One can get information of Technology, Online income info, Health, Entertainment, Cooking & Recipe, Bye & Sale, Sports, Education, Exclusive news and many more in single bundle. ভান্ডার 24 থেকে আপনি পাচ্ছেন টেকনোলজি ইনফরমেশন, অনলাইনে ইনকাম ইনফরমেশন, হেলথ, এন্টারটেইনমেন্ট, কুকিং & রেসিপি, কেনা বেচা, স্পোর্টস, এডুকেশন, এক্সক্লুসিভ নিউজ ও আরো অনেক কিছু |

Tuesday, April 14, 2020

আগামী বাজেটে বড় চ্যালেঞ্জ করোনা ও রাজস্ব আদায়ে স্থবিরতা

আগামী বাজেটে বড় চ্যালেঞ্জ করোনা ও রাজস্ব আদায়ে স্থবিরতা

কেএমএ হাসনাত

করোনারভাইরাসের কারণে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেটের পূর্ণ রূপ দেওয়া এবং আসন্ন ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে, করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের অপ্রত্যাশিত ব্যয় অনেক বেড়েছে। তার ওপর নানা খাতে বিপুল পরিমাণ প্রণোদনাসহ বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা দিতে হচ্ছে। এছাড়া, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র জানিয়েছে, প্রতি বছর বাজেটে রাজস্ব আদায়ের একটি বড় লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়। কিন্তু নানা কারণে কোনো অর্থবছরেরই সে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয় না। এরপরও অর্থবছরের মাঝামাঝি সময়ে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন করে কমানো হয়। স্বাভাবিক সময়ে সেটাও আদায় করা যায় না।

গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আদায়ে এনবিআরকে লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়েছিল ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা। কিন্তু বছরের মাঝামাঝি সময় এসে দেখা যায়, কোনোভাবেই এই টার্গেট অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করা সম্ভব নয়। ফলে সে অর্থবছর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৬ হাজার ২১০ কোটি টাকা কাটছাঁট করে সংশোধিত আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু বছর শেষে এই সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

অর্থ বিভাগের এক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে এনবিআর খাতে রাজস্ব আদায়ের প্রকৃত পরিসংখ্যান হচ্ছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা; যা সংশোধিত রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫৪ হাজার ৮১ কোটি টাকা কম এবং মূল লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭০ হাজার ২৮২ কোটি টাকা কম।

একইভাবে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের বাজেটে এনবিআর অংশে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া ছিল ২ লাখ ৪৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। পরে তা সংশোধন করে ২ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। কিন্তু সেই বছরও এনবিআর সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে প্রকৃত রাজস্ব আদায় করে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। যা সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৮ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা কম। প্রকৃত রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যান আবার মূল বাজেট বইয়ে ভিন্নভাবে দেয়া হয়েছে। চলতি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে একনজরে বাজেট বইয়ে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ১০৩ কোটি টাকা।

এর আগে ২০১৫-২০১৬ ও ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে এনবিআরের আওতাধীন সংশোধিত রাজস্ব বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা ও ১ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারিত ছিল। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে যথাক্রমে ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪২ কোটি টাকা এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকা।

অর্থ বিভাগের মতে, গত ২০১২-২০১৩ অর্থবছর থেকে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছর পর্যন্ত এনবিআরের আওতাধীন কর-রাজস্ব আদায়ের গড় বৃদ্ধি হয়েছে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ। এর মধ্যে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে রাজস্ব প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১৫ শতাংশ। তবে বর্তমান সরকারের প্রথম মেয়াদের তুলনায় দ্বিতীয় মেয়াদে রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধিতে নিম্নমুখী প্রবণতা রয়েছে। এনবিআরের আওতাধীন সংশোধিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার পেছনে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন না হওয়া অন্যতম কারণ।

চলতি অর্থবছরে সংশোধিত রাজস্ব আদায়ের নিয়ে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, চলতি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেট থেকে রাজস্ব আদায় কমানো হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে বাজেটে এনবিআরের অংশে রাজস্ব আদায়ের টার্গেট রয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এটি কমিয়ে এখন ৩ লাখ ৬০০ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। এর কারণ আদায়ে ব্যর্থতা। কিন্তু যখন আমরা গত মাসে বাজেট সংশোধন করি তখন করোনা পরিস্থিতি ছিল না। করোনার কারণে এখন প্রায় ২০ দিন ধরে দেশের সবকিছু বন্ধ রয়েছে। দেশে কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য নেই বললেই চলে। ফলে আগামী কয়েক মাসে রাজস্ব আদায় চিত্রটি হবে এককথায় ভয়াবহ। মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারছে না, তারা কর দেবে কীভাবে? এ কারণে বছর শেষে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

প্রতিবছর জুন মাসের প্রথম থেকে দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী। সাধারণত মার্চের শুরু থেকেই বাজেট নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা হয়। সেখানে স্টেকহোল্ডারদের কাছ থেকে নানা পরামর্শ নেওয়া হয়। এবার মার্চেও শুরুতে এ ধরনের দু-একটি বৈঠক শুরু হয়েছিল। এরপরই করোনাভাইরাস দেশে ঢুকে পড়ে। ফলে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। তাই অর্থ বিভাগও বাজেট প্রণয়নের কাজ করতে পারছে না। দফায দফায় ছুটি প্রলম্বিত হচ্ছে। ফলে বাজেট প্রণয়নের কাজ স্থবির হয়ে আছে। তাই নির্দিষ্ট সময়ে বাজেট উপস্থাপন নিয়েও দ্বিধা দেখা দিয়েছে। 

 

ঢাকা/হাসনাত/রফিক



from Risingbd Bangla News https://ift.tt/2xuuSn6
Share:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Recent Posts

Unordered List

Text Widget

Pages

Blog Archive

3i Template IT Solutions. Powered by Blogger.

Text Widget

Copyright © ভান্ডার 24 | Powered by 3i Template IT Solutions