One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Sunday, November 24, 2019

‘মেয়ে না মরে আমি মরলেই ভাল হতো’

‘মেয়ে না মরে আমি মরলেই ভাল হতো’

নিজস্ব প্রতিবেদক

আমার বুকের ধনকে ফেরত দিয়ে যান। মেয়ে না মরে আমি মরলেই ভাল হতো।

কথাগুলো সাভারের আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় কালার ম্যাক্স (বিডি) লিমিটেড নামক গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত আসমাউল হুসনা আখি’র (১৪) মা মা নাছিমা বেগমের। মেয়ে প্রসঙ্গ উঠতেই কান্নায় মুর্ছা যান তিনি।

বৃহস্পতিবার রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় আখির লাশ দাফন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন-অর-রশীদসহ এলাকার সহস্রাধিক লোক জানাযা নামাজে উপস্থিত ছিলেন। এসময় শোকে স্তব্ধ ছিল পুরো এলাকা।

নিহত আঁখি রাণীপুকুর ইউনিয়নের ভিকনপুর গ্রামের আশরাফুল ইসলামের মেয়ে। সে মাদারপুর একরামিয়া আনছারিয়া দাখিল মাদরাসার ৭ম শ্রেণির ছাত্রী।

অভাবের তাড়নায় মেয়েকে ওই ম্যাচ কারখানায় কাজে দিয়েছিলাম। আগে যদি জানতাম এমন হবে, তাহলে মেয়েকে বাড়িতেই রাখতাম। এই কথাগুলো বলে বিলাপ করছিলেন বাবা আশরাফুল ইসলাম।

রোববার ওই এলাকায় গেলে এলাকাবাসী জানায়, রাণীপুকুর ইউনিয়নের ভিকনপুর গ্রামের হতদরিদ্র আশরাফুল ইসলাম বছরখানেক ধরে ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করে আসছেন। প্রায় তিনমাস আগে মেয়ে আঁখিকে ঢাকায় নিয়ে যান আশরাফুল। গত মাসে সে আশুলিয়ার জিরাবতে কালার ম্যাচ কারখানায় কাজ শুরু করে।

মঙ্গলবার দুপুরে ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে আঁখি মারাত্মক আহত হয়। পুড়ে যায় শরীরের ৭০ ভাগ অংশ। পরে হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই আঁখির মৃত্যু হয়। তার লাশ বৃহস্পতিবার ভোররাতে মিঠাপুকুরের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় মাতম শুরু হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে লাশ মাঠের কবরস্থানে দাফন করা হয়।

আঁখির জ্যাঠা আজিজুল ইসলাম ও ফুফা বোরহান আলী বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা ঢাকায় গিয়ে লাশ নিয়ে এসেছি। আমরা কখনও ভাবতে পারিনি এতটুকু মেয়ে দগ্ধ হয়ে মারা যাবে। ওই কারখানার অব্যবস্থাপনার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। আমরা এর বিচার চাই।

আঁখির বান্ধবী আমেনা, শাকিলা ও সুমাইয়া জানায়, আঁখি মরে গেছে, এটি আমরা বিশ্বাস করতে পারছিনা। সে আমাদের খুব ভাল ছিল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, আঁখির বাড়িতে গিয়ে নগদ ৫ হাজার টাকা ও একটি বাড়ি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, আশুলিয়ার জিরাবতে কালার ম্যাচ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ঘটনায় ৩০ জন আহত হন। এদের মধ্যে গত সপ্তাহের মঙ্গলবার ঢাকা মেডি‌ক‌্যাল কলেজ ও হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আঁখি মারা যায়।



রংপুর/নজরুল/বুলাকী



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2pMdiai
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions