One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Wednesday, July 1, 2020

অনিল বাগচীর একদিন – হুমায়ূন আহমেদ (কাহিনী সংক্ষেপ)

বইয়ের নাম : অনিল বাগচীর একদিন
লেখক : হুমায়ূন আহমেদ

https://i.imgur.com/QxyT1NQh.jpg

পাঠকদের মনে রাখতে হবে আমার লেখা অন্যসব কাহিনী সংক্ষেপের মতো এই কাহিনী সংক্ষেপটিও স্পয়লার দোষে দুষ্ট। এই কাহিনী সংক্ষেপে সম্পূর্ণ উপন্যাসের মূল কাহিনীর ধারাবাহিক বর্ননা করা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাই এখানে উল্লেখ আছে। যেহেতু আমার কাহিনী সংক্ষেপ স্পয়লার দোষে দুষ্ট হয়, তাই আমি সবসময় অনেক দিনের পুরনো বইয়ের কাহিনী সংক্ষেপ লিখি।
====================================================================

কাহিনী সংক্ষেপ :

অনিল বাগচী খুবই ভীতুও ধরনের হিন্দু যুবক। সেই ছোটবেলা থেকে সে অসম্ভব রকমের অস্বাভাবিক ভয় নিয়ে বেড়ে উঠেছে।

সময়টা ১৯৭১ সালের মুক্তি যুদ্ধের সময়। অনিল ঢাকাতে থেকে একটি চাকরি করে। একটি মেসে সে একা একা থাকে। তার বাবা ও বড় বোন থাকে গ্রামে। তার বাবা একটি স্কুলে মাস্টারী করতেন। এখন রিটার্য়াড করেছেন।

একদিন একটি ছেলে গ্রাম থেকে আসে চিঠি নিয়ে অনিলের জন্য। অনিলকে না পেয়ে অনিলের পাশের কামরায় চিঠিটি দিয়ে যায়। চিঠিতে জানা যায় অনিলের বাবাকে পাকিস্তানী মিলিটারিরা গুলি করে মেরে ফেলেছে। তার বড় বোন আছেন স্কুলের হেডমাস্টারের বাড়িতে। একথা জানার পর অনিল তার অফিসে যেয়ে বসের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে রওনা হয়ে যায় বাড়ির পথে।

যুদ্ধের সেই সময় সমস্ত রাস্তাজুড়ে পাকিস্তানী মিলিটারিরা চেক করছে। যাদের সামান্য সন্দেহ আছে তাদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে হিন্দু আর যুবকদের ছাড়ছে না। তবুও সবকিছু তুচ্ছ করে অনিল তার গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য বাসে উঠে। রাস্তার মধ্যেই চেকিং হয় এবং তাকে পাকিস্তানী মিলিটারিরা আটকে রাখে। জোৎসনা রাতে পাকিস্তানী মিলিটারি হানাদার বাহিনী অনিলকে নিয়ে যায় নদীর ধারে গুলি করে মারবে বলে। কিন্তু অনিল বাগচী সামান্যতম ভয়ও সেদিন পায়নি।

12 minutes and 29 seconds after:

আমার লেখা অন্যান্য কাহিনী সংক্ষেপ সমূহ:
হুমায়ূন আহমেদ
১৯৭১
অচিনপুর
অয়োময়
অনিল বাগচীর একদিন
অদ্ভুত সব গল্প
অনীশ
অন্যদিন
অন্যভুবন
আজ আমি কোথাও যাব না
আজ চিত্রার বিয়ে
আজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রণ
গৌরীপুর জংশন
হরতন ইশকাপন

সমরেশ মজুমদারসমরেশ মজুমদার
আট কুঠুরি নয় দরজা

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ভয়ংকর সুন্দর
মিশর রহস্য
খালি জাহাজের রহস্য
ভূপাল রহস্য
পাহাড় চূড়ায় আতঙ্ক
সবুজ দ্বীপের রাজা

অন্যান্য
তিতাস একটি নদীর নাম - অদ্বৈত মল্লবর্মণ



আমার লেখা অন্যান্য এপিগ্রাম সমূহ:
হুমায়ূন আহমেদ
১৯৭১
অচিনপুর
অয়োময়
অদ্ভুত সব গল্প
অনীশ
অন্যভুবন
আজ চিত্রার বিয়ে
আজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রণ
গৌরীপুর জংশন
হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী


সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ভয়ংকর সুন্দর
পাহাড় চূড়ায় আতঙ্ক

অন্যান্য
দেওয়ানে বু-আলী শাহ্ কালান্দার
তিতাস একটি নদীর নাম - অদ্বৈত মল্লবর্মণ

অনুবাদ
মর্নিং স্টার
ক্লিওপেট্রা
কালো বিড়াল - খসরু চৌধুরী
অ্যাম্পেয়ার অব দ্য মোঘল : রাইডারস ফ্রম দ্য নর্থ



from প্রজন্ম ফোরাম https://ift.tt/2VzwoNL
Share:

নিষিদ্ধ টিকটক, কী ভাবছেন নুসরাত-মিমি

নিষিদ্ধ টিকটক, কী ভাবছেন নুসরাত-মিমি

বিনোদন ডেস্ক

ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় গত ২৯ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করে টিকটক সহ কমপক্ষে ৫৯টি চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে। ভারতীয় মোবাইল এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ভারতের শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকা টিকটিক অ্যাপে সক্রিয়। অনেকে এখান থেকে মোটা অঙ্কের অর্থও আয় করে থাকেন।

টলিউড অভিনেত্রী ও তৃণমূল সাংসদ নুসরাত জাহানও বড় পর্দার মতো টিকটকে জনপ্রিয়। ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময় টিকটকে যুক্ত হন তিনি। তারপর বাড়তে থাকে তার অনুসারীর সংখ্যা। গতকাল পর্যন্ত নুসরাতের অনুসারী সংখ্যা ১৪ লাখ। টিকটক বন্ধের বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এ অভিনেত্রী।

নুসরাত জাহান বলেন—ভক্তদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার একটি মাধ্যম টিকটক। দেশের স্বার্থে যদি এই অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়, সে ক্ষেত্রে আমার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

তবে যারা চীনা পণ্য আমদানি-রপ্তানি করে থাকেন তাদের কী হবে—এই প্রশ্ন তুলেছেন নুসরাত। তার ভাষায়—যেসব মানুষ চীন থেকে দ্রব্য আমদানি করেন তাদের কী হবে? এই দুঃসময়ে কি তারা কাজ হারাবেন?

তবে নুসরাত ভক্তদের মন খারাপের কিছু নেই। কারণ তিনি কথা দিয়েছেন—টিকটক বন্ধ হলেও ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের সঙ্গে ভালোবাসা ভাগ করে নেবেন।

টিকটকে নুসরাত জাহান যতটা সক্রিয় ছিলেন, ততটা ছিলেন না আরেক অভিনেত্রী ও তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। মাঝে মধ্যে টিকটকে ভিডিও নিয়ে হাজির হতেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে মিমি চক্রবর্তী বলেন—ইউটিউবে নিজের নামে চ্যানেল খুলেছি। আমি একজন পারফর্মার। আমার কাছে সব প্ল্যাটফর্মই সমান। তাই মাঝে মাঝে টিকটকে ভিডিও পোস্ট করতাম। দেশের জন্য কাল যদি আরো চারটি অ্যাপ বন্ধ হয় তাতেও আমার কোনো অসুবিধা নেই।

টিকটক চ্যালেঞ্জে অংশ নিতে গিয়ে অনেকের প্রাণহানি হয়েছে। তা জানিয়ে মিমি চক্রবর্তী বলেন—যে অ্যাপ মানুষের ক্ষতি করেছে তা চীনের হোক বা ভারতের, সেটা বন্ধ হওয়াই কাম্য।

 

ঢাকা/শান্ত



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/38gcn3L
Share:

Tuesday, June 30, 2020

উদয় হাকিমের উপস্থাপনায় লাইভ শো ‘ত্রিবেণী’

উদয় হাকিমের উপস্থাপনায় লাইভ শো ‘ত্রিবেণী’

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাংবাদিক ও করপোরেট ব্যক্তিত্ব উদয় হাকিমের উপস্থাপনায় শুরু হচ্ছে নতুন লাইভ শো ‘ত্রিবেণী’।  দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নিউজ পোর্টাল রাইজিংবিডি ডটকমে নিয়মিত প্রচার হবে ব্যতিক্রমী এই আয়োজন।  গান, কথা আর কবিতা হচ্ছে এ অনুষ্ঠানের উপজীব্য।

রাইজিংবিডি ডটকমের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ অথবা ফেসবুক প্রিমিয়ার হিসেবে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারিত হবে।

প্রসঙ্গত বিনোদন, শিল্প-সাহিত্য, খেলাধুলা, করপোরেট ও প্রযুক্তিক্ষেত্রে তারকা ব্যক্তিত্বদের নিয়ে নিয়মিত লাইভ শো’র আয়োজন করছে পোর্টালটি।  উদয় হাকিম এ সংবাদমাধ্যমটির উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।  করোনা দুর্যোগের সময় দর্শক-শ্রোতা ও পাঠকদের বিনোদনের জন্য এ আয়োজন ত্রিবেণী।

আজ বুধবার (১ জুলাই) রাত ১০টায় প্রচারিত হবে ত্রিবেণীর প্রথম পর্ব।  এতে অতিথি হিসেবে থাকছেন টাঙ্গাইলের শিল্পী সবুজ বাঙালি।

উদয় হাকিম বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান শিল্পীদের নিয়ে রাইজিংবিডির এই বিশেষ আয়োজন ত্রিবেণী।  এখানে যেমন তারকা শিল্পীরা থাকবেন, তেমনি থাকবেন প্রতিভাবান নবীণরাও।  নবীণ-প্রবীণের মেলবন্ধন হবে এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

সরাসরি রাইজিংবিডির স্টুডিওতে অথবা অনলাইনে যারা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আগ্রহী তারা যোগাযোগ করতে পারেন এই ইমেইলে sahitto.risingbd@gmail.com।  অনুষ্ঠানটি লাইভ দেখা যাবে https://www.facebook.com/DailyrisingbdOnlineNEWS/ এই পেজে।

 

ঢাকা/সাইফ



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/3dJ6VaI
Share:

সম্ভাব্য অনিশ্চিত

সম্ভাব্য অনিশ্চিত

আসমা উল হুসনা নাঈমী

ঠিক বসন্তের মাঝামাঝি

এই চৈতালী হাওয়ায়,

দিগন্ত বিস্তৃত হলদে মাঠ আর আলো ঝলমলে কচি পাতার ঝিকমিকে দুপুরে,

একমনে ভেবে যাচ্ছি,

তেমন কিছু কি হবে আমাদের?

এভাবেই হেসে খেলে, ঝগড়ায় আর অভিমানে টিকে থাকব আমরা,

ঠিক যেমনটা চলছে।

 

শীতের শেষে শুকনো পাতার মড়মড়ে বিকেলটা এমনই থাকবে,

আসছে শরৎে এভাবেই কাশফুলগুলো হাওয়ায় লুটোপুটি খাবে,

উদাস কিশোর ঠিক এমন করেই মোহিত দৃষ্টি হানবে এই শুভ্রতার সৌন্দর্যে,

কিংবা আগামী পূর্ণিমায়! চাঁদটা হবে আরো গোল,

সুকান্তের অতৃপ্ত ক্ষুধার ঝলসানো রুটির ন্যায়!

 

প্রাণবন্ত অসুখ আরও মৃত্যুর হাহাকার?

বালাই ষাট! আমাদের কাছে ঘেঁষবেনা কখনো,

তারা চিরকালই টিভি আর সকালের ধোঁয়া ওঠা গরম কাগজই সীমাবদ্ধ যে!

আমরা তাদের এভাবেই উড়িয়ে দেব হাসিতে-ঠাট্টায়,

 

আমরাই দূর থেকে নিরাপদ দর্শকের বেশে টলমল চোখে হিসেব কষতে বসব,

এশিয়া ছাড়িয়ে ইউরোপে বা আমেরিকায়

সে কতটা তাণ্ডব চালালো!

 

আবারও স্কুল-কলেজে অ্যাসেম্বলি শুরু হবে,

ইউনিভার্সিটির বন্ধুরা মিলে আড্ডা জমাব আমরাই!

পৈশাচিক আনন্দে স্বার্থপরতা এসে কড়া নাড়বে আমাদের দরোজায়,

আমরাও ভাববো, যাক! বাঁচা গেলো,

অথবা,

এমনতো হতেই পারে।

 

আমাদের ঠাট্টায় উড়িয়ে দেওয়া হাসিমুখ মুছে যাবে,

না দেখা এই মরণবাণ থেকে রেহাই পেলাম না আর!

চিকিৎসার অভাবে অথবা অনাহারে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হবে? 

কিংবা, পরিশেষে শেষ শিশুটাও মাতৃহীন হবে!

 

হয়তো আমাদের এই সাধের পৃথিবীতে আকাশ তখনও নীল,

পেঁজা তুলোর মতো মেঘ উড়ছে আকাশজুড়ে, বাধাহীন-

কোকিলটাও কি ডেকে যাবে একটানা?

 

লক্ষ্মীপেঁচা কি তখন দিনের বেলা দেখা যাবে? কে জানে,

মানুষের ভীত গর্তে লুকোনো শিয়াল হাঁটবে মধ্য দুপুরে নির্জন নিরুপদ্রব রাস্তায়,

শ্যেন চোখের বিলুপ্তপ্রায় শকুনও খাবারের গন্ধে নেমে আসবে ডাঙায়,

যেখানে পড়ে থাকবে নিথর মৃতদেহ-

আপনার বা আমার।

কবি: শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

 

ইবি/হাকিম মাহি



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/3dOZxL9
Share:

‘ঢাবির শতবর্ষের উপহার হোক ডিজিটালাইজেশন’

‘ঢাবির শতবর্ষের উপহার হোক ডিজিটালাইজেশন’

ইকবাল আজাদ

গণিতে স্থানীয় মান হিসেবে প্রতিটি স্থানের প্রথম সংখ্যাটি সমান গুরুত্ব বহন করে। যেমন, এককের এক, দশকের দশ। তেমনি শতকের স্থানে একশত। ক্রীড়া জগতে শতকের মানের জুড়ি নেই। ব্যাটসম্যান একটা শতক হাঁকালো কিংবা বোলার বেধড়ক মার খেয়ে শতরান খরচ করলো। উভয়ই পত্রিকার হেডলাইনে জায়গা করে নেবে। পাশাপাশি কোনো মানুষের শতবছর আয়ুতে তাকে অনেকটা ভাগ্যবানের চোখে দেখা হয়। কোনো প্রতিষ্ঠানের শতবর্ষ পেরুলে তাকে বিভিন্ন উপাধিতে ডাকা হয়। বাংলাদেশে একাধিক শতবর্ষী স্কুল-কলেজ থাকলেও নেই কোনো বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া দেশের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এ বছরের পহেলা জুলাই বিশ্বের শতবর্ষী বিশ্ববিদ্যালয়ের দলে যোগ দিতে যাচ্ছে দেশ সেরা এই বিদ্যাপীঠ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ৫ জন শিক্ষার্থী নিজেদের ক্যাম্পাস নিয়ে তাদের ভিন্ন ভিন্ন মনোভাব জানিয়েছেন। নিজেদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা ব্যক্ত করেছেন। স্বপ্নবিলাসী, আশাবাদী এসব শিক্ষার্থীদের কথাগুলো তুলে ধরা হলো। 

লালিত স্বপ্নের বাস্তব জয়

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরাসি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী তাসনীম তামান্না।  তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষের একেকটা স্বপ্নের সিঁড়ি থাকে। যার প্রতিটি ধাপে ধাপে সজ্জিত থাকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য। স্বপ্নই মানুষকে জীবনের গতিপথে চলার তাড়না যোগায়। বর্তমান থেকে একধাপ পেছনে গেলে, আমরা সেই স্বপ্নের সিঁড়িতে ওঠার প্রত্যেকটি ধাপের স্মৃতি মাঝে-সাঝেই রোমন্থন করি। আমি তখন কলেজের ১ম বর্ষে পড়ি। স্বপ্নের সেই পরিপুষ্ট বীজটি গ্রোত্থিত করে দিয়েছিলেন আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক অধ্যাপক কল্পনা রাণী রায়।  উনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন। তাঁর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় কাটানো জীবনের মূল্যবান সময়ের কথা বলে বলে আমার সুপ্ত লালিত স্বপ্নকে প্রতিনিয়তই জাগ্রত করতেন।

প্রতিদিন পড়ার চেয়ে উনার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত কথাগুলো আকুলিত হয়ে শুনতাম ঘণ্টার পর ঘণ্টা! তাঁর মুখে উচ্চারিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা শুনেই ভালোবেসে বুকের গহীনে জায়গা দিয়েছিলাম অদেখা তীর্থস্থানতুল্য ভালোবাসাকে। সেদিন মনেপ্রাণে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে, আমার সুপ্ত স্বপ্নকে সঠিক পরিচর্যা এবং পরিশ্রমের আদলে সত্যি করার এক্ষুণি মোক্ষম সময়। তারপরের কথা আর না বললেই নয়! স্বপ্নের সিঁড়িতে একধাপ একধাপ করে শত চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে স্বপ্নকে বাস্তবায়নে সক্ষম হয়েছি। বর্তমানে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে ফরাসি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগে পড়াশোনা করছি। শেষ করতে চাই পৃথিবীখ্যাত একটি উক্তির মাধ্যমে। এ পি জে আব্দুল কালাম বলেছেন,

‘স্বপ্ন সেটা নয় যেটা মানুষ

ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে;

স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা,

মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।’

শতবর্ষে শপথ হোক মানসিকতার পরিবর্তন

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী তারিফুল ইসলাম।  তিনি বলেন, ১৯২১ সালে যে বিশ্ববিদ্যালয়টি যাত্রা শুরু করেছিল অখণ্ড ভারতবর্ষের পূর্ববঙ্গে, সময়ের পরিক্রমায় সেই বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠেছিল একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। বাংলাদেশের স্বাধীনতা থেকে শুরু করে তার আগে এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে অনস্বীকার্য অবদান। দেশের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা সবাই কম-বেশি জানে, তাই এই প্রতিষ্ঠানটি যখন শতবর্ষে পা দিতে যাচ্ছে, তখন আলোচনা ইতিহাস নিয়ে না করে একটু দৃষ্টিপাত করতে চাই আমাদের সমসাময়িক মানসিকতার উপর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে দেশ ও জাতির প্রতি আমাদের কর্তব্যের উপর।

প্রথমত, ভর্তি পরীক্ষার সময়কাল থেকেই আমাদের একরকমের বাজে মানসিকতা তৈরি করে দেওয়া হয় এটা বলে যে, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হয় না বা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো পড়াশুনা নেই’ কেউ কেউ এই উক্তিটি মগজে এমনভাবে ধারণ করে, স্কুল-কলেজে সেরা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে পাশ করতে টানাটানি লেগে যায়। যখন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে প্রধান কর্তব্য হল পড়াশুনা করা এবং নিজেকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করা, তখন অনেক শিক্ষার্থীকেই দেখা যায় রঙিন দুনিয়ায় বেহুশ হয়ে পড়ে থাকতে। এই শিক্ষার্থীদের যখন হঠাৎ হুশ হয়, তখন আর খুব বেশি কিছু করার থাকে না।

দ্বিতীয়ত, প্রথম বা দ্বিতীয় বর্ষের কাউকে যখন আমরা ডিপার্টমেন্টের পড়াশুনা কিংবা জীবনের তাগিদে চাকরির জন্য পড়াশুনায় মনোযোগ দিতে দেখি, আমরা তাকে ‘আতেল’ ট্যাগ দিয়ে দেয় অথচ যে প্রতিষ্ঠানটি একটি রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছে সে প্রতিষ্ঠানটি থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন ‘আতেল’ বা ‘পণ্ডিত’ বের হবে-তাই কি স্বাভাবিক নয়?

তৃতীয়ত, ‘শিক্ষক পড়াতে পারেন না’ এই অভিযোগখানা আমরা হরহামেশা করে থাকি। কিন্তু, কোনো ক্লাসের আগে এবং পরে ঐ বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করা যে আমাদের দায়িত্ব, এই জিনিসটা নিয়ে আমরা একটু শব্দও করি না। আমাদের সবকিছুর দায়ভার চাপানোর জন্য শিক্ষক তথা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তো আছেনই।

ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য রক্ষায় চাই দায়িত্বশীল আচরণ

বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ১ম বর্ষের  শিক্ষার্থী নাফিসা তাবাসসুম মিথিলা। তিনি বলেন, স্বপ্নটা এত পথ ঘুরে হাতের মুঠোয় এসে ধরা তো দিলো, তাও আবার সেই মাহেন্দ্রক্ষণে-যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর শতবর্ষে পদার্পণ করতে চলেছে, তখন নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছিল। শতবর্ষ পূর্তি নিয়েও কত জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছিল মনে! ভেবেছিলাম, কত ঘটা করে পালন হবে এ ‘জন্মদিন’, আমি তার সাক্ষী হব! কিন্তু নিয়তি তো তা হতে দিলো না। এই ‘করোনা’ কালে এহেন জনসমাগম ঘটানো উদযাপনের কোনো সুযোগই নেই।

১ম বর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে আমার ক্যাম্পাস জীবন মোটে ৩ মাসের। তাই তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো স্মৃতি হয়তো তৈরি হয়নি এখনও, তবে স্বপ্নের এই ক্যাম্পাসটার প্রতি একটা ভালোবাসা জন্মে গেছে ইতোমধ্যেই। করোনা পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় তাই অনুভবও করছি ক্যাম্পাসের শূন্যতা।

উন্নত হোক গবেষণা খাত

বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী কাওছার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সত্যের জয় সুনিশ্চিত’ এই নীতিবাক্যকে সামনে রেখে বাঙালি জাতির আলোকবর্তিকা, স্বর ও সুরের প্রতীক, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার উর্বর ক্ষেত্র, সব অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সূতিকাগার, জাতির বিবেক হিসেবে স্বীকৃত অদম্য ও অপরাজেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কালের পরিক্রমায় পদার্পণ করল শততম বছরে।

সেই ১৯২১ সালের পহেলা জুলাই থেকে পথচলা শুরু করা এই বিশ্ববিদ্যালয় এখন পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন গতিতে সৃষ্টি করে চলেছে একের পর এক অমর কাব্য। এই সুদীর্ঘ পথচলায় যেমন অনেক ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয় তেমন জন্মও দিয়েছে অসংখ্য ইতিহাসের।

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশ ও সমাজের বিকাশ, অগ্রগতিতে অবদান রাখা উজ্জ্বল সারথীদের প্রস্তুত করে চলেছে। প্রতিবছর এখান থেকে বের হচ্ছে মানসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট, যারা দেশের প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাখছে অসামান্য অবদান।

ডিজিটাল ঢাবি হোক শতবর্ষের উপহার

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরাসি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ইসরাত জাফরীন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে যে প্রতিষ্ঠানের নামটা ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে, তা হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালের জুলাই মাসে অবিভক্ত ভারতের পূর্ববঙ্গে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তারপর সময়ের গতিপথ ধরে সামনে এগিয়েছে। ক্রমান্বয়ে দশক, যুগ, অর্ধশত বছর ইত্যাদি ধাপ পেরিয়ে এসেছে। এ বছরের পহেলা জুলাই দেশের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শতবর্ষে পদার্পণ করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

কতশত মানুষের হাজারটা স্বপ্নের উত্থান-পতনের সাক্ষী হয়ে আছে এই শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ব্যাপারটা আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে, তা হলো এখানকার সবার মেলবন্ধন। কোনো বিপদে পড়লে সিনিয়র ভাইয়া-আপু থেকে শুরু করে ক্লাসমেট, জুনিয়র সবাই যেভাবে এগিয়ে আসে, তা সত্যিই অবাক করার মতো। এই প্রতিষ্ঠান আমাকে দিয়েছে কিছু বন্ধুসুলভ শিক্ষক, প্রাণের বন্ধুবান্ধব এবং নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার একটা প্ল্যাটফর্ম। মনের গহীনে স্বপ্ন ছিল ঢাবি পরিবারের সাথে নিজেকে যুক্ত করার আর তা করতে পেরেছি। সেই হিসেবে বলতে গেলে প্রাপ্তির ঝুলি কিন্তু কম নয়।

শতবর্ষে ঢাবির কাছে আমার চাওয়া, প্রশাসনিক-একাডেমিকসহ সব কাজ ডিজিটাল অটোমেশনের আওতায় আনা। ডিজিটাল এই যুগে ঢাবির ডিজিটাইজেশন জরুরি। পাশাপাশি আবাসন সংকট নিরসন করে সব শিক্ষার্থীর জন্য সুষ্ঠু আবাসনের ব্যবস্থা করা। এটাই হোক শিক্ষার্থীদের জন্য ঢাবির শতবর্ষের উপহার।

 

ঢাবি/হাকিম মাহি



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/3iieR6a
Share:

করোনায় মৃতদের স্মরণে কোভিড-ট্রি

করোনায় মৃতদের স্মরণে কোভিড-ট্রি

জুনাইদ আল হাবিব

বিষণ্ন এক সময় পাড়ি দিচ্ছে মানবসমাজ। পৃথিবীজুড়েই আজ স্বজন হারানোর হাহাকার। করোনাসৃষ্ট মহামারি রোধে যারা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন তাদের বলা হচ্ছে ‘করোনা যোদ্ধা’। এই তালিকায় চিকিৎসক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনসহ বিভিন্ন পেশাজীবীর মানুষ রয়েছেন। অনেকেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকে মারা যাচ্ছেন। তাদের স্মরণে এবং পৃথিবীতে বাসযোগ্য পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বৃক্ষরোপণ করছে সামাজিক সংগঠন ‘স্বপ্ন-৩০’। এই গাছগুলোর তারা নাম দিয়েছেন ‘কোভিড-ট্রি’। 

গত ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বরিশালের বাবুগঞ্জ থেকে শুরু হয়েছে কোভিড ট্রি রোপণ কার্যক্রম। খুলনা, পিরোজপুর, মাদারীপুর জেলায়ও বৃক্ষ রোপণের কথা ভাবছে সংগঠনটি। যেখানেই গাছগুলো রোপণ করা হোক, এর ফল বিতরণ করা হবে দুস্থ অসহায়দের মধ্যে। এ কারণে সংগঠনটি প্রাথমিকভাবে ফলদ বৃক্ষ রোপণ করছে। 

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা লিও নিয়ায মাসুদ রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা করোনায় প্রত্যেক মৃত ব্যক্তির জন্য একটি করে গাছ লাগাব। কিন্তু এটি ব্যয়বহুল। ইতোমধ্যে চারশ গাছ লাগিয়েছি।’ করোনা প্রতিরোধে যাদের রয়েছে বিশেষ অবদান তাদেরকেও স্মরণ করবে স্বপ্ন ৩০। এ কারণে পেশা ভাগ করে সেইসব করোনা যোদ্ধাদের স্মরণেও বৃক্ষরোপণ করা হবে জানিয়ে নিয়ায মাসুদ বলেন, ‘চিকিৎসকরাই এখন রিয়েল হিরো। তাদের অবদান ভুলবার নয়। যে সব চিকিৎসক করোনা রোগীর চিকিৎসা করতে গিয়ে মারা গেছেন তাদের নামে প্রথমে বৃক্ষ রোপণ করবো।’

গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে সংগঠনের সদস্যদের পরিচিতদের জমিতে। যাতে সেগুলোর ক্ষতি না হয়। সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে। বন বিভাগ থেকেও এ ব্যাপারে গাছ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।  

বৃক্ষ রোপণের মূল উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে নিয়ায মাসুদ বলেন, ‘পরিবেশ বাঁচানোটাই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি এর মাধ্যমে করোনায় মৃতদের স্মরণ করে তাদের আত্মার শান্তি কামনা করা। আমরা এই অঞ্চলের প্রতিটি গ্রামকে একটি মডেল বানাতে চাই। তারপর আমাদের এই কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে চাই দেশব্যাপী।’

স্বপ্ন ৩০ সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করে। বৃক্ষ রোপণ এর অন্যতম। উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস প্রায়ই হয়। সংগঠনটি মনে করে গাছ এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মানুষকে কিছুটা হলেও রক্ষা করে। এছাড়া পরিবেশগত হুমকি তো রয়েছেই। তাছাড়া দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা মেটাতেও ফলদ বৃক্ষের প্রয়োজন রয়েছে। ২০৩০ সাল পর্যন্ত এভাবে বৃক্ষ রোপণ করতে চান বলে জানান নিয়ায মাসুদ খান। 

 

ঢাকা/তারা



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2ZsAO9Z
Share:

প্রথম টেস্টে নেই রুট, অধিনায়ক স্টোকস

প্রথম টেস্টে নেই রুট, অধিনায়ক স্টোকস

ক্রীড়া ডেস্ক

সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে নেই ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জো রুট। নিয়মিত অধিনায়কের পরিবর্তে বেন স্টোকসকে অধিনায়ক করা হয়েছে।

করোনা প্রাদুর্ভাবের পর আগামী ৮ জুলাই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল‌্যান্ডের ম‌্যাচ দিয়ে ফিরছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। সাউদাম্পটনে দুই দল সাদা পোশাকে ব‌্যাট-বলের যুদ্ধে নামবে। এরপর ম‌্যানচেস্টারে আরও দুটি টেস্ট খেলবে তারা।

ইসিবি জানিয়েছে, পারিবারিক কারণে ‍রুট প্রথম টেস্টে খেলবে না। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর রুটকে সাতদিন আইসোলেশনে থাকতে হবে। এরপর দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন মিডল অর্ডার ব‌্যাটসম‌্যান।

পেস অলরাউন্ডার স্টোকসের দায়িত্ব বাড়ছে। ব্যাটিং, বোলিংয়ের সাথে এবার অধিনায়কত্ব। এর আগে স্যার ইয়ান বোথাম ও অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ এ দায়িত্ব পালন করলেও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। তবে স্টোকস বাড়তি দায়িত্বকে দেখছেন ইতিবাচক দৃষ্টিতে,‘অধিনায়কত্ব সব সময়ই ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতে চাই।’

বিশাল এ দায়িত্ব পালনের পাওয়ার মধ‌্য দিয়ে আরেকটি ইতিহাসও তৈরি করতে যাচ্ছেন স্টোকস। এর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে কখনো লিস্ট এ ম‌্যাচ, প্রথম শ্রেণির ম‌্যাচ বা টি-টোয়েন্টি ম‌্যাচেও দায়িত্ব পালন করেননি স্টোকস। ইংল‌্যান্ডের শেষ ৫০ বছরের ইতিহাসে এমনটা হয়নি কখনো। তবে কেভিন পিটারসেন ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই।

টেস্টে ইংল‌্যান্ডের হয়ে ব‌্যাটিং ওপেন করবেন ডম সিবলে ও রোরি বার্নস। তিনে ব‌্যাটিং করবেন জো ডেনলি। রুটের জায়গায় আসবেন ড‌্যান লরেন্স। ১৬ ও ২৪ জুলাই পরের দুটি টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে। তিন টেস্ট হবে দর্শক শূন্য স্টেডিয়ামে ও জীবাণুমুক্ত পরিবেশে।

 

ঢাকা/ইয়াসিন



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2VAdNRp
Share:

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions