One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Thursday, January 16, 2020

শীত যদি পুরো বছর থাকতো!

শীত যদি পুরো বছর থাকতো!

মোহাম্মদ মুনতাসীর মামুন

শীতকাল কারো কাছে আনন্দের আবার কারো কাছে বেদনার। বিশেষ করে বুড়ো বা প্রবীণদের কষ্টই বেশি লক্ষ করা যায়। শীতকাল যেমন শীতের জন্য কষ্ট বেশি, তেমনি আবার আগুন বা রোদ পেলে মনে হয় অনেকগুলো কষ্ট দূর হয়েছে। তবে, কষ্ট যতটাই হোক শীতকালে খাবারের প্রাচুর্যতা বেশি থাকে। ঘরে ঘরে পিঠাপুলির ধুম পড়ে।

এর মধ্যে ভাপা পিঠা, চালের রুটি, চিতই পিঠাসহ অন্য পিঠা তৈরিতে মনোযোগী হন মায়েরা। তবে, ভাপা পিঠাই প্রচলিত বেশি। এ পিঠা খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি তৈরি করতেও নেই বেশি ঝামেলা। মধ্য শীতে পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে যায় চারদিকে। আর এই ধুমটা যদি হয় গরম গরম ভাপা পিঠা খাওয়ার, তাহলে তো কোনো কথায় নেই। খেজুর গুড় দিয়ে তৈরি গরম গরম ভাপা পিঠা খুব সুস্বাদু।

আগের দিনে দাদি নানীরা রাত জেগে চাল গুঁড়া করে সেই চাল দিয়ে সকাল বেলা পিঠা বানাতেন। কুয়াশা ভেজা সেই সব সকালে ধোয়া ওঠা গরম ভাপা পিঠার কোনো তুলনা নেই। এখন শহর কিংবা গ্রামঞ্চলে ব্যস্ত জীবনে এসব করার কারো সময় হয়ে ওঠে না। তাই অনেকেই ঘরে বানানো পিঠার চেয়ে বাজারে কিনতে পাওয়া পিঠাকেই বেশি ভালো মনে করেন। শীতের সন্ধ্যায় বেশি ভিড় লক্ষ করা যায় পিঠার দোকানগুলোতে। সন্ধ্যার পর পিঠার দোকানিরা অনেকটা ব্যস্ত সময় পার করে থাকেন। সেখানে ভাপা পিঠা, সেদ্ধ ডিম, হরেক রকম ভর্তা পাওয়া যায়।

এছাড়াও যখন শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকে, তখন সকলেই সুখের ঠিকানা হিসেবে পিঠার দোকানকেই বেছে নেন। সেখানে খোশগল্প আর আগুনের ছোঁয়ায় সকলের সময় কেটে যায়।

পিঠার কারিগরদের কাছে, তাদের সম্ভাবনা, ভালো লাগা, ভালোবাসা, পিঠা বিক্রি করে তাদের জীবন কেমন চলে, এ প্রশ্ন করা হলে গলাচিপার আমেনা বেগম বলেন, ‘আমাদের জীবন অনেক কষ্টে কাটলেও আমরা পিঠা তৈরি করে অনেক সুখে জীবনযাপন করছি, প্রতিদিন নিত্য-নতুন মানুষ পেয়েও আমরা আনন্দিত। সংসারে যেমন খরচ, সে হিসেবে পিঠা বিক্রি করে জীবন চালানো অনেক কষ্টসাধ্য। আর আজকাল দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তাতে তো আমাদের না খেয়েই থাকার মতো। তবুও স্বামী সংসার নিয়ে বেঁচে আছি কোনো রকম। যদি পিঠা পুরো বছর বিক্রি করা যেত, তবে এতটা কষ্ট হতো না।’

আর দৈনিক ইনকামের কথা জানতে চাইলে বলেন, ‘প্রতিদিন হয়তো পাঁচশ বা ছয়শ। যেদিন শীত বেশি, সেদিন বিক্রি ও তত বেশি।’

আমরা ছোটবেলায় প্রতিদিন দুপুরের খাবারের পর বাবাকে পিঠা আনতে বলতাম। বাবাও পিঠা নিয়ে আসতেন, কিন্তু সেই পিঠা রাতে খেতে পারতাম না। কারণ, বাবা বাড়ি ফিরতেন অনেক রাত করে, তখন আমি ঘুমিয়ে থাকতাম। তাই, সেই পিঠা প্রতিদিন সকালে খেতে হতো। রাতে যখন বাবা পিঠা নিয়ে আসতে দেরি করতেন, তখন তার উপর অনেক অভিমান করে ঘুমিয়ে যেতাম। আবার যখন সকালবেলা পিঠা পেতাম, তখন সব অভিমান ভুলে বাবাকে জড়িয়ে নিতাম।’

লেখক: শিক্ষার্থী, আলিম প্রথম বর্ষ, কালারাজা হাট হোসাইনিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা, পটুয়াখালী।


গলাচিপা/হাকিম মাহি



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/373q70a
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions