One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Monday, December 23, 2019

শীতে ফুটপাতে পিঠার স্বাদ

শীতে ফুটপাতে পিঠার স্বাদ

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

শীতে কুষ্টিয়া শহরের মোড়ে মোড়ে বসে পিঠার দোকান। এই পিঠার প্রতি আগ্রহ থাকে সাধারণ মানুষের। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ মৌসুমি এই পিঠার স্বাদ নেন ফুটপাতের এই দোকান থেকে। শীতে আতপ চাউলের ভাঁপা পিঠার স্বাদই আলাদা। 

কুষ্টিযা শহরের কলেজ মোড়, হাসপাতাল মোড়, ছয় রাস্তার মোড়, মজমপুর গেট, মোল্লাতেঘরিয়া মোড়, বড়বাজার রেল গেটসহ বিভিন্ন স্থানে হরেক রকমের পিঠার দোকান বসেছে। শীত শুরু হতেই পিঠার দোকান বসতে শুরু করে।

চিতই, কুলি, ভাঁপা, পাটিসাপটাসহ বিভিন্ন পিঠা বিক্রি করছেন তারা। তবে ভাঁপা আর চিতই বিক্রি বেশি। শুধু শহরে নয়, শহরের বাইরে উপজেলা এবং গ্রামের বাজারে ভাঁপা পিঠার দোকান বসেছে।

পিঠা কিনতে আসা শহরের হাউজিং এলাকার বাসিন্দা মাহিরুল ইসলাম জানান, পরিবার পরিজন নিয়ে শহরে থাকায় বাসায় পিঠা তৈরি হয়ে ওঠে না। তাই কয়েক ধরনের পিঠা কিনে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন।

আমলা বাজারে পিঠা খেতে আসা মানিক হোসেন জানান, শীতের সন্ধ্যায় প্রায়ই তারা বন্ধুরা মিলে পিঠা খেতে বের হন। শীত যত বাড়ছে; ভাঁপা পিঠার স্বাদ তত বাড়ছে।

মানিকের বন্ধু হেলাল ও সানারুল জানান, ভাঁপা পিঠা, কলাই এর রুটি খেতে আলাদা মজা। এর জন্যই পিঠা খেতে আসেন। 

পিঠা বিক্রেতা নয়ন আলী জানান, ৫ টাকা ও ১০ টাকা পিস হিসেবে পিঠা বিক্রি করেন। শীত আসলেই রাস্তার পাশে ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান দেন তিনি।

আমলা আশ্রয়ন প্রকল্পের মিনারুল, তার স্ত্রী রাসিদা এবং বাবা আরমান আলী আমলা বাজারে ভ্রাম্যমাণ ভাঁপা পিঠা এবং কলাই এর রুটির দোকান দিয়েছেন। রাসিদা পিঠা তৈরি করেন; মিনারুল ও মিনারুলের বাবা তা বিক্রি করেন।

মিনারুল জানান, শীত পড়তে শুরু করলে প্রতি বছর তারা পিঠা বিক্রি করেন। অনেক দূর থেকে লোকজন পিঠা কিনতে আসে। বিকেলে থেকে রাত ৯/১০ পর্যন্ত তারা পিঠা বিক্রি করেন।

তিনি জানান, দিনে ২০০টির মতো কলাই এর রুটি বিক্রি হয়। সেই সঙ্গে ১০০-১৫০টির মতো ভাঁপা পিঠা। কালাই এর রুটির সঙ্গে বেগুনভর্তা বা কাঁচা মরিচ বাটা। এক পিস রুটির দাম ২০ টাকা। আর গুড় ও আতপ চালের তৈরি ভাঁপা পিঠা ৫ টাকা করে।

মিনারুল জানান, শীত মৌসুমে চার মাস পিঠা বিক্রি হয়। দৈনিক ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা বিক্রি করেন। খরচ বাদ দিয়ে দৈনিক এক থেকে দেড় হাজার টাকা লাভ হয়।

 

কুষ্টিয়া/কাঞ্চন কুমার/বকুল



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2ENTyqL
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions