One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Monday, May 4, 2020

করোনা জয়ীদের বাড়ি পৌঁছে দিলেন ডাক্তার

করোনা জয়ীদের বাড়ি পৌঁছে দিলেন ডাক্তার

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নারী ও শিশুসহ ৩ জন সুস্থ্য হয়েছেন। তাদেরকে নিজ নিজ বাড়িতে পরিবারের কাছে পৌঁছে দিলেন হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. রেজাউল করিম রাজিব।

সোমবার (৪ মে) বিকালে করোনা যুদ্ধে জয়ী হওয়া রোগীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ফুলেল শুভেচ্ছায় প্রদান করা হয় উপহার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবদুল গাফ্ফার, কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু তাহের ও আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আমিনুল ইসলাম মঞ্জু ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সাগর।

সুস্থ্য হওয়া রোগীরা হলেন- চর মার্টিন এলাকার নয়ন আক্তার, চর ফলকন গ্রামের মো. ইব্রাহিম ও চর লরেন্স এলাকার শিশু রিহান।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় দেওয়ার পর মেডিক্যাল অফিসার রেজাউল করিম রাজিব বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিজ নিজ পরিবারের কাছে তাদের পৌঁছে দেন।

সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীরা জানান, সকল চিকিৎসক ও নার্সদের পরম যত্নে ও সেবায় আমরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছি। সুস্থ হয়ে পরিবার ও স্বজনদের কাছে ফিরে আসা সত্যিই আনন্দের।

মেডিক্যাল অফিসার ডা. রেজাউল করিম রাজিব বলেন, ‘করোনা আক্রান্ত রোগীরা সুস্থ বাড়ি ফিরেছেন এটি চিকিৎসকদের জন্যেও আনন্দের, করোনার বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের বিজয়।'

কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু তাদের বলেন, ‘উপজেলায় করোনা আক্রান্ত ৫ জনের মধ্যে ৩ জন সুস্থ হয়েছেন। চিকিৎসা পরবর্তী দু’টি নমুনা পরীক্ষায় তাদের করোনা নেগেটিভ আসে। তারা এখন করোনাভাইরাস মুক্ত ও শারিরিকভাবে সুস্থ হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড়পত্র ও উপহার দেওয়া হয়েছে।'

জানা গেছে, কমলনগরে গত ১৬ এপ্রিল নারী ও শিশুসহ তিনজনের করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে এক সপ্তাহ তাদেরকে নিজ নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ২৩ এপ্রিল রাতে তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা সেবায় তারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন। এসময় তাদেরকে হাসপাতালের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার পাশিপাশি বাইর থেকে ওষুধ, ইফতারি, খাবার, শিশুখাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে পাশে দাঁঁড়িয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসক রেজাউল করিম রাজিব।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নে করোনা উপসর্গে মারা যাওয়া একজন শ্রমিককে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মধ্যরাতে দাফন ও জানাজা সম্পন্ন করেন এই চিকিৎসক।

 

ফরহাদ/টিপু



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2SRJnJl
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions