপারিশ করা হয়। সব কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও এ বিদ্যালয় জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়ে। ফলে মানবেতর জীবনযাপন করছে শিক্ষকরা, অন্যদিকে সরকারি-সুযোগ সুবিধার অভাবে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

সরই ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের এই ধুইল্যাপাড়া গ্রামের অন্তত পাঁচ কিলোমিটারে মধ্যে কোন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় এ বিদ্যালয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকরা বিনা বেতনে শিক্ষকতা করে যাচ্ছে। তাই আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

এদিকে স্কুলটি টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সরকারিকরণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সহযোগিতা কামনা করেন এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা। 



বান্দরবান/এস বাসু দাশ/জেনিস   



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2LoxUwU
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions