One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Monday, November 18, 2019

এক কাপ চায়ের জন্য মৃত্যু ঝুঁকি!

এক কাপ চায়ের জন্য মৃত্যু ঝুঁকি!

ইকবাল মাহমুদ ইকু

‘কষ্ট করলে কেষ্ট মিলে’ কথাটি ধ্রুব সত্য! কষ্ট করে কিছু অর্জন করলে আনন্দ বহুগুণ বেড়ে যায়। বলা হচ্ছে- হুয়াশান টি হাউসে পরিবেশিত চা, ঠিক এই কারণে অনেক বেশি সুস্বাদু। কেননা, এই টি হাউসে পৌঁছুতে হলে আপনাকে পাড়ি দিতে হবে দীর্ঘ বিপজ্জনক আর ভয়ঙ্কর পাহাড়ি পথ। ভেবে দেখুন যাবেন কি না? কারণ এই পথে মৃত্যু ঝুঁকিও রয়েছে। 

বিশ্বে পর্যটকদের জন্য অন্যতম একটি আকর্ষণীয় স্থান চীনের জিয়ান শহর। এখানকার সুস্বাদু খাবার, বড় বড় মন্দির এবং বিশেষ করে ঐতিহাসিক টেরাকোটার জন্য পর্যটকরা জায়গাটি পছন্দ করেন। শহরের একটু বাইরেই রয়েছে বিস্তৃত পাহাড়। পাহাড়গুলোর মধ্যে অন্যতম হুয়া পাহাড়। এখানেই রয়েছে হুয়াশান টি হাউস। এছাড়াও এখানে বেশ কিছু মন্দির এবং বিভিন্ন ধর্মীয় তীর্থস্থান রয়েছে। সবচেয়ে বিখ্যাত মন্দিরটি দক্ষিণের একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত। এই ঐতিহাসিক প্রাচীন মন্দিরটি পরবর্তী সময়ে টি হাউসে রূপান্তর করা হয়।

আপনি হয়তো ভাবতে পারেন, সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে প্রায় সাত হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই চা-ঘরে  ক’জনই বা যায়? জেনে অবাক হবেন, এখানে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসে কেবলমাত্র চা-পান করার জন্য। কেননা এই মন্দিরের চা অনেকের কাছেই ধর্মীয় গুরুত্ব বহন করে।

জিয়ান শহর থেকে হুয়াশান টি হাউসে যেতে হলে আপনাকে প্রথমেই খাড়া পাহাড় বেয়ে প্রায় দুই ঘণ্টার মতো পথ অতিক্রম করতে হবে। পাহাড়ে ট্র্যাকিং করা যাদের পছন্দ, তারা জায়গাটি বেছে নিতে পারেন। কেননা, ট্র্যাকিং শেষ হলেই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে চমৎকার এবং সুস্বাদু এক কাপ চা। তবে খাড়া পাহাড়ি পথ পাড়ি দেয়া মোটেও আরামদায়ক নয়। খাড়া পাহাড়ের গায়ে ছোট ছোট পা রাখার জায়গা কেটে রাখা হয়েছে। সেখানে পা রেখে ধীরে ধীরে আপনাকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। এখানেই শেষ নয়, সামনে আরো ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে আপনার জন্য!

পাহাড় বেয়ে আপনি যখন আরো উঁচুতে পৌঁছে যাবেন, হঠাৎ করেই আপনি আর সিঁড়ি পাবেন না। তখন আপনার সম্বল কেবলমাত্র পাহাড়ের গায়ে লাগানো সরু পাটাতন এবং আঁকড়ে ধরার জন্য একটি শিকল। একটু ভেবে দেখুন-  কেমন লাগছে? পায়ের নিচের সরু পাটাতন মচমচ করছে! এই অবস্থায় সামান্য অসচেতন হলেই সোজা গভীর খাঁদ হবে আপনার অন্তিম ঠিকানা। ঠিক এ সময়েই যদি অপরদিক থেকে আরেকজন পর্যটক আসেন, তখন ভয়ঙ্কর এবং বিপজ্জনক এই সরু পাটাতনের উপরে দাঁড়িয়েই তাকে জায়গা করে দিতে হবে।

এত কষ্ট আর বিপজ্জনক পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে যখন সেই আকাঙ্ক্ষিত চায়ের পেয়ালায় চুমুক দিবেন, তখন আপনার মনে হবে- হ্যাঁ কষ্ট এবার সার্থক। লরেল ডেলরিম্পল আমেরিকার বিখ্যাত ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও-র ওয়েবসাইটের জন্য লিখেছেন: ‘এই চা তৈরি করতে পাহাড়ের বরফ, ঝরনা এবং বৃষ্টির পানি ব্যবহৃত হয়। আগে চা পান করতে হলে, এই পানি নিজ হাতে নিয়ে আসতে হতো পাহাড়ের চূড়া থেকে। বর্তমানে এই কষ্টটুকু না করলেও আপনার চলবে।’ পুরো ব্যাপারটি অবাক হলেও সত্য- এখানে আসতে থাকা পর্যটকের সংখ্যা তো কমছেই না, বরং দিনদিন বেড়েই চলেছে।



ঢাকা/ফিরোজ/তারা



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/35dEJsI
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions