One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Monday, April 13, 2020

'এই ক্ষতি কীভাবে পূরণ করবো সেটাই ভাবছি'

'এই ক্ষতি কীভাবে পূরণ করবো সেটাই ভাবছি'

নিজস্ব প্রতিবেদক

'২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস চলে গেলো। এখন আবার এসেছে পয়লা বৈশাখ। কিন্তু কি হবে এই সব দিবসের কথা ভেবে। এখনতো ভাবছি, পরিবারের সবাইকে নিয়ে দু'বেলা দু'মুঠো খেয়ে-পরে বেঁচে থাকার কথা। করোনাভাইরাসের কারণে এবার আমার কয়েক লাখ টাকা ক্ষতি হয়ে গেলো। এ ক্ষতি কীভাবে পূরণ করবো সেটাই ভাবছি'- এমন কথা বলছিলেন রাজধানীর শাহাবাগের শেফালী ফুল ঘরের বিক্রেতা মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেন। শুধু ইউছুফই নয়, করোনার প্রভাবে শাহবাগের সব ফুল দোকানির একই অবস্থা।

করোনাভাইরাসের কারণে সারাদেশ এখন প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) পয়লা বৈশাখ। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার বাসায় বসেই নববর্ষ পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু এ বৈশাখের আগেরদিন এবং বৈশাখের দিন রাজধানীর বিভিন্ন স্থানের ফুলের দোকানে থাকে উপচে পড়া ভিড়। বিক্রেতাদের এ দিনে ফুল বিক্রি করতে করতে এমন অবস্থা দাঁড়ায় যে দম ফেলারও সময় থাকে না। কিন্তু এখন রাজধানীর সব ফুলের দোকান বন্ধ রয়েছে। নেই কোনো ক্রেতাও।

ফুল ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেন রাইজিংবিডিকে বলেন, শাহাবাগ এলেই নাকের সামনে ভাসে নানান ধরনের ফুলের ঘ্রাণ। কিন্তু এখন সেই ঘ্রাণ হারিয়ে গেছে। সব দোকান বন্ধ, ক্রেতাও নেই। করোনার ভয়ে সবাই বাসায়। আমি নিজেও বাসায়, কারণ দোকানতো আর খুলতে পারছি না। কয়েকটা দিবস চলে যাচ্ছে, কিন্তু আমরা কোনো ব্যবসাই করতে পারছি না।

কেমন রকম ক্ষতি হচ্ছে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাধারণ দিনে আমাদের প্রতিটি দোকানে এখানে কমপক্ষে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার ফুল বিক্রি করি। আর কোনো দিবস এলে বিশেষ করে ২১শে ফেব্রুয়ারি, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, পয়লা ফাল্গুন, ভালোবাসা দিবস, পয়লা বৈশাখের মতো দিবসে এক থেকে দেড় লাখ টাকার ফুল বিক্রি হয়। কিন্তু দোকান বন্ধের কারণে সবকিছুই এখন এলোমেলা। বেচাকেনা নেই, তার পরও প্রতি মাসের ভাড়াতো দিতে হচ্ছে। আবার সংসার চালাতে হবে। সব কিছু নিয়ে খুব বিপদের মধ্যেই রয়েছি। 

এ বিষয়ে শাহবাগ ক্ষুদ্র ফুল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘শাহাবাগের এ এলাকায় প্রায় ৫০টির বেশি ফুলের দোকান রয়েছে। যার প্রতিটিতে দৈনিক কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার ফুল বিক্রি হতো। কিন্তু মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে রাজধানীর সব স্থানের ফুলের দোকান বন্ধ রয়েছে। যার ফলে লসের মধ্যে পড়েছে ফুল ব্যবসায়ীরা।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে যে ৫০ টির মতো দোকান রয়েছে তাতে যদি সব দিবস ও বিশেষ দিন ধরে প্রতিদিন গড়ে ৮ হাজার টাকাও ধরি তাও চার লাখ টাকার মতো ক্ষতি হচ্ছে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ফুল ব্যবসায়ী মিল্লাত সরদার বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে গত ২৬ মার্চ থেকেই দোকান বন্ধ রয়েছে। কিন্তু ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস হওয়ার কারণে ফুলের বিশেষ চাহিদা থাকে। যার জন্য ফুল স্টকও করেছিলাম। কিন্তু সরকার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বাতিল করায় বড় ক্ষতি হয়ে গেছে।

এদিকে ঢাকার অদূরে সাভার বিরুলিয়ায় গোলাপ গ্রামের ফুল চাষি মোতাহার হোসেন বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে দোকানপাট বন্ধ থাকায় বিশাল ক্ষতির মুখে পড়েছি। পাইকাররা এখন আর ফুল কিনতে বাগানে আসছে না। গোলাপ ফুল গুলো গাছেই ঝরে পড়ছে। কোনো মানুষ নেই যে ফ্রিতে দিয়ে দেবো, এমন অবস্থা। প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার ফুল বিক্রি করতাম আমার বাগান থেকে। কিন্তু এখন সব পরিশ্রমই বৃথা যাচ্ছে করোনার কারণে। 

 

ঢাকা/হাসিবুল/এসএম



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/3a3V1WX
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions