One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Wednesday, October 23, 2019

নুসরাতের পরিবারকে এখনো হুমকি

নুসরাতের পরিবারকে এখনো হুমকি

জেলা সংবাদদাতা

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত‌্যার আসামিরা এখনো হুমকি দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন নুরসাতের মা শিরিন আখতার।

আসামিপক্ষ থেকে হুমকি-ধামকির ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘‘আসামিরা হুমকি দিচ্ছে, তারা বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে ফেলবে, ঘরে বাতি দেয়ার মতো কোনো লোক থাকবে না। নুসরাতের কবর থেকে লাশ গায়েব করার হুমকিও দিচ্ছে তারা।’’

গত ২৭ মার্চ ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসার ছাদে নিয়ে নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয় অধ্যক্ষের সহযোগীরা।

৮ এপ্রিল নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান আট জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে করা শ্লীলতাহানির মামলা তুলে না নেয়ায় নুসরাতের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয় বলে বলা হয় মামলায়। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুসরাতের মৃত্যু হয়। কয়েক দিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মামলার ১৬ আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার আলোচিত এই হত‌্যার রায় ঘোষণা করা হবে।

নিজেদের নিরাপত্তার ব্যাপারে শিরিন আখতার বলেন, ‘‘দীর্ঘ দিন ধরে পুলিশ আমাদের পাহারা দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে, রায় কার্যকর হওয়া পর্যন্ত এবং তারপরও যেন এই নিরাপত্তা থাকে।’’

হুমকিদাতাদের ব্যাপারে নির্দিষ্টভাবে কিছু না বললেও তিনি বলেন, ‘‘মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর কারাগারে থেকে কী বাকি রেখেছেন তিনি? তিনি একাই আমার মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করেছেন।  আর এখন তো ১৬ জন আসামি, তারা ইচ্ছে করলে আমাদের বড় ক্ষতি করে ফেলতে পারে।’’ 

শিরিন আখতার বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতা আর দিক-নির্দেশনা না থাকলে এত দ্রুত সময়ে হত্যার বিচার হওয়া সম্ভব হতো না। তিনি আমাদের পাশে ছিলেন বলেই আসামিদের বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের খেয়াল না করলে আমাদের অস্তিত্বও থাকতো না।’’

১৬ আসামি হলেন, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলা, নূর উদ্দিন, সোনাগাজীর পৌর কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, হাফেজ আব্দুল কাদের, আবছার উদ্দিন, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা ওরফে পপি ওরফে তুহিন ওরফে শম্পা ওরফে চম্পা, আব্দুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মোহাম্মদ শামীম, মহিউদ্দিন শাকিল এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি রুহুল আমীন।

মামলায় ২১ জন গ্রেপ্তার হলেও তদন্তে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় অন্য পাঁচ জনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করা হয়।

অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, উম্মে সুলতানা পপি, কামরুন নাহার মনি, জাবেদ হোসেন, আবদুর রহিম শরীফ, হাফেজ আবদুল কাদের, জোবায়ের আহমেদ, এমরান হোসেন মামুন, ইফতেখার হোসেন রানা ও মহিউদ্দিন শাকিল আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।



ফেনী/সৌরভ পারোয়ারী/বকুল



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2qAQZV2
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions