One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Sunday, May 3, 2020

নারায়ণগঞ্জে আক্রান্ত ১৫ চিকিৎসকসহ ৯০ স্বাস্থ্যকর্মী

নারায়ণগঞ্জে আক্রান্ত ১৫ চিকিৎসকসহ ৯০ স্বাস্থ্যকর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনার হটস্পট নারায়ণগঞ্জে আক্রান্ত হয়েছেন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের ১৫ চিকিৎসক সহ ৯০জন স্বাস্থ্যকর্মী। আক্রান্তদের অধিকাংশই এখন আইসোলেশনে।

এজন্য রোগীদের তথ্য গোপন, সঠিক সময়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপযুক্ত নিরাপত্তা পোশাক পিপিই মাস্ক সহ অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ না করাকেই বেশি দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১৫ চিকিৎসক সহ ৯০জন স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির ফোকাল পার্সন ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম।

তিনি জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জ ৩শ’ শয্যা হাসপাতালের ৬ চিকিৎসক, ৯ নার্সসহ ৪২ জন,  ১শ’ শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের এক চিকিৎসকসহ ১২ জন, সিভিল সার্জন অফিসের সিভিল সার্জন, ফোকাল পার্সন দুই চিকিৎসকসহ ৫ জন, পলি ক্লিনিকের ৩ চিকিৎসকসহ ১০ জন,  ম্যাডি প্লাস হাসপাতালে ৩ জন, সিটি লাইফ হাসপাতালে এক চিকিৎসকসহ ৩ জন, অন্যান্য বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে আরো ১৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। 

আক্রান্তের অধিকাংশই আইসোলেশনে আছেন। এর মধ্যে কয়েকজন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী করোনা মুক্ত হয়েছেন।

চিকিৎসকদের মধ্যে রয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ এবং জেলা করোনা ফোকাল পার্সন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলামও। সাবেক বিএমএ সভাপতি ডা. শাহনেওয়াজ, তার চিকিৎসক মেয়ে ও তার মেয়ের জামাতা এরই মধ্যে করোনা মুক্ত হয়েছেন। পরপর তিন পরীক্ষার রিপোর্টে তাদের নেগেটিভ এসেছে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ডায়াবেটিকস সমিটির জাতীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সাবেক নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএমএ সভাপতি ডা. শাহনেওয়াজ জানিয়েছেন, তথ্য গোপন করছে এমন রোগীর সংখ্যা একেবারে কম।

তিনি বলেন, ‘যে রোগীর করোনা উপসর্গ নেই অন্যান্য সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যায়, আসলে যে জানে না  সে নিজেই করোনায় আক্রান্ত। এ ক্ষেত্রে রোগীকে কিভাবে দায়ি করবো। আসলে এ মহামারি দুর্যোগের সময় সকল চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে চিকিৎসকদের আক্রান্তের পরিমান কমে আসবে।'

নারায়ণগঞ্জ জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির ফোকাল পার্সন ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রথম দিকে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা পিপিই ও সরঞ্জাম সংকট থাকলেও এখন পর্যাপ্ত মজুদ আছে এবং তাদের মাঝে যথাসময়ে সরবরাহ করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘করোনা এপি সেন্টার হটস্পট নারায়ণগঞ্জে চিকিৎসকরা প্রথম থেকেই সাহসিকতার সাথে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পিপিই ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম সরকার সরবরাহ করেছে। আশা করি সামনে এ আক্রান্তের সংখ্যা আরো কমে আসবে।'

 

নারায়ণগঞ্জ/রাকিব/টিপু



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/3fqjpGq
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions