One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Thursday, February 6, 2020

টরেন্টোর রাস্তায় বইগুলো কেন পড়ে ছিল?

টরেন্টোর রাস্তায় বইগুলো কেন পড়ে ছিল?

খালেদ সাইফুল্লাহ

শুরু হয়েছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। এ সময় দেশের লেখক, পাঠক, বইপ্রেমীরা বইয়ের আলোচনায় মেতে থাকেন। গণমাধ্যমেও নতুন নতুন বইয়ের খবর প্রকাশিত হয়।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে কানাডার টরেন্টো শহরের একটি ছবি। ছবিতে দেখা যায়, শহরের একটি রাস্তায় ছড়িয়ে আছে অসংখ্য বই। দেখে মনে হতে পারে, এ যেন বইয়ের নদী। প্রতিটি বইয়ের পাতা উল্টানো, সেখান থেকে বেরিয়ে আসছে আলো। অর্থাৎ জ্ঞানের আলো ঠিকরে পড়ছে। বইগুলো রাস্তায় এমনভাবে রাখা হয়েছে মানুষ কিংবা গাড়ি চলাচলের কোনো সুযোগ নেই। ছবির ক্যাপশনে লেখা: ‘বছরে একবার হয় এই উৎসব। টরেন্টো শহরে। উপহার পাওয়া বই দিয়ে সাজানো হয় পথ। যে যার খুশিমতো বই তুলে নিতে পারে। আহা! কলকাতা ও ঢাকা শহরে কেন হয় না?’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্নজন একই ক্যাপশন যুক্ত করে ছবিটি শেয়ার দিচ্ছেন। এত বই রাস্তায় দেখে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করছেন। যদিও এই ছবির সঙ্গে ক্যাপশনের কোনো মিল নেই! না জেনেই অনেকে ছবিটি শেয়ার করছেন।

আসল ঘটনা হলো, কানাডার টরেন্টোতে প্রায় চার বছর আগে একটি  প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে লুজিনটেরাপটাস নামে একটি স্প্যানিশ সংগঠন ‘লিটারেচার ভিএস ট্রাফিক’ শিরোনামে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে। টরেন্টোর ব্যস্ততম হেগারম্যান স্ট্রিট-এ ১০ হাজার বই বিছিয়ে রেখে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে তারা কাজটি করেছিল। এর আগে তারা মাদ্রিদ, মেলবোর্ন এবং নিউ ইয়র্ক শহরেও এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়েছে। শহরের ব্যস্ততম সড়কে বই বিছিয়ে তারা কিছু সময়ের জন্য হলেও মানুষকে কাগজের বইয়ের প্রতি কৌতূহলী করতে পেরেছিল।  পাশাপাশি প্রতিটি বইয়ের পাতায় মিটমিট করে জ্বলতে থাকা ছোট ছোট বিজলী বাতি তারা জুড়ে দিয়েছিল। যা অনিন্দ্যসুন্দর আলোর নদীর মতো আবহ সৃষ্টি করেছিল।

রাস্তায় ছড়িয়ে থাকা বইগুলো দান করেছিল স্যালভেশন আর্মি। সেগুলোকে রাস্তায় সাজাতে ৫০জন স্বেচ্ছাসেবীর একটি দল প্রায় ১২দিন কাজ করেছে। রাস্তাটি শব্দের শিল্পে ঢেকে দিয়ে তারা একটি কোলহল ও দূষণে ভরপুর সড়কে ফিরিয়ে এনেছিল শান্ত ও মনোরম পরিবেশ। চমৎকার বইয়ের এই পসরা থেকে যে কেউ চাইলেই পছন্দের বইটি তুলে নিয়ে যেতে পারতেন। ফলে প্রদর্শনী শুরু হওয়ার মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যেই রাস্তাটি সম্পূর্ণ খালি হয়ে যায় এবং যানবাহন চলাচলের উপযোগী হয়ে ওঠে।

এই কাজের মাধ্যমে নাগরিকদের যান্ত্রিকতা থেকে মুক্তি দিয়ে একটি শান্ত ও স্বাভাবিক জীবনের স্বাদ দেয়ার চেষ্টা করা হয়। এছাড়াও নাগরিকদের ডিজিটাল বই নয়, কাগজের বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করতে এই উদ্যোগ তখন আলোচিত হয়েছিল।

 

ঢাকা/তারা



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2S8KN29
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions