One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Sunday, October 6, 2019

‘বাজি পোড়ানোর দিনগুলো খুব আনন্দের ছিল’

‘বাজি পোড়ানোর দিনগুলো খুব আনন্দের ছিল’

রাইজিংবিডি.কম

গত শুক্রবার ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে। মন্দিরে মন্দিরে এখন উলুধ্বনি, শঙ্খ, কাঁসর আর ঢাকের বাদ্যি। আজ নবমী চলছে। অন্য সাধারণ মানুষের মতো পূজার ছুটিতে দারুণ সময় পার করছেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার দর্শকপ্রিয় অভিনয়শিল্পীরা।

এ তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে ছোটবেলার পূজা ও বর্তমান সময়ে পূজা উদযাপনসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। রাইজিংবিডির পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো—    

‘পূজা বলতে মনে আসে এক ধরনের পজিটিভিটি। পূজার দিনগুলো কলকাতা শহরে সবাই খুব আনন্দে থাকে। পজিটিভিটি থেকে পরিবেশে একটা আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। আমার মনে হয় পূজা এলেই আকাশে-বাতাসে সব জায়গায় আনন্দ ছড়িয়ে যায়, আর নিঃশ্বাস নিলেই পজিটিভিটি পাওয়া যায়।

সব মিলিয়ে এবার পূজায় বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই। পূজা মানে ছুটি। যেটুকু সময় পাচ্ছি শাড়ি পরছি। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি। পূজার ক’টা দিন রাজেরও কোনো ব্যস্ততা নেই। তবে আলাদা করে রাজের সঙ্গে পূজার সময় কাটানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। ফ্যামিলির মধ্যে রাজও পড়ছে। পরিবারের সকলের সঙ্গে একসঙ্গে সময় কাটানো মানে রাজও থাকছে সেই আড্ডায়। সবাই মিলেই আড্ডা চলছে। পুরো পূজায় আমি আর রাজ কলকাতাতেই আছি। তবে দশমীর সকালে কেনিয়া যাচ্ছি।

পূজার সময় খাওয়াদাওয়া মানে আমার কাছে বাঙালি খাবার। পূজা মানেই তো আমাদের কাছে সবকিছুই বাঙালি মতে হয়। শাড়ি, বাঙালি খাবার, আড্ডা সব মিলিয়েই আমাদের পূজা কাটছে। আজকাল পূজা এলে সেভাবে কিছু মিস করি না। তার মধ্যেও পূজার সময় ভাই-বোনদের সঙ্গে মজা করে সময় কাটানোটা খুব মনে পড়ে। আমাদের বর্ধমানের বাড়িতে ওদের সঙ্গে কত মজা হতো! একসঙ্গে ঘোরা, একসঙ্গে আড্ডা, খাওয়াদাওয়া, বাজি পোড়ানোর দিনগুলো খুব আনন্দের ছিল। পরে তো কলকাতায় চলে আসি। ধীরে ধীরে কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু সেগুলো মিস করি বলা যায় না। কারণ এখনকার পূজার সময়টাও আমার কাছে খুবই ফেভারিট। সত্যি এই সময়টার দিকে তাকিয়ে থাকি প্রতি বছর, আমার বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য।

বিসর্জনের পর যে খুব মন খারাপ হয় সেটা বলা যায় না। আসলে এখন তো বড় হয়ে গিয়েছি। নানারকম কাজের মধ্যে থাকি। প্রতি বছর পূজার পর দ্রুত কাজ শুরু হয়ে যায়। কিন্তু অবশ্যই পরের বছরের পূজার জন্য অপেক্ষা থাকে। ছোটবেলায় পূজা কেটে গেলে কষ্ট হতো। কারণ আবার পড়াশোনায় ফিরে যেতে হতো। এখন পড়াশোনা যেহেতু নেই, খুব একটা দুঃখ হয় সেটা নয়। কিন্তু পরের বছর আবার কবে পূজা আসবে সেই অপেক্ষা থাকতো।’



ঢাকা/শান্ত



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/35bc4Ft
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions