One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Wednesday, January 1, 2020

এসির আগুনে দগ্ধ তরুণের মৃত্যু

রাজধানীর বাড্ডায় আফতাবনগরের একটি বাসায় এসি থেকে লাগা আগুনে দগ্ধ হয়ে স্বপ্নীল আহমেদ পিয়াস (২৪) নামে একজন তরুণের মৃত্যু হয়েছে। বাসার দশম তলায় বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।  স্বজন ও পুলিশের বরাত দিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, নিহত স্বপ্নীল আহমেদ পিয়াস বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স... বিস্তারিত



from Bangla Tribune https://ift.tt/2ZGFOHO
Share:

ঢাকা-১০ উপনির্বাচন: হিসাব কষছে বিএনপি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে মেয়রপ্রার্থী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের ছেড়ে দেওয়া শূন্য আসনে (ঢাকা-১০) উপনির্বাচনের অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র হিসাব কষছে বিএনপি। দলটির নীতি-নির্ধারকরা এই আসনের উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না করলেও আগ্রহী প্রার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীরা ভাবছেন সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে। দলটির একাধিক নির্ভরযোগ্য নেতার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে। বিএনপি... বিস্তারিত



from Bangla Tribune https://ift.tt/2sGsVS1
Share:

রান উৎসব হবে সিলেটেও, ভাবনায় শিশির

রান উৎসব হবে সিলেটেও, ভাবনায় শিশির

সিলেট থেকে ইয়াসিন হাসান

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ছয়টি ম্যাচ হবে। 

নতুন বছরের শুরুতেই উৎসবে মাততে যাচ্ছে সিলেট। ক্রিকেট ফিরেছে তাদের শহরে। সিলেটবাসীর জন্য এ যেন দ্বিগুণ আনন্দ। তবে বিপিএলকে তারা কতটা আপন করে নিতে পারে, সেই পরীক্ষা আগামী তিন দিন তাদের দিতে হচ্ছে।

বিপিএলে এখন পর্যন্ত গ্যালারি ভরেনি কোনো ম্যাচে। ঢাকায় কিংবা চট্টগ্রামে দর্শক খরায় ভুগেছে বিপিএল। এবার সিলেটে তিন দিনে ছয়টি ম্যাচ হবে। গ্যালারি ভরবে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন। কারণ সিলেটে এখন পর্যন্ত বিপিএল উন্মাদনা চোখে পড়েনি। নেই টিকিট নিয়ে হাহাকার। নেই কোনো কাড়াকাড়ি।

আজই মাঠে নামতে যাচ্ছে সিলেট থান্ডার। অথচ স্বাগতিক দল নিয়ে কোনো আগ্রহ নেই স্থানীয়দের। এর বড় কারণ মাঠের পারফরম্যান্স। আট ম্যাচে মাত্র একটিতে জয় তাদের। শেষ চারে যাওয়া হচ্ছে না। তাই এখানে তিন ম্যাচ থাকলেও সিলেট থান্ডারকে নিয়ে কোনো মাতামাতি নেই।

সিলেট থান্ডার শহরের জিন্দাবাজার পয়েন্টের হোটেল নিরভানা ইনে উঠেছে। এর আগে এখানে সিলেট সিক্সার্স, রাজশাহী কিংসও ছিল। হোটেল কর্তৃপক্ষ অতিথিদের বরণ করে নিতে ব্যানার, ফেস্টুন দিয়ে আশপাশ ছড়িয়ে দেয়। অথচ এবার তেমন কিছুই নেই।

কারণ ওই পারফরম্যান্সই। আবার বড় তারকা না থাকাকেও বড় কারণ হিসেবে মনে করছেন অনেকে। গ্যালারিতে দর্শক আসুক আর না-ই আসুক, মাঠে রান উৎসব হবে; এমন নিশ্চয়তা দিয়ে রেখেছেন সিলেটের ভেন্যু ম্যানেজার জয়দেব।

সম্প্রতি সিলেটের মাঠ সংস্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। পুরোনো ঘাস তুলে নতুন করে ঘাস লাগানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনা এ ঘাসগুলোর চারা বেশ নরম, কিন্তু মজবুত। ৯০ দিন হলো ঘাসগুলো লাগানো হয়েছে। তাই আউটফিল্ড কিছুটা মন্থর। তবে উইকেট নিয়ে কোনো চিন্তা নেই আয়োজকদের।

এখানকার মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর ফরহাদ খোরেশি রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আমরা এপ্রিল থেকে মাঠে কাজ শুরু করি। ধারাবাহিকভাবে কাজ এগিয়ে যায়। মাঠ উচুঁ করা হয়েছে। ড্রেনেজ সিস্টেম ভালো করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঘাসের চারা এনে লাগানো হয়েছে। এগুলোকে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার নাম দেওয়া হয়েছে। ৯০ দিন হলো ঘাস লাগানো হয়েছে। সেগুলো কাটার সময় এখনো আসেনি। তাই আাউটফিল্ড মন্থর হবে। তবে যে কয়েকটি উইকেটে খেলা হবে, সেগুলোতে রান হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে যেমন রান হয়েছে, এখানেও রান হবে। মোট ৯টি উইকেট আছে। সেগুলো প্রতিনিয়ত পরিচর্যায় রাখা হচ্ছে।’

ভাবনায় আছে শিশিরও। সন্ধ্যার পর প্রতিদিনই আছে ম্যাচ। পাহাড় ঘিরে রেখেছে সিলেট স্টেডিয়ামকে। আশপাশে সব চা-বাগান। সন্ধ্যা ৬টা বা সাড়ে ৬টা থেকে শিশির প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

তাদের দাবি, সন্ধ্যার ম্যাচগুলোতে শিশির প্রভাব রাখবে। কারণ গত কয়েকদিন এখানে প্রচুর শিশির পড়েছে। সামনেও এর ধারাবাহিকতা থাকবে। তাই ম্যাচের মজা অনেকটা নষ্ট করতে পারে শিশির। তবে আয়োজকরা বসে নেই। মাঠ শুকানোর কাজে স্থায়ী ২০ গ্রাউন্ডসম্যানের পাশাপাশি আরও ১৫ জন গ্রাউন্ডসম্যান নিয়েছেন তারা।

সিলেট পর্বে তিন দিনে ছয়টি ম্যাচ থাকলেও প্রতিটি ম্যাচ বেশ গুরুত্বের। প্লে-অফের চার দল নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে এখানেই। সেরা চারে কারা থাকবে, কারা লড়াই থেকে ছিটকে যাবে, কারা শীর্ষে থাকবে; সব নিশ্চিত হতে পারে নয়নাভিরাম এ স্টেডিয়ামে।

 

সিলেট/ইয়াসিন/পরাগ



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2QAB42o
Share:

আলোচিত পাঁচ ওয়েব সিরিজ

আলোচিত পাঁচ ওয়েব সিরিজ

বিনোদন ডেস্ক

মুঠোফোন কিংবা ট্যাব। আর সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগ হলেই যেন গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়। বর্তমানে বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম প্রেক্ষাগৃহ নয়। ইন্টারনেটযুক্ত মুঠোফোনও এখন বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। কারণ অন্তর্জালে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম। ওয়েব প্ল্যাটফর্মের সূচনা খুব আগে না হলেও ওয়েব সিরিজ মানুষের মনে ভালো সাড়া ফেলেছে।

নতুন বছরে কলকাতার অনেক ওয়েব সিরিজ মুক্তি পাবে। তবে বেশ কয়েকটি ওয়েব সিরিজ এরই মধ্যে চমক তৈরি করেছে। উঠে এসেছে আলোচনায়। যাতে থ্রিলার-রোমান্স ও অ্যাডভেঞ্চার রয়েছে। চলতি বছর মুক্তিপ্রতীক্ষিত এমন পাঁচ ওয়েব সিরিজ নিয়ে সাজানো হয়েছে এই প্রতিবেদন।

ফেলুদা ফেরত

পরিচালক সৃজিত মুখার্জি প্রথমবার নির্মাণ করছেন ওয়েব সিরিজ ‘ফেলুদা ফেরত’। এর মাধ্যমে অনেক দিনের লালিত স্বপ পূরণ হতে যাচ্ছে তার। এর নেপথ্যে সুরিন্দর ফিল্মসের ওয়েব চ্যানেল আড্ডা টাইমস। আর বাঙালি পাচ্ছেন নতুন ফেলুদাকে। ফেলু মিত্তিরের ভূমিকায় অভিনয় করছেন টোটা রায় চৌধুরী। তোপসে চরিত্রটি রূপায়ন করছেন কল্পন মিত্র নামে একেবারে নতুন মুখ। ‘ছিন্নমস্তা’ এবং ‘যত কাণ্ড কাঠমান্ডুতে’ গল্প দু’টি নিয়ে তৈরি হচ্ছে এই ওয়েব সিরিজ। ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার গোরুমারা জাতীয় উদ্যান এলাকায় ওয়েব সিরিজটির শুটিং শুরু হয়েছে। ওয়েব সিরিজটির ফার্স্টলুক প্রকাশের পর প্রশংসায় ভাসছেন পরিচালক সৃজিত।

ব্যোমকেশ সিজন ৫

অনির্বাণ ভট্টাচার্য আবারো আসছেন সত্যান্বেষীর ভূমিকায়। স্ত্রী সত্যবতীর চরিত্রে দেখা যাবে ঋদ্ধিমাকে। আর ব্যোমকেশের ছায়াসঙ্গী অজিতের ভূমিকায় থাকবেন সুপ্রভাত। এসভিএফ প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে ব্যোমকেশ সিজন ৫-এর পরিচালনা করছেন সৌমিক চ্যাটার্জি। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘দুষ্টচক্র’ এবং ‘খুঁজি খুঁজি নারী’ নিয়ে তৈরি হচ্ছে এবারের ব্যোমকেশ ওয়েব সিরিজ। আপাতত শুটিংও চলছে জোরকদমে। প্রকাশিত টিজারে উন্মাদনার পারদ চড়েছে। এবার অপেক্ষা মুক্তির।

হেড কোয়াটার্স লালবাজার

কলকাতার লালবাজার পুলিশের কর্মকাণ্ডের উপর ভিত্তি করে তৈরি হচ্ছে ওয়েব সিরিজ ‘হেড কোয়াটার্স লালবাজার’। এটি পরিচালনা করছেন সায়ন্তন ঘোষাল। মুক্তি পাবে জিফাইভ প্রিমিয়ারে। এতে অভিনয় করছেন—সব্যসাচী চক্রবর্তী, কৌশিক সেন, সৌরসেনী মৈত্র, বিদীপ্তা চক্রবর্তী, গৌরব চক্রবর্তী, দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য, সুপ্রিয় দত্ত, স্বাগতা মুখার্জি, শ্রীদীপ চ্যাটার্জি।

জাজমেন্ট ডে

‘জাজমেন্ট ডে’ থ্রিলার ঘরানার একটি ওয়েব সিরিজ। প্রকাশ পেয়েছে এর টিজার। সিরিজটির পরতে পরতে রোমাঞ্চ লুকিয়ে আছে তা প্রকাশিত টিজারেই ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এটি পরিচালনা করছেন অয়ন চক্রবর্তী। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন সোহিনী সরকার, মধুমিতা সরকার এবং মৈনাক ব্যানার্জি। এতে মধুমিতা একজন রক গায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন। তার বোনের চরিত্রে দেখা যাবে সোহিনী সরকারকে। সে পেশায় একজন আইনজীবী। এর প্রথম সিজনে মোট ৯টি এপিসোড রয়েছে।

কর্কট রোগ

ভারতের মেডিক‍্যাল স্ক‍্যাম নিয়ে তৈরি হচ্ছে ‘কর্কট রোগ’। থ্রিলার ঘরানার এই সিরিজে এক ধরনের অসাধু চক্র সমাজের ক্ষতি করছে, মানুষের চিন্তা ভাবনার স্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, সেটাই তুলে ধরতে চেয়েছেন পরিচালক উৎসব মুখার্জি। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন—চিত্রাঙ্গদা চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, রাজেশ শর্মা। এছাড়াও রয়েছেন চান্দ্রেয়ী ঘোষ, জুন মালিয়া, জয়ন্ত কৃপালিনী। জি ফাইভে মুক্তি পাবে এটি।



ঢাকা/শান্ত



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2QjJqN7
Share:

শিরিনের একটি স্বপ্ন আছে

শিরিনের একটি স্বপ্ন আছে

ইকরামুল হাসান শাকিল

‘সিলেটে বি-নেগেটিভ কেউ আছেন? চা শ্রমিক খুব অসহায়’, ‘ঢাকা শ্যামলীর আশেপাশে এ-পজেটিভ রক্তের কেউ আছেন, আগামীকাল সকাল ৮ টায় একজন বাবার বাইপাস হবে’, ‘প্রতি মাসে ১৮০০ টাকার ওষুধ লাগবে। কেউ সাহায্য করবেন প্লিজ’, ‘নরমাল ডেলিভারি মেয়ে বাচ্চা, ওজন ২.৯ কেজি। মা ও বাচ্চা ভালো আছে।’ 

প্রতিদিন সহযোগিতা চেয়ে এমন লেখা তার ফেইসবুক পোস্টে দেখা যায়। দেখি এবং অনুপ্রাণিত হই। শুধু আমি নই, আমার মতো হাজারো মানুষ। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে এগিয়েও আসেন অনেকে। রক্ত দিয়ে, অর্থ দিয়ে, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়ে মানুষ সহযোগিতা করেন তাকে। জানতে ইচ্ছে করে- কে তিনি?

মানুষটি সানজানা শিরিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে সবাই তাকে ‘সান জানা সাঞ্জু’ নামে চেনেন। পেশায় মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট।  মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানায় ৫০ শয্যাবিশিষ্ট ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন পরিচালিত হাসপাতালে কাজ করছেন সানজানা। ১৭টি চা বাগানের শুধু চা শ্রমিকদের চিকিৎসার জন্য কাজ করে এই হাসপাতাল।

মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলে (ম্যাটস) পড়ালেখার সময় থেকেই সানজানা নিজে রক্তদান শুরু করেন। যখনই কারো রক্তের প্রয়োজন হয় তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। অসুস্থ রোগীর পাশে দাঁড়ান। তিনি যে শুধু ফেইসবুকে পোস্ট করেই বসে থাকেন তা নয়। পরিচিত মানুষদের ফোন করেন যাদের রক্তের গ্রুপ জানা আছে। তার এই নিরলস প্রচেষ্টায় অসংখ্য মুমূর্ষু রোগী রক্ত পেয়ে সুস্থ হয়েছেন।

রক্তের আহ্বানে যেমন তিনি সাড়া পান, তেমনি কখনো কখনো নিরাশও হন। তখন তার এমন পোস্টও চোখে পড়ে: ‘বি-নেগেটিভ ব্লাড চাইছিলাম, লাগবে না। বাচ্চাটা মারা গেসে।’ অথবা ‘অসহায় পিতার জীবিত বাচ্চার মুখ দেখা হয়নি। রক্ত কেনার টাকা যোগাড় করতে পারেননি বলে।’

শিরিন বলেন, ‘মানব সেবা অন্যের দেখাদেখি হয় না। ইচ্ছেটা ভেতর থেকে আসতে হয়।’ রোগীর সেবা করাই সানজানার কাজ। তাই পেশাগত দায়িত্বের বাইরে নিজেই কাঁধে তুলে নিয়েছেন মানব সেবার এই বাড়তি দায়িত্ব। নানান সীমাবদ্ধতার কারণে শুরুর দিকে শিরিনের পথ ছিল অনেক কষ্টের। বাস্তবতার সঙ্গে রীতিমতো যুদ্ধ করে পড়াশোনা করতে হয়েছে। মাধ্যমিক শেষ করে হবিগঞ্জের বৃন্দাবন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন। এরপর ভর্তি হন ম্যাটস-এ। সেখান থেকে পাস করে বিভিন্ন ক্লিনিকে কাজ করেছেন কিছুদিন।

শিরিনের বাড়তি দায়িত্ব নেয়ার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই। শিরিন বলেন, ‘মা-বাবা কেউ পড়াশোনা করেননি। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না। আমরা সাত ভাইবোন। তাই দারিদ্র্যের সঙ্গে খুব ভালোভাবে পরিচিত। তারপরও আমরা চেয়েছি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে। থেমে থাকিনি।’

স্বল্প বেতনের চাকরি থেকে মাস শেষে যা আয় হয়, তা দিয়ে নিজে চলেন এবং পরিবারকে সহযোগিতা করেন। আর রক্ত নিয়ে কাজ তো আছেই। রক্ত দিতে মানুষকে উৎসাহিত করেন সবসময়। ফেইসবুক লাইভে এসে ‘রক্ত দানে ক্ষতি নেই বরং অন্যের উপকার’ বোঝাতে চেষ্টা করেন। শিরিন ৪৮৪ জন মায়ের স্বাভাবিক সন্তান প্রসবের কাজে সহযোগিতা করেছেন। এত অল্প বয়সে এতগুলো নারীর স্বভাবিক প্রসব আর কেউ করাতে পেরেছেন কিনা আমার জানা নেই। শিরিন বলেন, ‘দরিদ্র রোগীরা যখন বিনামূল্যে রক্ত পেয়ে সুস্থ হয়ে ওঠেন, বিপদে আপদে সহযোগিতা পান তখন তাদের হাসিমুখ আমার মনে প্রশান্তি এনে দেয়।’

শিরিন আন্তরিকভাবেই রোগীদের সেবা করেন। রোগী চলে যাওয়ার পরেও খোঁজ-খবর রাখেন। ‘আগুনে পোড়া এক রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার পোড়ার ক্ষত ভয়াবহ। প্রতিদিন তাকে পরিচর্যা করছি। এখন অনেকটাই ভালোর দিকে। তার পরিবার এসময় তাকে ভালো খাবার দিতে পারছে না। আমি প্রতিদিন ডিম, কমলা নিয়ে গিয়ে খাওয়াচ্ছি।’ শিরিন বলেন, ‘এতেই আমার তৃপ্তি।’

শিরিনের স্বপ্ন একটা বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করা। তিনি বলেন, ‘আমি এক বাচ্চাকে আমার বাসায় রেখে পড়ালেখা করাচ্ছি। তার সব খরচ বহন করছি। একজন অসহায়কে ঘর বানিয়ে দিয়েছি। এখন আমার ইচ্ছে একটি বৃদ্ধাশ্রম করা। অনেক টাকা প্রয়োজন। যদি কোনো সহৃদয়বান মানুষ আমাকে সাহায্য করে তাহলেই স্বপ্নটি পূরণ হবে।’

শিরিন আমৃত্যু গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের পাশে থাকতে চান। এ কারণেই তিনি চান তার স্বপ্ন পূরণ হোক। আমরা যারা ব্যক্তিগত স্বপ্ন পূরণে বিভোর তারা কি পারি না শিরিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে?  

 

ঢাকা/তারা



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2ZFvdNu
Share:

জীবন সংগ্রামে হার না মানা রাবেয়া

জীবন সংগ্রামে হার না মানা রাবেয়া

শাহীন রহমান

পাবনার চাটমোহর উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়নের পৈলানপুন গ্রামের সত্তরোর্ধ্ব রাবেয়া খাতুন। জীবন সংগ্রামে হার না মানা এক মানুষ। তিনি আজীবন পরিশ্রম করে আত্মনির্ভরশীল হয়েছেন। ৩০ বছর ধরে ডিম বিক্রি করায় যিনি সবার কাছে পরিচিত ‘ডিম দাদি’ নামে।

সাত মাসের গর্ভবর্তী থাকা অবস্থায় স্বামী তাকে ছেড়ে চলে যায়। সেখান থেকে কখনো পা্উরুটি, কখনো ডিম বিক্রি করে দুই সন্তানকে মানুষ করে বিয়ে দিয়েছেন। জমি কিনে বাড়ি করেছেন, কিছু জমি লিজ নিয়েছেন। কারো কাছে হাত পাততে হয়নি তাকে।

রাবেয়া খাতুনের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, ছোট বয়সে বিয়ে দিয়েছিলেন বাবা-মা। স্বামী আলিমুদ্দিন কৃষিকাজ করে যা উপার্জন করতেন; তাই দিয়ে সুখে কাটছিল তাদের দিন। বিয়ের বছর খানেকের মাথায় রাবেয়া খাতুন জন্ম দেন কন্যা সন্তানের। নাম রাখেন আজিরন খাতুন। এর কয়েক মাস পর আবার গর্ভবর্তী হন তিনি। সংসারের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে মতের অমিল হওয়ায় স্বামী আলিমুদ্দিন তাকে ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। এরপর ভূমিষ্ঠ হয় ছেলে সন্তান। নাম রাখেন ফরহাদ হোসেন।

স্বামী ছেড়ে যাওয়ায় দুই সন্তানকে নিয়ে সংসার চালাতে দিশেহারা হয়ে পড়েন রাবেয়া। গ্রামে ঘুরে ঘুরে শুরু করেন পাউরুটি বিক্রি। অনেক কষ্টে ছেলে-মেয়েকে বড় করে তোলার পর বিয়ে দেন। ভেবেছিলেন শেষ বয়সে একমাত্র ছেলে তাকে দেখেশুনে রাখবে। কিন্তু সেই আশাও পূরণ হয়নি তার। ছেলে বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকা শহরে পাড়ি জমান। খোঁজ রাখেন না মায়ের! যে সন্তানকে তিলে তিলে বড় করে তুলেছেন; সেই সন্তানের কাছে ঠাঁই না পেয়ে বাধ্য হয়ে আবার নেমে পড়েন রাস্তায়।

হাসিনুর রহমান নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি রাবেয়া খাতুনকে একশত টাকা ধার দেন। সেই ধারের টাকা দিয়ে গ্রামেগঞ্জে ঘুরে ঘুরে দেশি হাঁস-মুরগির ডিম কিনে শহরে বিক্রি করা শুরু করেন। দীর্ঘ ৩০ বছরেরও অধিক সময় ধরে খালি পায়ে হেঁটে পৌর শহরের অলিগোলি ঘুরে ঘুরে ডিম বিক্রি করে আসছেন রাবেয়া। ডিম বিক্রির টাকা দিয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি পাঁচ শতক জমি কিনেছেন। কয়েক শতক জমিও লিজ রেখেছেন। সবাই তাকে এখন ‘ডিম দাদি’ নামে চেনেন।

গত রোববার সকালে দেখা যায়, হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় কোলে একটা ঝুড়িতে কিছু সংখ্যক দেশি হাঁস ও মুরগির ডিম নিয়ে শহরে ঘুরে ঘুরে তা বিক্রি করছেন। রাবেয়া খাতুন জানান, তিনি সবসময় খালি পায়ে হেঁটে চলাফেরা করেন। কোনো গাড়িতে চড়েন না। সপ্তাহে চারদিন বিভিন্ন গ্রাম থেকে ডিম কেনেন; বাকি দিনগুলো শহরে এসে বিক্রি করেন।

তিনি জানান, ৩৫ টাকা হালি ডিম কিনে বিক্রি করেন ৪০ টাকা দরে। গড়ে একদিনে ৫০ হালি ডিম বিক্রি করেন তিনি। সপ্তাহে ৭০০-৮০০ টাকা লাভ হয়। মাঝে মধ্যে ডিম ফেটে গেলে বা পচা বের হলে তাকে খেসারত দিতে হয়।

রাবেয়া খাতুনের আক্ষেপ একটাই, ছেলের কাছে ঠাঁই হয়নি তার; খোঁজ রাখেন না মেয়েও। তার এখন আর কোনো স্বপ্ন নেই।  জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি যেন কর্মের মধ্য দিয়ে পার করতে পারেন- এমন আশা তার।

গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জানান, রাবেয়া খাতুনের মতো জীবন-সংগ্রামী মানুষ সমাজে দৃষ্টান্ত। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘‘এমন মায়ের জন্য সন্তানদের গর্ব করা উচিত। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, তার সন্তানরা তাকে খোঁজ পর্যন্ত করেন না।’’



ঢাকা/বকুল



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2QzqybI
Share:

টিভিতে আজকের খেলা

টিভিতে আজকের খেলা

ক্রীড়া ডেস্ক

ক্রিকেট

বঙ্গবন্ধু বিপিএল

রাজশাহী রয়্যালস-রংপুর রেঞ্জার্স

সরাসরি, দুপুর ১-৩০ মিনিট

গাজী টিভি ও মাছরাঙা

 

সিলেট থান্ডার-কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স

সরাসরি, সন্ধ্যা ৬-৩০ মিনিট

গাজী টিভি ও মাছরাঙা

 

ফুটবল

ফেডারেশন কাপ, সেমিফাইনাল

সরাসরি, বিকেল ৪টা, বাংলা টিভি

 

প্রিমিয়ার লিগ

লিভারপুল-শেফিল্ড ইউনাইটেড

সরাসরি, রাত ২টা

স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ওয়ান

 

ঢাকা/পরাগ



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2u8vZGZ
Share:

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions